আপডেট সময়
০৬:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
এনইআইআর কার্যকরের পরিকল্পনা: ব্যবহৃত মোবাইল আমদানির সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা
প্রযুক্তি ডেস্ক: অবৈধ মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর ব্যবস্থা পুরোপুরি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন। বিটিআরসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে যার মূল উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্কে অবৈধ ও অননুমোদিত হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধ করা। মূলত জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার স্বার্থেই এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর আগে থেকেই সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও বিভাগ এই প্রযুক্তি পুরোপুরি চালুর বিষয়ে তাগিদ দিয়ে আসছে।তবে এই কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত আসার পর থেকেই দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে আনঅফিশিয়াল বা অনুমোদনহীন মোবাইল বিক্রেতাদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ বা এমবিসিবি জানিয়েছে যে এই খাতের সঙ্গে লক্ষাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এনইআইআর পুরোপুরি চালুর আগেই যেন বৈধভাবে সেকেন্ডহ্যান্ড বা ব্যবহৃত মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। তাঁদের মতে, এই সুযোগ দেওয়া হলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতারাও সাশ্রয়ী মূল্যে পছন্দের হ্যান্ডসেট কিনতে পারবেন।উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকেই দেশে অবৈধ ও অননুমোদিত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিয়ন্ত্রণের নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কারিগরি প্রস্তুতি ঘাটতি এবং ব্যবসায়ীদের বিরোধিতার কারণে সেই কার্যক্রম বারবার পিছিয়ে যায়। গত বছর রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকেও অবৈধ সেটের কারণে বড় অংকের রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকেও এই ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকরের জোরালো তাগিদ দেওয়া হয়।বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তাদের নিবন্ধিত সিস্টেমে বর্তমানে শত কোটি আইএমইআই নম্বরের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে যার একটি বড় অংশই রয়েছে অনুমোদনহীন বা গ্রে লিস্টের তালিকায়। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন যে অবৈধ ফোনের ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি হলেও এ বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করা হবে না। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর সমাধান বের করার ওপরই মূলত এখন সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।
প্রযুক্তি ডেস্ক: অবৈধ মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর ব্যবস্থা পুরোপুরি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন। বিটিআরসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে যার মূল উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্কে অবৈধ ও অননুমোদিত হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধ করা। মূলত জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার স্বার্থেই এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর আগে থেকেই সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও বিভাগ এই প্রযুক্তি পুরোপুরি চালুর বিষয়ে তাগিদ দিয়ে আসছে।
তবে এই কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত আসার পর থেকেই দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে আনঅফিশিয়াল বা অনুমোদনহীন মোবাইল বিক্রেতাদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ বা এমবিসিবি জানিয়েছে যে এই খাতের সঙ্গে লক্ষাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এনইআইআর পুরোপুরি চালুর আগেই যেন বৈধভাবে সেকেন্ডহ্যান্ড বা ব্যবহৃত মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। তাঁদের মতে, এই সুযোগ দেওয়া হলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতারাও সাশ্রয়ী মূল্যে পছন্দের হ্যান্ডসেট কিনতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকেই দেশে অবৈধ ও অননুমোদিত মোবাইল হ্যান্ডসেট নিয়ন্ত্রণের নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কারিগরি প্রস্তুতি ঘাটতি এবং ব্যবসায়ীদের বিরোধিতার কারণে সেই কার্যক্রম বারবার পিছিয়ে যায়। গত বছর রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকেও অবৈধ সেটের কারণে বড় অংকের রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকেও এই ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকরের জোরালো তাগিদ দেওয়া হয়।
বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তাদের নিবন্ধিত সিস্টেমে বর্তমানে শত কোটি আইএমইআই নম্বরের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে যার একটি বড় অংশই রয়েছে অনুমোদনহীন বা গ্রে লিস্টের তালিকায়। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন যে অবৈধ ফোনের ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি হলেও এ বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করা হবে না। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর সমাধান বের করার ওপরই মূলত এখন সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।