আপডেট সময়
০৮:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
দিনে দিনে কেন ছোট হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিয়ের আয়োজন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বিয়ের প্রচলিত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। বর্তমান প্রজন্মের দম্পতিরা বিশাল জমায়েত বা ব্যয়বহুল আনুষ্ঠানিকতা থেকে সরে এসে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ের আয়োজনকে বেছে নিচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতির কারণে এই অঞ্চলে বিয়ের বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী বড় পরিসরের বিয়ের পরিবর্তে এখন অতিথির সংখ্যা সীমিত রাখা এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।জাপানভিত্তিক গণমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোতে এই পরিবর্তন অত্যন্ত স্পষ্ট। মালয়েশিয়ার পেতালিং জায়ার এক তরুণ সম্প্রতি খাবার ও সামগ্রিক খরচ সামলাতে অতিথির তালিকা ছোট করার সিদ্ধান্ত নেন। একইভাবে ইন্দোনেশিয়ায় কয়েক বছর আগের তুলনায় বিয়ের নিবন্ধনের হার ব্যাপকভাবে কমেছে। ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে তরুণ সমাজ অহেতুক অর্থ অপচয় না করে নিজেদের সঞ্চয়ের ওপর নির্ভর করে ছোট পরিসরে বিবাহ সম্পন্ন করছেন।জাকার্তার এক তরুণী সম্প্রতি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান এড়িয়ে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও ঘরোয়া উপায়ে বিয়ের কাজ সেরেছেন। তিনি মনে করেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ঋণ করে বা জমানো অর্থ খরচ করে বড় অনুষ্ঠান করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। থাইল্যান্ড এবং ফিলিপাইনেও অনেক দম্পতি এখন শুভদিন বা লগ্ন দেখার চেয়ে নিজেদের সুবিধাজনক সময় ও সাধ্যের মধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এমনকি অনেকে খরচ কমাতে বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনদের সাহায্য সহযোগিতা নিচ্ছেন।তবে বিয়ের এমন ক্ষুদ্রায়ন ও ব্যয় সংকোচন নীতির ফলে এই খাতের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে মন্দা দেখা দিয়েছে। ক্যাটারিং সার্ভিস, ফটোগ্রাফি স্টুডিও, পোশাক ভাড়ার দোকান এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যাপ্ত কাজ না পেয়ে এখন করপোরেট অনুষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছে। এর মধ্যেও কিছু পর্যটননির্ভর দেশ বিদেশি ধনী দম্পতিদের আকর্ষণ করে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। যেমন ভিয়েতনামে কয়েক মিলিয়ন ডলারের বড় বাজেটের ভারতীয় ধনাঢ্য পরিবারের বিয়ের আয়োজন করে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বিয়ের প্রচলিত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। বর্তমান প্রজন্মের দম্পতিরা বিশাল জমায়েত বা ব্যয়বহুল আনুষ্ঠানিকতা থেকে সরে এসে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ের আয়োজনকে বেছে নিচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতির কারণে এই অঞ্চলে বিয়ের বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী বড় পরিসরের বিয়ের পরিবর্তে এখন অতিথির সংখ্যা সীমিত রাখা এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
জাপানভিত্তিক গণমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোতে এই পরিবর্তন অত্যন্ত স্পষ্ট। মালয়েশিয়ার পেতালিং জায়ার এক তরুণ সম্প্রতি খাবার ও সামগ্রিক খরচ সামলাতে অতিথির তালিকা ছোট করার সিদ্ধান্ত নেন। একইভাবে ইন্দোনেশিয়ায় কয়েক বছর আগের তুলনায় বিয়ের নিবন্ধনের হার ব্যাপকভাবে কমেছে। ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে তরুণ সমাজ অহেতুক অর্থ অপচয় না করে নিজেদের সঞ্চয়ের ওপর নির্ভর করে ছোট পরিসরে বিবাহ সম্পন্ন করছেন।
জাকার্তার এক তরুণী সম্প্রতি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান এড়িয়ে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও ঘরোয়া উপায়ে বিয়ের কাজ সেরেছেন। তিনি মনে করেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ঋণ করে বা জমানো অর্থ খরচ করে বড় অনুষ্ঠান করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। থাইল্যান্ড এবং ফিলিপাইনেও অনেক দম্পতি এখন শুভদিন বা লগ্ন দেখার চেয়ে নিজেদের সুবিধাজনক সময় ও সাধ্যের মধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এমনকি অনেকে খরচ কমাতে বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনদের সাহায্য সহযোগিতা নিচ্ছেন।
তবে বিয়ের এমন ক্ষুদ্রায়ন ও ব্যয় সংকোচন নীতির ফলে এই খাতের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে মন্দা দেখা দিয়েছে। ক্যাটারিং সার্ভিস, ফটোগ্রাফি স্টুডিও, পোশাক ভাড়ার দোকান এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যাপ্ত কাজ না পেয়ে এখন করপোরেট অনুষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছে। এর মধ্যেও কিছু পর্যটননির্ভর দেশ বিদেশি ধনী দম্পতিদের আকর্ষণ করে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। যেমন ভিয়েতনামে কয়েক মিলিয়ন ডলারের বড় বাজেটের ভারতীয় ধনাঢ্য পরিবারের বিয়ের আয়োজন করে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।