ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি: দিলারা চৌধুরী Logo বহুপাক্ষিকতা ও জাতিসংঘ সংস্কারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন হুমায়ুন Logo এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর Logo কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হোটেল ভাড়া দিলেই ব্যবস্থা, বললেন নারী সংসদ সদস্য Logo পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চান ব্যবসায়ীরা Logo তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে নতুন ‘আইডিয়া’ সংবিধান সংশোধন কমিটিতে Logo নারীর বিরুদ্ধে অপরাধে অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধির সংখ্যায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ Logo সাফিয়া সাথীর সফল ফ্যাশন ডিজাইনার ও উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প | লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ | পর্ব–১১ Logo মামলা হলে আমাকেই যেন প্রধান আসামি করা হয়: রুমিন ফারহানা Logo সিডনিতে কাল চালু হচ্ছে নতুন দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হোটেল ভাড়া দিলেই ব্যবস্থা, বললেন নারী সংসদ সদস্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারে পর্যটক হিসেবে আসা অপ্রাপ্তবয়স্কদের কোনো ধরনের বৈধ পরিচয়পত্র বা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া হোটেল কক্ষ ভাড়া দেওয়ার প্রবণতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি এক সংসদীয় আলোচনায় বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা খান। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘুরতে আসা স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরীরা সহজেই হোটেল বা গেস্টহাউসে রুম পেয়ে যাচ্ছে, যা বর্তমান সমাজে একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনি বয়স ও সঠিক পরিচয় নিশ্চিত না করে এই ধরনের রুম বুকিং দেওয়ার ফলে হোটেলগুলোর ভেতরে ও বাইরে নানা ধরনের অনৈতিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে চলেছে বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা। অনেক সময় আইনগত বাধ্যবাধকতা এবং বয়স যাচাইয়ের নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কিছু অসাধু হোটেল মালিক ও অবারিত বাণিজ্যের লোভে এই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিই ঘটছে না, বরং তরুণ প্রজন্মের নৈতিক অবক্ষয়ও ত্বরান্বিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি রোধে পর্যটন নগরীর হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বশীলরা মনে করছেন, শুধু প্রশাসনিক অভিযান নয়, বরং হোটেল মালিক সমিতির পক্ষ থেকেও কঠোর নির্দেশনা থাকা জরুরি যাতে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি একা বা অভিভাবকহীন অবস্থায় কক্ষ ভাড়া নিতে না পারে। একই সঙ্গে পর্যটন এলাকায় কর্মরত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকেও এ বিষয়ে আরও বেশি তৎপর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

হোটেল ব্যবসায়ীদের আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দিয়ে বলা হয়েছে যে, ব্যবসার চেয়ে সামাজিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পর্যটন খাতে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে, যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পকে আরও নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব করে তুলতে সাহায্য করবে।

ট্যাগস :

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি: দিলারা চৌধুরী

কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হোটেল ভাড়া দিলেই ব্যবস্থা, বললেন নারী সংসদ সদস্য

আপডেট সময় ১০:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারে পর্যটক হিসেবে আসা অপ্রাপ্তবয়স্কদের কোনো ধরনের বৈধ পরিচয়পত্র বা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া হোটেল কক্ষ ভাড়া দেওয়ার প্রবণতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি এক সংসদীয় আলোচনায় বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা খান। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘুরতে আসা স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরীরা সহজেই হোটেল বা গেস্টহাউসে রুম পেয়ে যাচ্ছে, যা বর্তমান সমাজে একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনি বয়স ও সঠিক পরিচয় নিশ্চিত না করে এই ধরনের রুম বুকিং দেওয়ার ফলে হোটেলগুলোর ভেতরে ও বাইরে নানা ধরনের অনৈতিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে চলেছে বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা। অনেক সময় আইনগত বাধ্যবাধকতা এবং বয়স যাচাইয়ের নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কিছু অসাধু হোটেল মালিক ও অবারিত বাণিজ্যের লোভে এই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিই ঘটছে না, বরং তরুণ প্রজন্মের নৈতিক অবক্ষয়ও ত্বরান্বিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি রোধে পর্যটন নগরীর হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বশীলরা মনে করছেন, শুধু প্রশাসনিক অভিযান নয়, বরং হোটেল মালিক সমিতির পক্ষ থেকেও কঠোর নির্দেশনা থাকা জরুরি যাতে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি একা বা অভিভাবকহীন অবস্থায় কক্ষ ভাড়া নিতে না পারে। একই সঙ্গে পর্যটন এলাকায় কর্মরত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকেও এ বিষয়ে আরও বেশি তৎপর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

হোটেল ব্যবসায়ীদের আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দিয়ে বলা হয়েছে যে, ব্যবসার চেয়ে সামাজিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পর্যটন খাতে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে, যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পকে আরও নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব করে তুলতে সাহায্য করবে।