সিকদার শাহ আলম লিমনঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল নিয়ে উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের উপদেষ্টা আব্দুস সামাদ খানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বোয়ালমারী পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে বোয়ালমারী পৌর সদরে ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বোয়ালমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হোসাইন আহমাদ এবং পরিষদের উপদেষ্টা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুস সামাদ খান। লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বুধবার বিকেলে বোয়ালমারী পৌরসভা থেকে ৬৩ জন মুয়াজ্জিন ও ইমামদের জন্য ৬৩০ কেজি (১২ বস্তা) চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব চাল বিতরণের জন্য উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। কার্যালয়টি আব্দুস সামাদ খানের মালিকানাধীন ভবনের নিচতলায় অবস্থিত। অভিযোগ করা হয়, ওই দিন সন্ধ্যার পর রাত সাড়ে ৭টার দিকে পৌর সচিব মনিরুজ্জামান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ সেখানে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করে পৌরসভায় নিয়ে যান। অথচ চাল বিতরণের প্রস্তুতি চলছিল এবং বরাদ্দের মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই কোনো সুযোগ না দিয়েই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে চাল জব্দ করে। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, পরে সেই রাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জব্দ করা চাল ফেরত নেওয়ার অনুরোধ জানান। ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হোসাইন আহমাদ অভিযোগ করে বলেন, পৌর সচিব মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কাজে ঘুষের ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, “প্রতিবছর দুই ঈদে পৌরসভা থেকে ইমামদের জন্য অর্থ ও মুয়াজ্জিনদের জন্য চাল দেওয়া হয়। কিন্তু এবার চাল বিতরণের আগেই পরিকল্পিতভাবে তা জব্দ করে আমাদের সম্মানহানি করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, পূর্বের কিছু অভিযোগের জের ধরেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং এটি একটি পরিকল্পিত ‘চাল উদ্ধারের নাটক’। অন্যদিকে উপদেষ্টা আব্দুস সামাদ খান বলেন, “এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্র। এর সঠিক বিচার না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।” এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সিকদার শাহ আলম লিমনঃ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল নিয়ে উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের উপদেষ্টা আব্দুস সামাদ খানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বোয়ালমারী পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বোয়ালমারী পৌর সদরে ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বোয়ালমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হোসাইন আহমাদ এবং পরিষদের উপদেষ্টা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুস সামাদ খান।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বুধবার বিকেলে বোয়ালমারী পৌরসভা থেকে ৬৩ জন মুয়াজ্জিন ও ইমামদের জন্য ৬৩০ কেজি (১২ বস্তা) চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব চাল বিতরণের জন্য উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। কার্যালয়টি আব্দুস সামাদ খানের মালিকানাধীন ভবনের নিচতলায় অবস্থিত।
অভিযোগ করা হয়, ওই দিন সন্ধ্যার পর রাত সাড়ে ৭টার দিকে পৌর সচিব মনিরুজ্জামান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ সেখানে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করে পৌরসভায় নিয়ে যান। অথচ চাল বিতরণের প্রস্তুতি চলছিল এবং বরাদ্দের মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই কোনো সুযোগ না দিয়েই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে চাল জব্দ করে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, পরে সেই রাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জব্দ করা চাল ফেরত নেওয়ার অনুরোধ জানান।
ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হোসাইন আহমাদ অভিযোগ করে বলেন, পৌর সচিব মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কাজে ঘুষের ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, “প্রতিবছর দুই ঈদে পৌরসভা থেকে ইমামদের জন্য অর্থ ও মুয়াজ্জিনদের জন্য চাল দেওয়া হয়। কিন্তু এবার চাল বিতরণের আগেই পরিকল্পিতভাবে তা জব্দ করে আমাদের সম্মানহানি করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, পূর্বের কিছু অভিযোগের জের ধরেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং এটি একটি পরিকল্পিত ‘চাল উদ্ধারের নাটক’। অন্যদিকে উপদেষ্টা আব্দুস সামাদ খান বলেন, “এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্র। এর সঠিক বিচার না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।” এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।