ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo নভেম্বরের মধ্যেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আশা Logo ফ্রিজের ওপর সাইবার হামলার কথা আগে শুনেছেন? ফ্রান্সের শত শত সুপারমার্কেটে এমনটা হলো কেন Logo ট্রাইব্যুনাল আইন হয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আমলের ঘটনা নিয়ে আসা হয়েছে: মনসুরুল হক চৌধুরী Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের দাবি Logo পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের দুই বছর, সাত মামলার রায় Logo ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ, সুপারিশ পেলেন ১৭০২ জন Logo নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত হচ্ছে রূপপুর Logo শিক্ষাসহ তিন সচিব পেলেন সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা Logo ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের অঙ্গীকার সরকারের
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ট্রাইব্যুনাল আইন হয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আমলের ঘটনা নিয়ে আসা হয়েছে: মনসুরুল হক চৌধুরী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আইন-আদালত ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল উদ্দেশ্য ছিল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু সম্প্রতি এই ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমলের বিভিন্ন ঘটনা ও অপরাধের বিচারকার্য নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ নিয়ে আইনি অঙ্গনে নানা আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর নতুন এক প্রভাব ফেলছে।

বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এই ট্রাইব্যুনালটি মূলত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত হয়েছিল এবং এর বাইরে অন্য কোনো অপরাধের বিচার এখানে পরিচালিত হওয়ার কথা নয়। তার এই মন্তব্য দেশের আইন ও বিচার সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী আরও বলেন যে, যুদ্ধাপরাধের গণ্ডি পেরিয়ে ট্রাইব্যুনালের আওতা ভিন্ন দিকে প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আইনি ভিত্তি ও এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অতীতে এই আদালতের মাধ্যমে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরই বিচার করা হয়েছে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ট্রাইব্যুনালের কার্যপরিধি নিয়ে এই ধরনের প্রশ্ন বিচারপ্রার্থীদের মধ্যেও নতুন ভাবনার উদ্রেক করেছে।

উল্লেখ্য, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিগত সরকারের আমলের বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই উদ্যোগের আইনি বৈধতা এবং মূল কাঠামোর সঙ্গে এর সংগতি কতটুকু, তা নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানামুখী মতপার্থক্য ও বিতর্ক চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরের মধ্যেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আশা

ট্রাইব্যুনাল আইন হয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আমলের ঘটনা নিয়ে আসা হয়েছে: মনসুরুল হক চৌধুরী

আপডেট সময় ০১:৪৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল উদ্দেশ্য ছিল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু সম্প্রতি এই ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমলের বিভিন্ন ঘটনা ও অপরাধের বিচারকার্য নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ নিয়ে আইনি অঙ্গনে নানা আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর নতুন এক প্রভাব ফেলছে।

বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এই ট্রাইব্যুনালটি মূলত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত হয়েছিল এবং এর বাইরে অন্য কোনো অপরাধের বিচার এখানে পরিচালিত হওয়ার কথা নয়। তার এই মন্তব্য দেশের আইন ও বিচার সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী আরও বলেন যে, যুদ্ধাপরাধের গণ্ডি পেরিয়ে ট্রাইব্যুনালের আওতা ভিন্ন দিকে প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আইনি ভিত্তি ও এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অতীতে এই আদালতের মাধ্যমে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরই বিচার করা হয়েছে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ট্রাইব্যুনালের কার্যপরিধি নিয়ে এই ধরনের প্রশ্ন বিচারপ্রার্থীদের মধ্যেও নতুন ভাবনার উদ্রেক করেছে।

উল্লেখ্য, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিগত সরকারের আমলের বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই উদ্যোগের আইনি বৈধতা এবং মূল কাঠামোর সঙ্গে এর সংগতি কতটুকু, তা নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানামুখী মতপার্থক্য ও বিতর্ক চলমান রয়েছে।