ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

‘এভাবে হাল ছেড়ে দেওয়া যায় না, রাজপথে ফিরতেই হতো’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৩১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: সামাজিক বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে আবারও রাজপথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ জমা হয়েছিল, তা এখন প্রকাশ্য রূপ ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তরুণরা মনে করছেন, ঘরে বসে নিরাসক্ত থাকার সময় এটি নয়, বরং নিজেদের অধিকার আদায়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া ২২ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে জানান, সমাজের একটি বড় অংশের মানুষ ভাঙচুর হওয়া বিভিন্ন দোকানপাট ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। অথচ যারা সারা বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করেও আরও বেশি দরিদ্র হয়ে পড়ছেন, তাদের দুরবস্থা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাচ্ছে না। তার মতে, সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক কষ্ট ও বঞ্চনার বিষয়টি বরাবরই উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য এবং আয়ের সুযোগ কমে যাওয়ায় সমাজে এক ধরণের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ হতাশা থেকে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। তাদের এই ক্ষোভ কেবল ক্ষণস্থায়ী নয়, বরং কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি থেকেই এই সংক্ষুব্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এবং তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা না করলে এই ধরনের অসন্তোষ ভবিষ্যতে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সমাজ গবেষকরা।

ট্যাগস :

বিআরটি প্রকল্প বাতিল: আরেকবার ভোগান্তির শঙ্কা

‘এভাবে হাল ছেড়ে দেওয়া যায় না, রাজপথে ফিরতেই হতো’

আপডেট সময় ০৫:৩১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সামাজিক বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে আবারও রাজপথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ জমা হয়েছিল, তা এখন প্রকাশ্য রূপ ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তরুণরা মনে করছেন, ঘরে বসে নিরাসক্ত থাকার সময় এটি নয়, বরং নিজেদের অধিকার আদায়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া ২২ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে জানান, সমাজের একটি বড় অংশের মানুষ ভাঙচুর হওয়া বিভিন্ন দোকানপাট ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। অথচ যারা সারা বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করেও আরও বেশি দরিদ্র হয়ে পড়ছেন, তাদের দুরবস্থা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাচ্ছে না। তার মতে, সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক কষ্ট ও বঞ্চনার বিষয়টি বরাবরই উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য এবং আয়ের সুযোগ কমে যাওয়ায় সমাজে এক ধরণের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ হতাশা থেকে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। তাদের এই ক্ষোভ কেবল ক্ষণস্থায়ী নয়, বরং কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি থেকেই এই সংক্ষুব্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এবং তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা না করলে এই ধরনের অসন্তোষ ভবিষ্যতে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সমাজ গবেষকরা।