ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ইরানের কট্টরপন্থীরা প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিরও অভিশংসন চায় তারা Logo চা–বাগানের শিশুদের স্কুলব্যাগ-খাতা-পেনসিল উপহার Logo হাল ফ্যাশনের সঙ্গে অ্যানেক্সের সমঝোতা, লক্ষ্য ব্যবসায়িক সাফল্য Logo পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, দেওবন্দে ৫ হাজার প্রতিনিধির সম্মেলন Logo ব্যালন ডি’অর: তারায় খচিত লন্ডন Logo অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয় Logo সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আদালত অবমাননার অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা চাইলেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী Logo সিপিবির মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তুলে হামলা Logo হামের সঙ্গে নিউমোনিয়ার জটিলতা, দূরদূরান্তের শিশুদের শেষ ভরসা ঢাকা Logo মুক্তির দুদিনেই কোটি ভিউ ছাড়াল অপূর্ব-নিহার ‘ভালো আছো তো?’
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশের বৈদেশিক অর্থায়নে এক ধরনের বড় ধরনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এই সময়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে যে পরিমাণ অর্থ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় হয়েছে পূর্বের নেওয়া বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের পেছনে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি ঋণের মূল ও সুদ বাবদ মোট ১ হাজার ৩৫১ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আলোচ্য সময়ে বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে ছাড় হয়েছে মাত্র ৬৬২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ সহজ হিসাবে, প্রতি এক ডলার বৈদেশিক সহায়তার বিপরীতে সরকারকে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে প্রায় দুই ডলারের বেশি।

গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ঋণ পরিশোধের এই হার প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের বছর এই খাতে ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ২৭৯ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার। বর্তমান অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কেবল মূল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৫৮ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার এবং সুদ বাবদ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৪৯২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে সহায়তার অর্থছাড় কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

প্রতিবেদন আরও জানায়, গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় যেখানে ১ হাজার ১৪৮ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলার ছিল, তা চলতি অর্থবছরের একই সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে আশার কথা হলো, এই মন্দার মধ্যেও নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তিন মাসে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছ থেকে ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে ১ হাজার ২৭৩ মিলিয়ন ডলারের নতুন প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯১০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার।

ট্যাগস :

ইরানের কট্টরপন্থীরা প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিরও অভিশংসন চায় তারা

অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয়

আপডেট সময় ০২:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশের বৈদেশিক অর্থায়নে এক ধরনের বড় ধরনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এই সময়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে যে পরিমাণ অর্থ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় হয়েছে পূর্বের নেওয়া বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের পেছনে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি ঋণের মূল ও সুদ বাবদ মোট ১ হাজার ৩৫১ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আলোচ্য সময়ে বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে ছাড় হয়েছে মাত্র ৬৬২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ সহজ হিসাবে, প্রতি এক ডলার বৈদেশিক সহায়তার বিপরীতে সরকারকে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে প্রায় দুই ডলারের বেশি।

গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ঋণ পরিশোধের এই হার প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের বছর এই খাতে ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ২৭৯ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার। বর্তমান অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কেবল মূল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৫৮ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার এবং সুদ বাবদ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৪৯২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে সহায়তার অর্থছাড় কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

প্রতিবেদন আরও জানায়, গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় যেখানে ১ হাজার ১৪৮ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলার ছিল, তা চলতি অর্থবছরের একই সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে আশার কথা হলো, এই মন্দার মধ্যেও নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তিন মাসে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছ থেকে ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে ১ হাজার ২৭৩ মিলিয়ন ডলারের নতুন প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯১০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার।