আপডেট সময়
০৩:৪৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
চার বছর ধরে সড়কের কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে ৩০ হাজার মানুষ
জাতীয় ডেস্ক: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল থেকে চারটভাঙা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির উন্নয়ন কাজ দীর্ঘ সময় ধরে থমকে আছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে সড়কটি পাকাকরণের কাজ শুরু হলেও ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনায় তা মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায়। তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই কাঁচা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন আশপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। ঠিকাদার কাজ ফেলে লাপাত্তা হয়ে যাওয়ায় এই জনবহুল পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘ দিনেও কাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে এই সড়ক নির্মাণের কাজটি পায় মেসার্স মতলব ট্রেডিং নামের একটি স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. মোফাজ্জল হোসেন রাজনৈতিক পরিবর্তনের জেরে কাজ ফেলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই তিনি আর এলাকায় আসেননি। ফলে কার্যাদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হওয়া তো দূরের কথা, সড়কের বেশিরভাগ অংশই অবহেলিত পড়ে রয়েছে।স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, মেহেরণ, খর্গপুর, নারায়ণপুর, চারটভাঙাসহ প্রায় দশটি গ্রামের অন্তত ত্রিশ হাজার মানুষ এই সড়কপথের ওপর নির্ভরশীল। এলাকার সাত থেকে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই পথ পাড়ি দিতে হয়। সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা সড়কে পানি ও কাদামাটি জমে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। ফলে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং কোনো ধরনের ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারে না।ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই অচলাবস্থা চললেও স্থানীয় প্রকৌশল দপ্তর কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তবে এলজিইডির দায়িত্বহীনতার অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঠিকাদারকে বারবার তাগিদ দিলেও তিনি সাড়া দেননি। ইতোমধ্যে ওই ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব দ্রুত নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে অসমাপ্ত কাজ পুনরায় শুরু করে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে প্রকৌশল বিভাগ।
জাতীয় ডেস্ক: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল থেকে চারটভাঙা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির উন্নয়ন কাজ দীর্ঘ সময় ধরে থমকে আছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে সড়কটি পাকাকরণের কাজ শুরু হলেও ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনায় তা মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায়। তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই কাঁচা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন আশপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। ঠিকাদার কাজ ফেলে লাপাত্তা হয়ে যাওয়ায় এই জনবহুল পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘ দিনেও কাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে এই সড়ক নির্মাণের কাজটি পায় মেসার্স মতলব ট্রেডিং নামের একটি স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. মোফাজ্জল হোসেন রাজনৈতিক পরিবর্তনের জেরে কাজ ফেলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই তিনি আর এলাকায় আসেননি। ফলে কার্যাদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হওয়া তো দূরের কথা, সড়কের বেশিরভাগ অংশই অবহেলিত পড়ে রয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, মেহেরণ, খর্গপুর, নারায়ণপুর, চারটভাঙাসহ প্রায় দশটি গ্রামের অন্তত ত্রিশ হাজার মানুষ এই সড়কপথের ওপর নির্ভরশীল। এলাকার সাত থেকে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই পথ পাড়ি দিতে হয়। সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা সড়কে পানি ও কাদামাটি জমে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। ফলে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং কোনো ধরনের ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারে না।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই অচলাবস্থা চললেও স্থানীয় প্রকৌশল দপ্তর কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তবে এলজিইডির দায়িত্বহীনতার অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঠিকাদারকে বারবার তাগিদ দিলেও তিনি সাড়া দেননি। ইতোমধ্যে ওই ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব দ্রুত নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে অসমাপ্ত কাজ পুনরায় শুরু করে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে প্রকৌশল বিভাগ।