ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার Logo এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে Logo কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের Logo খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের Logo পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার Logo মেঘনার বুকে ১৭ কেজির কাতলা, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় Logo ৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত Logo বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া Logo রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় Logo মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে এসেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: তৈরি পোশাক শিল্পে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শ্রমিক অসন্তোষের বিষয় নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি। তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে কারখানা মালিক পক্ষ, বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মাঝে সাময়িক উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে ইতোমধ্যে কয়েকদিনের সেই অস্থিরতা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

সিলেট নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা ও জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ড সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করে শ্রমিকদের জন্য একটি উপযুক্ত ও বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করবে।

বিনিয়োগের ওপর এই অস্থিরতার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান যে কেবল কয়েক দিনের বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন না। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, ব্যবসা পরিচালনার সহজতা, বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ এবং সরকারি নীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক বিবেচনা করেই তাঁরা বিনিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার হাটগুলো পুনরায় চালু করা এবং দেশের স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী জানান যে এই কার্যক্রমগুলো সম্পূর্ণভাবে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তরিকতা থাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিবেশী দেশের সক্রিয় আগ্রহ ও সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে। উভয় দেশের সম্মিলিত ও আন্তরিক উদ্যোগের মাধ্যমেই এই কার্যক্রমগুলো পুনরায় চালু এবং আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার

পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে এসেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: তৈরি পোশাক শিল্পে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শ্রমিক অসন্তোষের বিষয় নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি। তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে কারখানা মালিক পক্ষ, বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মাঝে সাময়িক উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে ইতোমধ্যে কয়েকদিনের সেই অস্থিরতা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

সিলেট নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা ও জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ড সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করে শ্রমিকদের জন্য একটি উপযুক্ত ও বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করবে।

বিনিয়োগের ওপর এই অস্থিরতার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান যে কেবল কয়েক দিনের বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন না। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, ব্যবসা পরিচালনার সহজতা, বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ এবং সরকারি নীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক বিবেচনা করেই তাঁরা বিনিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার হাটগুলো পুনরায় চালু করা এবং দেশের স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী জানান যে এই কার্যক্রমগুলো সম্পূর্ণভাবে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তরিকতা থাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিবেশী দেশের সক্রিয় আগ্রহ ও সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে। উভয় দেশের সম্মিলিত ও আন্তরিক উদ্যোগের মাধ্যমেই এই কার্যক্রমগুলো পুনরায় চালু এবং আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।