আপডেট সময়
০৬:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
২৯ অক্টোবর শুরু হচ্ছে তিন দিনের পর্যটন মেলা, অংশ নিচ্ছে ১৬ দেশ
অর্থনীতি ডেস্ক: রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনের জাঁকজমকপূর্ণ বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার ২০৬। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা টোয়াবের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এই পর্যটন মেলার এটি চতুর্দশ আসর। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে দেশের পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মেলাকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে সকল প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।এবারের আন্তর্জাতিক এই পর্যটন প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের ১৫টি দেশের বিভিন্ন পর্যটন খাতের প্রতিনিধি ও প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে প্রতিবেশী ভারত, নেপাল, চীন, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ব্রুনেই, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং আজারবাইজান। বৈশ্বিক পর্যটন খাতের এই বৃহৎ অংশগ্রহণের ফলে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব জোরালো হওয়ার এক দারুণ সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।চলমান এই মেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত পর্যটন এবং টেকসই গন্তব্য। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া, পরিবেশবান্ধব ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এআই কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, তা মেলায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ জানান যে, গ্রাহকদের সেবা উন্নত করতে এবং ভ্রমণ অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোই এবারের আয়োজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেলা প্রাঙ্গণের চারটি বিশাল প্রদর্শনী হলে দুই শতাধিক বুথ ও স্টল স্থাপন করা হবে। সেখানে দুই শতাধিক দেশি-বিদেশি প্রদর্শক তাদের সেবা ও গন্তব্যের পসরা সাজিয়ে বসবেন। তিন দিনব্যাপী চলা এই আয়োজনে প্রায় আড়াই শ যোগ্য ক্রেতা, আড়াই হাজারেরও বেশি ব্যবসা দর্শনার্থী এবং ৬০ হাজারের অধিক সাধারণ দর্শনার্থী সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মেলার টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং এয়ারলাইনস পার্টনার হিসেবে কাজ করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
অর্থনীতি ডেস্ক: রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনের জাঁকজমকপূর্ণ বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার ২০৬। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা টোয়াবের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এই পর্যটন মেলার এটি চতুর্দশ আসর। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে দেশের পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মেলাকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে সকল প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।
এবারের আন্তর্জাতিক এই পর্যটন প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের ১৫টি দেশের বিভিন্ন পর্যটন খাতের প্রতিনিধি ও প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে প্রতিবেশী ভারত, নেপাল, চীন, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ব্রুনেই, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং আজারবাইজান। বৈশ্বিক পর্যটন খাতের এই বৃহৎ অংশগ্রহণের ফলে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব জোরালো হওয়ার এক দারুণ সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চলমান এই মেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত পর্যটন এবং টেকসই গন্তব্য। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া, পরিবেশবান্ধব ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এআই কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, তা মেলায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ জানান যে, গ্রাহকদের সেবা উন্নত করতে এবং ভ্রমণ অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোই এবারের আয়োজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেলা প্রাঙ্গণের চারটি বিশাল প্রদর্শনী হলে দুই শতাধিক বুথ ও স্টল স্থাপন করা হবে। সেখানে দুই শতাধিক দেশি-বিদেশি প্রদর্শক তাদের সেবা ও গন্তব্যের পসরা সাজিয়ে বসবেন। তিন দিনব্যাপী চলা এই আয়োজনে প্রায় আড়াই শ যোগ্য ক্রেতা, আড়াই হাজারেরও বেশি ব্যবসা দর্শনার্থী এবং ৬০ হাজারের অধিক সাধারণ দর্শনার্থী সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মেলার টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং এয়ারলাইনস পার্টনার হিসেবে কাজ করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।