ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের পর কেন ‘ব্যাখ্যা’ দিতে হলো পুলিশকে? Logo ব্যালন ডি’অরের আগমুহূর্তে কী সিদ্ধান্ত নিলেন এমবাপ্পে Logo অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে অঘটন… Logo মক্কা জোটে ইরানের যোগদান নির্ধারণ করবে নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তার সমীকরণ Logo শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে পদক লড়াই থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ Logo গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ Logo ইরানের কট্টরপন্থীরা প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিরও অভিশংসন চায় তারা Logo চা–বাগানের শিশুদের স্কুলব্যাগ-খাতা-পেনসিল উপহার Logo হাল ফ্যাশনের সঙ্গে অ্যানেক্সের সমঝোতা, লক্ষ্য ব্যবসায়িক সাফল্য Logo পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, দেওবন্দে ৫ হাজার প্রতিনিধির সম্মেলন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৩১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের একটি সুপরিচিত রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীর্ঘদিন ধরে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানটি তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের আড়ালে এই অবৈধ পণ্যের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল বলে জানা গেছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই আকস্মিক অভিযানে রেস্তোরাঁটির বিভিন্ন গোপন কক্ষ থেকে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক ছিল অবৈধ সামগ্রী লুকাতে অভিনব কৌশলের ব্যবহার। রেস্তোরাঁ ভবনের বাইরে টানানো একটি বিশাল বিলবোর্ডের ঠিক পেছনের ফাঁকা অংশকে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে একটি গোপন গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা হতো। বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় ছিল না যে সাধারণ একটি বিলবোর্ডের আড়ালে অবৈধ মদের বিশাল ভাণ্ডার লুকিয়ে রাখা হয়েছে, যা মূলত আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর নজর এড়ানোর একটি সুপরিকল্পিত কৌশল ছিল।

অভিযান চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সরকারি বাহিনীকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করে স্পেশাল রেসপন্স ফোর্স বা এসআরবি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও তৎপরতার কারণে পুরো অভিযানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয় এবং সংশ্লিষ্ট সবাই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

তবে এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় এখন পর্যন্ত কোনো নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত মদ ও বিয়ারের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে এবং এর সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের পর কেন ‘ব্যাখ্যা’ দিতে হলো পুলিশকে?

গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ

আপডেট সময় ০৩:৩১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের একটি সুপরিচিত রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীর্ঘদিন ধরে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানটি তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের আড়ালে এই অবৈধ পণ্যের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল বলে জানা গেছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই আকস্মিক অভিযানে রেস্তোরাঁটির বিভিন্ন গোপন কক্ষ থেকে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক ছিল অবৈধ সামগ্রী লুকাতে অভিনব কৌশলের ব্যবহার। রেস্তোরাঁ ভবনের বাইরে টানানো একটি বিশাল বিলবোর্ডের ঠিক পেছনের ফাঁকা অংশকে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে একটি গোপন গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা হতো। বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় ছিল না যে সাধারণ একটি বিলবোর্ডের আড়ালে অবৈধ মদের বিশাল ভাণ্ডার লুকিয়ে রাখা হয়েছে, যা মূলত আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর নজর এড়ানোর একটি সুপরিকল্পিত কৌশল ছিল।

অভিযান চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সরকারি বাহিনীকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করে স্পেশাল রেসপন্স ফোর্স বা এসআরবি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও তৎপরতার কারণে পুরো অভিযানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয় এবং সংশ্লিষ্ট সবাই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

তবে এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় এখন পর্যন্ত কোনো নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত মদ ও বিয়ারের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে এবং এর সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।