আপডেট সময়
১২:১৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
অলিম্পিক ক্রিকেটের বাছাইপর্ব হবে ২০২৮ সালের শুরুতে
খেলা ডেস্ক: দীর্ঘ এক শতাব্দী পর অলিম্পিকের মঞ্চে পুনরায় ক্রিকেট ফিরছে। এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে নিজেদের বৈশ্বিক সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি। সম্প্রতি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে একটি হালনাগাদ করা সূচি ভাগ করে নিয়েছে সংস্থাটি। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে অনুষ্ঠিতব্য ক্রিকেটের চূড়ান্ত বাছাইপর্ব টুর্নামেন্ট শুরুর একদম প্রথম দিকেই আয়োজন করা হবে।এর আগে ক্রীড়া জগতের এই মহাযজ্ঞের বাছাইপর্ব ২০২৭ সালে সম্পন্ন করার প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল। তবে সেটি পরিবর্তন করে অলিম্পিক শুরুর মাত্র ছয় মাস বা তারও কম সময় আগে নির্ধারণ করা হয়েছে। অবশ্য পুরুষ ও নারী—উভয় বিভাগের জন্যই নির্ধারিত এই চূড়ান্ত বাছাইপর্বের স্বাগতিক দেশ বা ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত করে জানায়নি আইসিসি।আসন্ন অলিম্পিকের মূল পর্বে পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগেই মাত্র ছয়টি করে দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবে। এই সীমিত কোটায় পৌঁছানোর জন্য আটটি দলকে নিয়ে বিশেষ একটি বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সরাসরি কোয়ালিফাই করা দলগুলো ছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের সেরা সাতটি দল এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দলকে নিয়ে এই আট দলের লড়াই সাজানো হয়েছে।উল্লেখ্য যে, ১৯০৪ সালের পর এই প্রথম অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি খেলার সুযোগ পেতে পারে। তবে এজন্য তাদের আইসিসির একটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে, যেখানে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত কোনো এক সময়ে স্বাগতিকদের টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের সেরা পনেরো দলের মধ্যে অবস্থান করতে হবে।আইসিসির এই নতুন কর্মপরিকল্পনায় অলিম্পিক ছাড়াও আরও বেশ কিছু বড় টুর্নামেন্টের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৮ সালের নারী ও পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৯ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইংল্যান্ডের মাটিতে আগামী দশকের জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে টেস্ট ক্রিকেটের এই মহারণ, যা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মাঝে নতুন উন্মাদনা তৈরি করবে।
খেলা ডেস্ক: দীর্ঘ এক শতাব্দী পর অলিম্পিকের মঞ্চে পুনরায় ক্রিকেট ফিরছে। এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে নিজেদের বৈশ্বিক সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি। সম্প্রতি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে একটি হালনাগাদ করা সূচি ভাগ করে নিয়েছে সংস্থাটি। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে অনুষ্ঠিতব্য ক্রিকেটের চূড়ান্ত বাছাইপর্ব টুর্নামেন্ট শুরুর একদম প্রথম দিকেই আয়োজন করা হবে।
এর আগে ক্রীড়া জগতের এই মহাযজ্ঞের বাছাইপর্ব ২০২৭ সালে সম্পন্ন করার প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল। তবে সেটি পরিবর্তন করে অলিম্পিক শুরুর মাত্র ছয় মাস বা তারও কম সময় আগে নির্ধারণ করা হয়েছে। অবশ্য পুরুষ ও নারী—উভয় বিভাগের জন্যই নির্ধারিত এই চূড়ান্ত বাছাইপর্বের স্বাগতিক দেশ বা ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত করে জানায়নি আইসিসি।
আসন্ন অলিম্পিকের মূল পর্বে পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগেই মাত্র ছয়টি করে দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবে। এই সীমিত কোটায় পৌঁছানোর জন্য আটটি দলকে নিয়ে বিশেষ একটি বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সরাসরি কোয়ালিফাই করা দলগুলো ছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের সেরা সাতটি দল এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দলকে নিয়ে এই আট দলের লড়াই সাজানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ১৯০৪ সালের পর এই প্রথম অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি খেলার সুযোগ পেতে পারে। তবে এজন্য তাদের আইসিসির একটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে, যেখানে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত কোনো এক সময়ে স্বাগতিকদের টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের সেরা পনেরো দলের মধ্যে অবস্থান করতে হবে।
আইসিসির এই নতুন কর্মপরিকল্পনায় অলিম্পিক ছাড়াও আরও বেশ কিছু বড় টুর্নামেন্টের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৮ সালের নারী ও পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৯ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইংল্যান্ডের মাটিতে আগামী দশকের জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে টেস্ট ক্রিকেটের এই মহারণ, যা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মাঝে নতুন উন্মাদনা তৈরি করবে।