ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের রাজনীতির অধিকার নেই: জামায়াত আমির

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এদেশে রাজনীতি করার কোনো নৈতিক অধিকার অবশিষ্ট নেই। রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘২৮ অক্টোবরের শহীদ পরিবারের’ সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রাজনীতি যদি হয় মানুষ খুন করা, তবে তাদের হয়তো অধিকার আছে; কিন্তু রাজনীতি যদি হয় মানুষের কল্যাণ, দেশগঠন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য, তবে সেই যোগ্যতা আওয়ামী লীগের নেই।

সভায় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেন জামায়াত আমির। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সে সময় চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দিনভর এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড চলল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন দর্শকের ভূমিকা পালন করল। তার মতে, এর পেছনে বড় ধরনের কোনো ষড়যন্ত্র বা নোংরা খেলা কাজ করেছিল, যার জবাব জাতির কাছে আজও অজানা রয়ে গেছে।

শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, ২০০৬ সালের ওই ঘটনার পর মামলা দায়ের হলেও পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সেই মামলার নথিপত্র গায়েব করে ফেলে এবং মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। তবে অতীতের সব হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক ইতিহাসে কখনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এবং সম্মানের সঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারেনি, বরং প্রতিবারই তাদের অবমাননাকর পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিদায় নিতে হয়েছে।

দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির স্পষ্ট করে জানান যে, বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদী বা সন্ত্রাসবাদী রাজনীতির পুনরুত্থান হতে দেওয়া হবে না এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে মানবিকতা ফিরিয়ে আনতে হবে। এ সময় তিনি সরকারের প্রতি অবিলম্বে সংবিধান সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণ সংবিধানে সাধারণ কাটছাঁটের জন্য নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থায়ী পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিয়েছে। অনুষ্ঠানে দলের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগস :

পর্যটকদের একটি বদভ্যাসে বিরক্ত জাপান

বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের রাজনীতির অধিকার নেই: জামায়াত আমির

আপডেট সময় ০৮:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এদেশে রাজনীতি করার কোনো নৈতিক অধিকার অবশিষ্ট নেই। রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘২৮ অক্টোবরের শহীদ পরিবারের’ সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রাজনীতি যদি হয় মানুষ খুন করা, তবে তাদের হয়তো অধিকার আছে; কিন্তু রাজনীতি যদি হয় মানুষের কল্যাণ, দেশগঠন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য, তবে সেই যোগ্যতা আওয়ামী লীগের নেই।

সভায় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেন জামায়াত আমির। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সে সময় চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দিনভর এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড চলল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন দর্শকের ভূমিকা পালন করল। তার মতে, এর পেছনে বড় ধরনের কোনো ষড়যন্ত্র বা নোংরা খেলা কাজ করেছিল, যার জবাব জাতির কাছে আজও অজানা রয়ে গেছে।

শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, ২০০৬ সালের ওই ঘটনার পর মামলা দায়ের হলেও পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সেই মামলার নথিপত্র গায়েব করে ফেলে এবং মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। তবে অতীতের সব হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক ইতিহাসে কখনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এবং সম্মানের সঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারেনি, বরং প্রতিবারই তাদের অবমাননাকর পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিদায় নিতে হয়েছে।

দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির স্পষ্ট করে জানান যে, বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদী বা সন্ত্রাসবাদী রাজনীতির পুনরুত্থান হতে দেওয়া হবে না এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে মানবিকতা ফিরিয়ে আনতে হবে। এ সময় তিনি সরকারের প্রতি অবিলম্বে সংবিধান সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণ সংবিধানে সাধারণ কাটছাঁটের জন্য নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থায়ী পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিয়েছে। অনুষ্ঠানে দলের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।