ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার Logo এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে Logo কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের Logo খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের Logo পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার Logo মেঘনার বুকে ১৭ কেজির কাতলা, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় Logo ৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত Logo বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া Logo রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় Logo মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল চালু, গ্যাসের সরবরাহ বাড়ছে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:০০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের জ্বালানি খাতের সংকট নিরসনে একটি বড় স্বস্তির খবর পাওয়া গেছে। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি ভাসমান টার্মিনালের কার্যক্রম পুরোপুরি চালু করা হয়েছে। এই টার্মিনালগুলোর মাধ্যমে সমুদ্রপথে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি রূপান্তর করে জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে একটি টার্মিনালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় গ্যাস সরবরাহে মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিয়েছিল যা এখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে।

উল্লেখ্য, মহেশখালীর এই সুবিশাল প্রকল্পে দুটি পৃথক ভাসমান টার্মিনাল বা এফএসআরইউ পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে একটি মার্কিন জ্বালানি জায়ান্ট এক্সিলারেট এনার্জির মালিকানাধীন এবং অন্যটি দেশীয় শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ সামিটের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। দুটি টার্মিনালই একত্রে দেশের মোট গ্যাস চাহিদার একটি বিশাল অংশ জোগান দিয়ে থাকে। সম্প্রতি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে এর একটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল।

টার্মিনাল দুটি সচল থাকায় এখন প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলএনজি পুনরায় গ্যাস আকারে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে উৎপাদনমুখী শিল্পখাতে গ্যাসের যে চরম সংকট তৈরি হয়েছিল, তা থেকে খুব দ্রুত মুক্তি মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে এই সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতিশীলতা বজায় থাকবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে এলএনজি সরবরাহের বিকল্প উৎস ও ব্যাকআপ সিস্টেম শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে আসছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দুটি টার্মিনালই সচল থাকায় পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ এবং সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। এর সুফল সাধারণ গৃহস্থালি ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে বড় শিল্পোদ্যোক্তা—সবাই পেতে শুরু করেছেন। সরকারের এই পদক্ষেপে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার

বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল চালু, গ্যাসের সরবরাহ বাড়ছে

আপডেট সময় ০৬:০০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের জ্বালানি খাতের সংকট নিরসনে একটি বড় স্বস্তির খবর পাওয়া গেছে। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি ভাসমান টার্মিনালের কার্যক্রম পুরোপুরি চালু করা হয়েছে। এই টার্মিনালগুলোর মাধ্যমে সমুদ্রপথে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি রূপান্তর করে জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে একটি টার্মিনালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় গ্যাস সরবরাহে মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিয়েছিল যা এখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে।

উল্লেখ্য, মহেশখালীর এই সুবিশাল প্রকল্পে দুটি পৃথক ভাসমান টার্মিনাল বা এফএসআরইউ পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে একটি মার্কিন জ্বালানি জায়ান্ট এক্সিলারেট এনার্জির মালিকানাধীন এবং অন্যটি দেশীয় শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ সামিটের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। দুটি টার্মিনালই একত্রে দেশের মোট গ্যাস চাহিদার একটি বিশাল অংশ জোগান দিয়ে থাকে। সম্প্রতি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে এর একটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল।

টার্মিনাল দুটি সচল থাকায় এখন প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলএনজি পুনরায় গ্যাস আকারে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে উৎপাদনমুখী শিল্পখাতে গ্যাসের যে চরম সংকট তৈরি হয়েছিল, তা থেকে খুব দ্রুত মুক্তি মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে এই সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতিশীলতা বজায় থাকবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে এলএনজি সরবরাহের বিকল্প উৎস ও ব্যাকআপ সিস্টেম শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে আসছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দুটি টার্মিনালই সচল থাকায় পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ এবং সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। এর সুফল সাধারণ গৃহস্থালি ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে বড় শিল্পোদ্যোক্তা—সবাই পেতে শুরু করেছেন। সরকারের এই পদক্ষেপে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।