আপডেট সময়
০৪:৩১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারি, চুপ্পুর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি
অপরাধ ডেস্ক: ইসলামী ব্যাংকের ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন এই দিন নির্ধারণ করেন। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এই চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং নির্ধারিত দিনে দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এর আগে গত বছর ইসলামী ব্যাংকের প্রধান শাখার একজন কর্মকর্তা বাদী হয়ে এই জালিয়াতির ঘটনায় আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করার পর অভিযোগ আমলে নিয়ে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অনুসন্ধানের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।এই মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং এজাহারে তাকে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও অভিযুক্ত হয়েছেন ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানসহ এস আলম গ্রুপের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন সময়ের পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরাও এই মামলার অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের সাথে যোগসাজশ করে অত্যন্ত সুকৌশলে ইসলামী ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ শেয়ার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন। ক্ষমতা ও পদের অপব্যবহার করে এই জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকটির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র আট লাখ টাকা। অথচ এই প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমেই প্রায় ২৫১ কোটি টাকা মূল্যের সাত কোটিরও বেশি শেয়ার অধিগ্রহণ করা হয়। নামমাত্র পরিশোধিত মূলধনের কোনো প্রতিষ্ঠানের এত বিশাল অংকের শেয়ার কেনার আর্থিক সক্ষমতা থাকার কথা নয়। তা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ পরিকল্পিত উপায়ে এবং অবৈধ যোগসাজশের মাধ্যমে এই আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে যে ইসলামী ব্যাংকের সিংহভাগ শেয়ার অধিগ্রহণকারী ২৪টি কোম্পানির পেছনে এস আলম গ্রুপের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংযোগ রয়েছে। শেয়ার কেনাবেচার তারিখ এবং অর্থের উৎস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পুরো প্রক্রিয়াটি আগে থেকেই সুনির্দিষ্টভাবে সাজানো ছিল।তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, এস আলম গ্রুপ এবং তাদের সহযোগীরা বিভিন্ন কৌশলে দেশের অন্যতম এই বেসরকারি ব্যাংকটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। অবৈধ উপায়ে ব্যক্তিগত ও দলীয় লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে জনগণের আমানতের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে যা স্পষ্টতই ফৌজদারি অপরাধের শামিল। এদিকে মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাদে মামলার বাকি সব আসামির দেশত্যাগের ওপর ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
অপরাধ ডেস্ক: ইসলামী ব্যাংকের ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন এই দিন নির্ধারণ করেন। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এই চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং নির্ধারিত দিনে দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এর আগে গত বছর ইসলামী ব্যাংকের প্রধান শাখার একজন কর্মকর্তা বাদী হয়ে এই জালিয়াতির ঘটনায় আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করার পর অভিযোগ আমলে নিয়ে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অনুসন্ধানের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এই মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং এজাহারে তাকে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও অভিযুক্ত হয়েছেন ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানসহ এস আলম গ্রুপের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন সময়ের পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরাও এই মামলার অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের সাথে যোগসাজশ করে অত্যন্ত সুকৌশলে ইসলামী ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ শেয়ার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন। ক্ষমতা ও পদের অপব্যবহার করে এই জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকটির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র আট লাখ টাকা। অথচ এই প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমেই প্রায় ২৫১ কোটি টাকা মূল্যের সাত কোটিরও বেশি শেয়ার অধিগ্রহণ করা হয়। নামমাত্র পরিশোধিত মূলধনের কোনো প্রতিষ্ঠানের এত বিশাল অংকের শেয়ার কেনার আর্থিক সক্ষমতা থাকার কথা নয়। তা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ পরিকল্পিত উপায়ে এবং অবৈধ যোগসাজশের মাধ্যমে এই আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে যে ইসলামী ব্যাংকের সিংহভাগ শেয়ার অধিগ্রহণকারী ২৪টি কোম্পানির পেছনে এস আলম গ্রুপের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংযোগ রয়েছে। শেয়ার কেনাবেচার তারিখ এবং অর্থের উৎস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পুরো প্রক্রিয়াটি আগে থেকেই সুনির্দিষ্টভাবে সাজানো ছিল।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, এস আলম গ্রুপ এবং তাদের সহযোগীরা বিভিন্ন কৌশলে দেশের অন্যতম এই বেসরকারি ব্যাংকটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। অবৈধ উপায়ে ব্যক্তিগত ও দলীয় লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে জনগণের আমানতের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে যা স্পষ্টতই ফৌজদারি অপরাধের শামিল। এদিকে মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাদে মামলার বাকি সব আসামির দেশত্যাগের ওপর ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।