ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারি, চুপ্পুর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি Logo চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে ৩৯৩ পদে বড় নিয়োগ Logo ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ ও ২ লাখ কর্মসংস্থানসহ যা আছে বাংলাদেশ–জাপান যৌথ ঘোষণায় Logo বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল Logo নিজের নামে রেলওয়েতে প্রায় কোটি টাকার বিল, জানেনই না গৃহিণী কোহিনূর Logo ঢাকায় পর্যটন মেলা শুরু বৃহস্পতিবার, অংশগ্রহণে ২০টিরও বেশি দেশ Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন চার ধাপে, ১ নভেম্বর শুরু Logo এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা Logo গ্রিড বিপর্যয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সচিবালয়সহ ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক এলাকা Logo জাল সনদে চাকরি: প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক: অদৃশ্য বিপদাপদ, শয়তানের প্ররোচনা এবং বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবত থেকে নিজের আবাসস্থলকে সুরক্ষিত রাখতে ইসলাম ধর্মে কিছু সুনির্দিষ্ট আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রিয়নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) দৈনন্দিন জীবনে ঘরবাড়ি নিরাপদ রাখার বহু কার্যকরী পদ্ধতি শিখিয়ে গেছেন। এসব আমল নিয়মিত পালন করলে শুধু ঘরবাড়ির পরিবেশই শান্ত থাকে না, বরং আল্লাহর রহমত ও বরকতে চারপাশ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ঘর নিরাপদ রাখার প্রথম ও প্রধান আমল হলো ঘরে নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করা, বিশেষ করে পবিত্র কুরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরা বাকারা পাঠ করা। হাদিসে বর্ণিত রয়েছে যে বাড়িতে সুরা বাকারা তেলাওয়াত করা হয়, সে ঘর থেকে শয়তান পালিয়ে যায় এবং অলৌকিক উপায়ে অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত সুরা বাকারা তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুরো পরিবারের জন্য আধ্যাত্মিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।

দ্বিতীয়ত, ঘরে প্রবেশের সময় নিয়ম মেনে আল্লাহর নাম স্মরণ করা এবং সালাম দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। প্রিয়নবী (সা.) শিখিয়েছেন যে কোনো ব্যক্তি যখন নিজ গৃহে প্রবেশের সময় বিসমিল্লাহ বলে আল্লাহর জিকির করে এবং ঘরে অবস্থানরতদের সালাম দেয়, তখন শয়তান তার সঙ্গীদের বলে যে আজ রাতে এই ঘরে তোমাদের কোনো প্রবেশাধিকার বা রাতের খাবারের সুযোগ নেই। এই সাধারণ অভ্যাসটি ঘরের ভেতর বরকত বজায় রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করে।

তৃতীয় এবং চতুর্থ আমল হিসেবে ঘরে বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করা এবং আল্লাহর জিকির বা ইস্তিগফার করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নবী করিম (সা.) ঘরকে কেবল ঘুমানোর স্থান না বানিয়ে সেখানে নফল ইবাদতের মাধ্যমে বরকতময় করার তাগিদ দিয়েছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত দরুদ শরিফ পাঠ এবং আসমাউল হুসনা বা আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ জপ করার মাধ্যমে ঘরের ভেতর একটি পবিত্র ও সুরক্ষিত পরিবেশ তৈরি করা যায় যা সব ধরনের বিপদ দূর করে।

পঞ্চম ও শেষ আমলটি হলো ঘরের চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং নিয়মিত দোয়া বা মোনাজাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট কিছু সুরক্ষা দোয়া পাঠ করলে অদৃশ্য সব ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবার নিরাপদ থাকে। এই পাঁচটি আমল নিয়মিত পালনের মাধ্যমে একজন মুমিন তার ঘরকে জান্নাতি টুকরায় রূপান্তর করতে পারেন এবং যেকোনো ধরনের আপদ-বিপদ থেকে নিরাপদে থাকতে পারেন।

ট্যাগস :

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারি, চুপ্পুর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি

বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল

আপডেট সময় ০৩:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: অদৃশ্য বিপদাপদ, শয়তানের প্ররোচনা এবং বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবত থেকে নিজের আবাসস্থলকে সুরক্ষিত রাখতে ইসলাম ধর্মে কিছু সুনির্দিষ্ট আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রিয়নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) দৈনন্দিন জীবনে ঘরবাড়ি নিরাপদ রাখার বহু কার্যকরী পদ্ধতি শিখিয়ে গেছেন। এসব আমল নিয়মিত পালন করলে শুধু ঘরবাড়ির পরিবেশই শান্ত থাকে না, বরং আল্লাহর রহমত ও বরকতে চারপাশ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ঘর নিরাপদ রাখার প্রথম ও প্রধান আমল হলো ঘরে নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করা, বিশেষ করে পবিত্র কুরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরা বাকারা পাঠ করা। হাদিসে বর্ণিত রয়েছে যে বাড়িতে সুরা বাকারা তেলাওয়াত করা হয়, সে ঘর থেকে শয়তান পালিয়ে যায় এবং অলৌকিক উপায়ে অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত সুরা বাকারা তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুরো পরিবারের জন্য আধ্যাত্মিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।

দ্বিতীয়ত, ঘরে প্রবেশের সময় নিয়ম মেনে আল্লাহর নাম স্মরণ করা এবং সালাম দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। প্রিয়নবী (সা.) শিখিয়েছেন যে কোনো ব্যক্তি যখন নিজ গৃহে প্রবেশের সময় বিসমিল্লাহ বলে আল্লাহর জিকির করে এবং ঘরে অবস্থানরতদের সালাম দেয়, তখন শয়তান তার সঙ্গীদের বলে যে আজ রাতে এই ঘরে তোমাদের কোনো প্রবেশাধিকার বা রাতের খাবারের সুযোগ নেই। এই সাধারণ অভ্যাসটি ঘরের ভেতর বরকত বজায় রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করে।

তৃতীয় এবং চতুর্থ আমল হিসেবে ঘরে বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করা এবং আল্লাহর জিকির বা ইস্তিগফার করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নবী করিম (সা.) ঘরকে কেবল ঘুমানোর স্থান না বানিয়ে সেখানে নফল ইবাদতের মাধ্যমে বরকতময় করার তাগিদ দিয়েছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত দরুদ শরিফ পাঠ এবং আসমাউল হুসনা বা আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ জপ করার মাধ্যমে ঘরের ভেতর একটি পবিত্র ও সুরক্ষিত পরিবেশ তৈরি করা যায় যা সব ধরনের বিপদ দূর করে।

পঞ্চম ও শেষ আমলটি হলো ঘরের চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং নিয়মিত দোয়া বা মোনাজাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট কিছু সুরক্ষা দোয়া পাঠ করলে অদৃশ্য সব ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবার নিরাপদ থাকে। এই পাঁচটি আমল নিয়মিত পালনের মাধ্যমে একজন মুমিন তার ঘরকে জান্নাতি টুকরায় রূপান্তর করতে পারেন এবং যেকোনো ধরনের আপদ-বিপদ থেকে নিরাপদে থাকতে পারেন।