ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী Logo যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ Logo আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল Logo ডিসেম্বরের কথা বলে পলাতক নেতাদের ‘বুস্টআপ’ করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে Logo ভরিতে ৩২৬৬ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম Logo ইরান যুদ্ধে কতটা প্রভাব ফেলবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল Logo বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লড়াই মূলত আমাদের সবারই লড়াই: নাহিদ ইসলাম Logo মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে লাঠি হাতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মহড়া Logo শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা তৈরির পাঁয়তারা কঠোরভাবে দমন করা হবে
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে চিকিৎসক, নার্স এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ ঐতিহাসিকভাবে বেশ সীমিত ছিল। তবে সম্প্রতি দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। এবারের নির্বাচনে অন্তত ১২৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি রেকর্ড। চিকিৎসা খাতের পেশাজীবীদের এমন সরব উপস্থিতি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের এই আগ্রহের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে কোভিড-১৯ মহামারি। মহামারির সেই সংকটময় সময়ে স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং নীতিনির্ধারণে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের ভূমিকার গুরুত্ব চিকিৎসকদের নতুন করে ভাবিয়েছে। শুরুতে তাঁদের নানাভাবে সম্মান জানানো হলেও পরবর্তীতে অনেকেই কাজের চাপ এবং রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়েন। বৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে অসন্তোষের জেরে অনেককে বিভিন্ন বাধা ও হুমকির মুখোমুখিও হতে হয়, যা তাঁদের বুঝতে শিখিয়েছে যে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিজ্ঞানচর্চার সম্পর্ক কতটা গভীর।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও হাই-প্রোফাইল পদে অংশ নিচ্ছেন স্বাস্থ্য খাতের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ। মিশিগান, ওহাইও, ক্যালিফোর্নিয়া এবং সাউথ ক্যারোলাইনার মতো রাজ্যগুলোতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের পক্ষ থেকেই চিকিৎসকরা লড়ছেন। শুধু চিকিৎসক বা নার্সরাই নন, বরং স্বাস্থ্য খাতে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক আইনজীবীরাও প্রার্থী হয়েছেন। ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মতে, রাজনীতি ও বিজ্ঞানের মধ্যে বরাবরই কিছুটা দূরত্ব থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই ব্যবধান ঘুচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য খাতের পেশাজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত করতে বিভিন্ন সংগঠনও এখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ‘থ্রি ফোরটিন অ্যাকশন’ নামের একটি সংস্থা জানিয়েছে যে গত কয়েক বছরে তাদের কাছে প্রার্থী হতে আগ্রহীদের আবেদন নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনও দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকদের রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে এবং তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতেই এই চিকিৎসকরা মূলধারার রাজনীতিতে নাম লেখাচ্ছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

আপডেট সময় ০১:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে চিকিৎসক, নার্স এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ ঐতিহাসিকভাবে বেশ সীমিত ছিল। তবে সম্প্রতি দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। এবারের নির্বাচনে অন্তত ১২৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি রেকর্ড। চিকিৎসা খাতের পেশাজীবীদের এমন সরব উপস্থিতি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের এই আগ্রহের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে কোভিড-১৯ মহামারি। মহামারির সেই সংকটময় সময়ে স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং নীতিনির্ধারণে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের ভূমিকার গুরুত্ব চিকিৎসকদের নতুন করে ভাবিয়েছে। শুরুতে তাঁদের নানাভাবে সম্মান জানানো হলেও পরবর্তীতে অনেকেই কাজের চাপ এবং রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়েন। বৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে অসন্তোষের জেরে অনেককে বিভিন্ন বাধা ও হুমকির মুখোমুখিও হতে হয়, যা তাঁদের বুঝতে শিখিয়েছে যে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিজ্ঞানচর্চার সম্পর্ক কতটা গভীর।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও হাই-প্রোফাইল পদে অংশ নিচ্ছেন স্বাস্থ্য খাতের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ। মিশিগান, ওহাইও, ক্যালিফোর্নিয়া এবং সাউথ ক্যারোলাইনার মতো রাজ্যগুলোতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের পক্ষ থেকেই চিকিৎসকরা লড়ছেন। শুধু চিকিৎসক বা নার্সরাই নন, বরং স্বাস্থ্য খাতে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক আইনজীবীরাও প্রার্থী হয়েছেন। ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মতে, রাজনীতি ও বিজ্ঞানের মধ্যে বরাবরই কিছুটা দূরত্ব থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই ব্যবধান ঘুচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য খাতের পেশাজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত করতে বিভিন্ন সংগঠনও এখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ‘থ্রি ফোরটিন অ্যাকশন’ নামের একটি সংস্থা জানিয়েছে যে গত কয়েক বছরে তাদের কাছে প্রার্থী হতে আগ্রহীদের আবেদন নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনও দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকদের রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে এবং তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতেই এই চিকিৎসকরা মূলধারার রাজনীতিতে নাম লেখাচ্ছেন।