আপডেট সময়
১২:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এগিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক আদালত: প্রসিকিউটর
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসির ওপর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও এর কার্যক্রমে কোনো স্থবিরতা আসেনি। আদালতের ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজাত শামিম খান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তাদের আইনি কার্যক্রম এবং তদন্তগুলো স্বাভাবিক গতিতেই এগিয়ে চলেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা ও আদালতের বিলুপ্তির হুমকির মুখেও এই বৈশ্বিক বিচারিক প্রতিষ্ঠানটি তাদের লক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়ায়নি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই আদালতকে আক্রমণ করে বক্তব্য দিলেও আইসিসি কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্ব পালনে পুরোপুরি অবিচল রয়েছে।চলتی বছর আইসিসির কর্মীদের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ঘোষণা দেয় ওয়াশিংটন। এর অংশ হিসেবে আদালতের কিছু কর্মকর্তা ইতিমধ্যে দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রমে নানা জটিলতার মুখে পড়েছেন। ফিজির নাগরিক এবং আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজাত শামিম খান ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নিষেধাজ্ঞার সুনির্দিষ্ট পরিধি এবং প্রভাব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এর ফলে আদালতের কিছু কর্মীর ব্যক্তিগত ও পেশাগত আর্থিক লেনদেন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলা করতে আইসিসি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিকল্প কৌশল গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে দাপ্তরিক কাজের নিরাপত্তায় মাইক্রোসফটের পরিবর্তে ইউরোপীয় প্রযুক্তির সফটওয়্যার ব্যবহার শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে ব্যাংকিং এবং স্বাস্থ্যবিমার মতো জরুরি সেবাগুলো নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে আদালত প্রশাসন। এ ধরনের পদক্ষেপের কারণে বাহ্যিক চাপ সত্ত্বেও আইসিসির অভ্যন্তরীণ কার্যক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বিন্দুমাত্র হ্রাস পায়নি বলে জানানো হয়েছে।এর আগে গত বছরের নভেম্বরে গাজা উপত্যকায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। এরপর থেকে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি প্রসিকিউটর। আদালতের নির্দেশক্রমে প্রসিকিউটর পক্ষের দাখিল করা আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনি আবেদন বর্তমানে গোপনীয়তার সঙ্গে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এই নিষেধাজ্ঞাগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন শুরু হলে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব কী হতে পারে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসির ওপর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও এর কার্যক্রমে কোনো স্থবিরতা আসেনি। আদালতের ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজাত শামিম খান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তাদের আইনি কার্যক্রম এবং তদন্তগুলো স্বাভাবিক গতিতেই এগিয়ে চলেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা ও আদালতের বিলুপ্তির হুমকির মুখেও এই বৈশ্বিক বিচারিক প্রতিষ্ঠানটি তাদের লক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়ায়নি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই আদালতকে আক্রমণ করে বক্তব্য দিলেও আইসিসি কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্ব পালনে পুরোপুরি অবিচল রয়েছে।
চলتی বছর আইসিসির কর্মীদের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ঘোষণা দেয় ওয়াশিংটন। এর অংশ হিসেবে আদালতের কিছু কর্মকর্তা ইতিমধ্যে দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রমে নানা জটিলতার মুখে পড়েছেন। ফিজির নাগরিক এবং আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজাত শামিম খান ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নিষেধাজ্ঞার সুনির্দিষ্ট পরিধি এবং প্রভাব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এর ফলে আদালতের কিছু কর্মীর ব্যক্তিগত ও পেশাগত আর্থিক লেনদেন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলা করতে আইসিসি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিকল্প কৌশল গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে দাপ্তরিক কাজের নিরাপত্তায় মাইক্রোসফটের পরিবর্তে ইউরোপীয় প্রযুক্তির সফটওয়্যার ব্যবহার শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে ব্যাংকিং এবং স্বাস্থ্যবিমার মতো জরুরি সেবাগুলো নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে আদালত প্রশাসন। এ ধরনের পদক্ষেপের কারণে বাহ্যিক চাপ সত্ত্বেও আইসিসির অভ্যন্তরীণ কার্যক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বিন্দুমাত্র হ্রাস পায়নি বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত বছরের নভেম্বরে গাজা উপত্যকায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। এরপর থেকে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি প্রসিকিউটর। আদালতের নির্দেশক্রমে প্রসিকিউটর পক্ষের দাখিল করা আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনি আবেদন বর্তমানে গোপনীয়তার সঙ্গে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এই নিষেধাজ্ঞাগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন শুরু হলে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব কী হতে পারে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।