ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo সিইসি জ্ঞানেশকে সরাতে রাজপথে নামছে ইন্ডিয়া জোট, ‘জনতার অভিশংসন’ ঘোষণা Logo ব্যাটিং কোচ আশরাফুলকে সরিয়ে দিল বিসিবি Logo সব সার বিতরণের দাবি ডিলারের, গুদামে মিলল ১৫০০ বস্তা Logo সৌদির বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ: বাতিল-স্থগিত ১৪৪ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী Logo ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান Logo মেসিকে পুরস্কৃত করল স্প্যানিশ রাজপরিবার Logo মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এগিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক আদালত: প্রসিকিউটর Logo ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় সব করা হবে: ধর্মমন্ত্রী Logo অলিম্পিক ক্রিকেটের বাছাইপর্ব হবে ২০২৮ সালের শুরুতে Logo সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকের শেয়ার, তবু বিনিয়োগে আগ্রহ কম
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

খেলা ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে আফগানিস্তান। ফাইনাল ম্যাচে শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শনী উপহার দেয় রশিদ খানের দল। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া জিম্বাবুয়ে দলীয় শুরুতেই আফগান বোলারদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে পড়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ওভারের আগেই গুটিয়ে যায় তারা।

আফগানিস্তানের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা বড় কোনো জুটি গড়তে ব্যর্থ হন। দলের পক্ষে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা একাই লড়াই চালিয়ে যান এবং ৮৩ বল মোকাবেলা করে ৬৮ রানের একটি দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। তা সত্ত্বেও দলের বাকিরা ব্যর্থ হওয়ায় আফগান বোলারদের তোপে পড়ে শেষ পর্যন্ত ৪৩ ওভারের বেশি স্থায়ী হতে পারেনি জিম্বাবুয়ে ইনিংস এবং মাত্র ১৬৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়। আফগানদের পক্ষে অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার রশিদ খান তিনটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফজলহক ফারুকি, বিলাল সামি এবং মোহাম্মদ নবী প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে কম রানে আটকে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

জিম্বাবুয়ের দেওয়া সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানের ওপেনাররা শুরু থেকেই মারমুখী মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করেন। দলের হয়ে রহমানউল্লাহ গুরবাজ দ্রুত গতিতে রান তুলে দলকে ভালো একটি সূচনা এনে দেন। যদিও জিম্বাবুয়ের বোলার নিউম্যান নিয়ামহুরির আঘাতে গুরবাজ এবং সেদিকউল্লাহ আতাল দ্রুত ফিরে গেলে কিছুটা ধাক্কা খায় আফগানরা। তবে সেই প্রাথমিক চাপ খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি অভিজ্ঞ ব্যাটাররা।

এরপর দলের রান তাড়ার ইনিংসের মূল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ। এই দুই ব্যাটার উইকেটে থিতু হয়ে অত্যন্ত দায়িত্বশীল একটি জুটি গড়ে তোলেন যা দলের জয় নিশ্চিত করে। ইব্রাহিম জাদরান ৯৬ বলে অপরাজিত ৭০ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন এবং তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া রহমত শাহ ৬৩ বলে করেন ৪৩ রান। তাদের এই জুটি ভাঙার আগে স্কোরবোর্ডে মূল্যবান ৮২ রান যোগ হয়। পরবর্তীতে রহমত শাহ আউট হলেও ইব্রাহিম জাদরান ও অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহিদি দলের বাকি পথ অনায়াসেই পার করে ফেলেন এবং ৩৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান।

ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন ইব্রাহিম জাদরান। অন্যদিকে, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার সুবাদে সিরিজ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে আফগান অধিনায়ক ও তারকা স্পিনার রশিদ খানের হাতে। এই জয়ে আফগানিস্তান দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের ক্রমবর্ধমান শক্তির আরও একটি জোরালো প্রমাণ রাখল।

ট্যাগস :

সিইসি জ্ঞানেশকে সরাতে রাজপথে নামছে ইন্ডিয়া জোট, ‘জনতার অভিশংসন’ ঘোষণা

ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান

আপডেট সময় ০১:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে আফগানিস্তান। ফাইনাল ম্যাচে শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শনী উপহার দেয় রশিদ খানের দল। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া জিম্বাবুয়ে দলীয় শুরুতেই আফগান বোলারদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে পড়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ওভারের আগেই গুটিয়ে যায় তারা।

আফগানিস্তানের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা বড় কোনো জুটি গড়তে ব্যর্থ হন। দলের পক্ষে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা একাই লড়াই চালিয়ে যান এবং ৮৩ বল মোকাবেলা করে ৬৮ রানের একটি দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। তা সত্ত্বেও দলের বাকিরা ব্যর্থ হওয়ায় আফগান বোলারদের তোপে পড়ে শেষ পর্যন্ত ৪৩ ওভারের বেশি স্থায়ী হতে পারেনি জিম্বাবুয়ে ইনিংস এবং মাত্র ১৬৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়। আফগানদের পক্ষে অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার রশিদ খান তিনটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফজলহক ফারুকি, বিলাল সামি এবং মোহাম্মদ নবী প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে কম রানে আটকে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

জিম্বাবুয়ের দেওয়া সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানের ওপেনাররা শুরু থেকেই মারমুখী মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করেন। দলের হয়ে রহমানউল্লাহ গুরবাজ দ্রুত গতিতে রান তুলে দলকে ভালো একটি সূচনা এনে দেন। যদিও জিম্বাবুয়ের বোলার নিউম্যান নিয়ামহুরির আঘাতে গুরবাজ এবং সেদিকউল্লাহ আতাল দ্রুত ফিরে গেলে কিছুটা ধাক্কা খায় আফগানরা। তবে সেই প্রাথমিক চাপ খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি অভিজ্ঞ ব্যাটাররা।

এরপর দলের রান তাড়ার ইনিংসের মূল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ। এই দুই ব্যাটার উইকেটে থিতু হয়ে অত্যন্ত দায়িত্বশীল একটি জুটি গড়ে তোলেন যা দলের জয় নিশ্চিত করে। ইব্রাহিম জাদরান ৯৬ বলে অপরাজিত ৭০ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন এবং তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া রহমত শাহ ৬৩ বলে করেন ৪৩ রান। তাদের এই জুটি ভাঙার আগে স্কোরবোর্ডে মূল্যবান ৮২ রান যোগ হয়। পরবর্তীতে রহমত শাহ আউট হলেও ইব্রাহিম জাদরান ও অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহিদি দলের বাকি পথ অনায়াসেই পার করে ফেলেন এবং ৩৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান।

ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন ইব্রাহিম জাদরান। অন্যদিকে, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার সুবাদে সিরিজ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে আফগান অধিনায়ক ও তারকা স্পিনার রশিদ খানের হাতে। এই জয়ে আফগানিস্তান দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের ক্রমবর্ধমান শক্তির আরও একটি জোরালো প্রমাণ রাখল।