ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বিএনপির মুখে জুলাই, অন্তরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ: হাসনাত আব্দুল্লাহ Logo ৩৫ বছরের পর আর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না: আইনমন্ত্রী Logo বিএনপিকে শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক Logo প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর Logo ৫০০ উপজেলায় যাচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস Logo ড. ইউনূসের ওপর হামলাকারীদের গাধার দল বললেন আসিফ নজরুল Logo নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টার নিন্দা নাহিদের Logo ঢাকা-কুমিল্লা নতুন উড়াল রেলপথ: দূরত্ব কমবে ৮০ কিমি, ব্যয় প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা Logo স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারিতে বদলি-পদায়ন: গণপূর্তমন্ত্রী
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

৩৫ বছরের পর আর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না: আইনমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৩০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আইন-আদালত ডেস্ক: আইন পেশায় আসার ক্ষেত্রে বয়সসীমা নির্ধারণ করে একটি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩৫ বছর বয়সের পর আর কারো পক্ষে আইনজীবী হিসেবে লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। সম্প্রতি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি তথা ইউএনডিপি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাপনী ও বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে আইন পেশার মানোন্নয়ন ও অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, মামলা জেতার নিশ্চয়তা দিয়ে মক্কেলের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং পরবর্তীতে হেরে গেলে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতির নামে চলা একশ্রেণির অনৈতিক ব্যবসা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। বিচারকদের মতো আইনজীবীদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করে তিনি বার কাউন্সিলকে পেশাগত নৈতিকতার বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করার আহ্বান জানান।

আইন পেশার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন নেতিবাচক দিক তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কতিপয় আইনজীবী বিচারকদের খাস কামরায় গিয়ে কথা বলার মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে মক্কেলদের বিভ্রান্ত করেন এবং বিচারকদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দেন। এসব কর্মকাণ্ড আইন পেশার সম্মান ও ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন করছে উল্লেখ করে তিনি নবীন আইনজীবীদের অর্থের প্রতি লোভ সংবরণ করার তাগিদ দেন। তাদের কেবল বড় পেশাজীবী না হয়ে বরং একজন সত্যিকারের মানবিক ও সৎ আইনজীবী হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

সাইবার সুরক্ষা আইনের বিষয়েও অনুষ্ঠানে কথা বলেন আইনমন্ত্রী এবং জানান যে এই আইনের কয়েকটি ধারায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার বিষয়টি বর্তমানে সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত নবীন ইন্টার্নদের উদ্দেশে তিনি জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স এবং সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকসসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির মুখে জুলাই, অন্তরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

৩৫ বছরের পর আর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৩০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: আইন পেশায় আসার ক্ষেত্রে বয়সসীমা নির্ধারণ করে একটি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩৫ বছর বয়সের পর আর কারো পক্ষে আইনজীবী হিসেবে লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। সম্প্রতি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি তথা ইউএনডিপি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাপনী ও বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে আইন পেশার মানোন্নয়ন ও অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, মামলা জেতার নিশ্চয়তা দিয়ে মক্কেলের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং পরবর্তীতে হেরে গেলে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতির নামে চলা একশ্রেণির অনৈতিক ব্যবসা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। বিচারকদের মতো আইনজীবীদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করে তিনি বার কাউন্সিলকে পেশাগত নৈতিকতার বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করার আহ্বান জানান।

আইন পেশার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন নেতিবাচক দিক তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কতিপয় আইনজীবী বিচারকদের খাস কামরায় গিয়ে কথা বলার মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে মক্কেলদের বিভ্রান্ত করেন এবং বিচারকদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দেন। এসব কর্মকাণ্ড আইন পেশার সম্মান ও ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন করছে উল্লেখ করে তিনি নবীন আইনজীবীদের অর্থের প্রতি লোভ সংবরণ করার তাগিদ দেন। তাদের কেবল বড় পেশাজীবী না হয়ে বরং একজন সত্যিকারের মানবিক ও সৎ আইনজীবী হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

সাইবার সুরক্ষা আইনের বিষয়েও অনুষ্ঠানে কথা বলেন আইনমন্ত্রী এবং জানান যে এই আইনের কয়েকটি ধারায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার বিষয়টি বর্তমানে সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত নবীন ইন্টার্নদের উদ্দেশে তিনি জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স এবং সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকসসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।