আপডেট সময়
০৮:১৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
মাটি খুঁড়ে জমানো সোনার কণায় প্রেমিকার জন্য আংটি বানালেন যুবক
লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রেমিকাকে জীবনের বিশেষ দিনে ব্যতিক্রমী উপায়ে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর হুইট রিজ এলাকার বাসিন্দা জ্যাক ভলকানি। বাজার থেকে প্রচলিত কোনো গয়না না কিনে তিনি নিজ হাতে ভালোবাসার প্রতীক তৈরির পরিকল্পনা করেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি নদীর তলদেশ থেকে সরাসরি সোনার কণা সংগ্রহ করার এক রোমাঞ্চকর ও কঠিন পথ বেছে নেন। তাঁর এই অভিনব উদ্যোগ এবং ভালোবাসার গভীরতা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।দীর্ঘ সময় ধরে কলোরাডার বিভিন্ন নদীর পাড়ে ও ঠান্ডা পানিতে সময় কাটিয়ে তিল তিল করে সোনার কণা জমান জ্যাক ভলকানি। কাজটি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজের জেদ ও ভালোবাসার টানে পিছু হটেনি। নদী থেকে সংগৃহীত এই সোনাগুলো দিয়ে একটি আকর্ষণীয় বাগদানের আংটি তৈরির জন্য তিনি স্থানীয় এক পেশাদার গয়নাশিল্পীর শরণাপন্ন হন। কারিগর জ্যাক অ্যালেন এই ব্যতিক্রমী কাজের প্রস্তাব লুফে নেন এবং সংগৃহীত সোনা গলিয়ে সুন্দর একটি আংটি তৈরি করে দেন।আংটি তৈরির কাজ শেষ হওয়ার পর প্রেমিকা জোয়ানকে চমকে দেওয়ার জন্য এক চমৎকার পরিকল্পনা করেন ওই যুবক। কিছুদিন পর পাহাড়ের নৈসর্গিক পরিবেশে বেড়াতে গিয়ে তিনি জোয়ানকে নদীর বুক থেকে সোনা সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়ার একটি ভিডিও দেখান। প্রথমে বিষয়টি পরিষ্কার না হলেও ভিডিওর শেষভাগে এসে জোয়ান বুঝতে পারেন তাঁর প্রেমিকের এই সব আয়োজনের আসল উদ্দেশ্য। ভালোবাসার এমন নিবেদন দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জোয়ান এবং আনন্দে চোখে জল চলে আসে তাঁর।সম্পূর্ণ ঘটনাটিকে নিজেদের জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন জোয়ান। তাঁর মতে, জ্যাকের এই প্রচেষ্টা প্রমাণ করে যে তিনি কতটা আন্তরিক এবং সঠিক মানুষকেই তিনি জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এদিকে আংটি বানানোর পর কিছু সোনা অবশিষ্ট থাকায় জ্যাক নিজের জন্যও আরেকটি আংটি তৈরির পরিকল্পনা করেছেন। তাঁদের বিশ্বাস, এই বিশেষ আংটিগুলো তাদের কর্মব্যস্ত জীবনেও সবসময় ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখবে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রেমিকাকে জীবনের বিশেষ দিনে ব্যতিক্রমী উপায়ে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর হুইট রিজ এলাকার বাসিন্দা জ্যাক ভলকানি। বাজার থেকে প্রচলিত কোনো গয়না না কিনে তিনি নিজ হাতে ভালোবাসার প্রতীক তৈরির পরিকল্পনা করেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি নদীর তলদেশ থেকে সরাসরি সোনার কণা সংগ্রহ করার এক রোমাঞ্চকর ও কঠিন পথ বেছে নেন। তাঁর এই অভিনব উদ্যোগ এবং ভালোবাসার গভীরতা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
দীর্ঘ সময় ধরে কলোরাডার বিভিন্ন নদীর পাড়ে ও ঠান্ডা পানিতে সময় কাটিয়ে তিল তিল করে সোনার কণা জমান জ্যাক ভলকানি। কাজটি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজের জেদ ও ভালোবাসার টানে পিছু হটেনি। নদী থেকে সংগৃহীত এই সোনাগুলো দিয়ে একটি আকর্ষণীয় বাগদানের আংটি তৈরির জন্য তিনি স্থানীয় এক পেশাদার গয়নাশিল্পীর শরণাপন্ন হন। কারিগর জ্যাক অ্যালেন এই ব্যতিক্রমী কাজের প্রস্তাব লুফে নেন এবং সংগৃহীত সোনা গলিয়ে সুন্দর একটি আংটি তৈরি করে দেন।
আংটি তৈরির কাজ শেষ হওয়ার পর প্রেমিকা জোয়ানকে চমকে দেওয়ার জন্য এক চমৎকার পরিকল্পনা করেন ওই যুবক। কিছুদিন পর পাহাড়ের নৈসর্গিক পরিবেশে বেড়াতে গিয়ে তিনি জোয়ানকে নদীর বুক থেকে সোনা সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়ার একটি ভিডিও দেখান। প্রথমে বিষয়টি পরিষ্কার না হলেও ভিডিওর শেষভাগে এসে জোয়ান বুঝতে পারেন তাঁর প্রেমিকের এই সব আয়োজনের আসল উদ্দেশ্য। ভালোবাসার এমন নিবেদন দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জোয়ান এবং আনন্দে চোখে জল চলে আসে তাঁর।
সম্পূর্ণ ঘটনাটিকে নিজেদের জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন জোয়ান। তাঁর মতে, জ্যাকের এই প্রচেষ্টা প্রমাণ করে যে তিনি কতটা আন্তরিক এবং সঠিক মানুষকেই তিনি জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এদিকে আংটি বানানোর পর কিছু সোনা অবশিষ্ট থাকায় জ্যাক নিজের জন্যও আরেকটি আংটি তৈরির পরিকল্পনা করেছেন। তাঁদের বিশ্বাস, এই বিশেষ আংটিগুলো তাদের কর্মব্যস্ত জীবনেও সবসময় ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখবে।