আপডেট সময়
০৬:৩১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
আইনগত সহায়তার মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী
আইন-আদালত ডেস্ক: আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বিচার প্রাপ্তি সহজতর করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, এই কার্যক্রমের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে সামগ্রিক বিচারব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত মামলার চাপ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব। সাধারণ মানুষের আইনি দুর্ভোগ লাঘব করে বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা ও প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পারলে রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার মহাখালীর হোটেল অবকাশে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও বেশি নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কর্মকর্তারা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রা ও বাস্তবতার সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হওয়ার অনন্য সুযোগ পান। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আইনি সমস্যা সমাধানের এই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা বিচারকদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবন ও বিচারিক দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এই ধরনের মাঠপর্যায়ের কাজের অভিজ্ঞতা বিচারকদের আইনি উপলব্ধিকে আরও গভীর ও সমৃদ্ধ করে, যা পরবর্তীতে বিচারিক রায়ের মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। জন্ম থেকে মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে মিশে অর্জিত অভিজ্ঞতাই মূলত প্রকৃত শিক্ষা, যা বিচারকার্যের মতো দায়িত্বশীল পেশায় সাফল্যের চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে।বিচারকদের দায়িত্বের পরিধি ও গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিচারকরা রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে যেমন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেন, তেমনি লিগ্যাল এইড কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেন। সরকারি এই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে জনসেবার মানসিকতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন পেশাগত সমস্যা ও যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান, যাতায়াত বা যানবাহন সংকট এবং ছুটি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের সামগ্রিক অগ্রগতি ও অর্জনের একটি সন্তোষজনক চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার জাইকা অ্যাক্সেস টু জাস্টিস প্রজেক্টের প্রধান উপদেষ্টা তাকুরো ফুজিওকা এবং আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এসএম এরশাদুল আলম। দেশের বিচারব্যবস্থার উন্নয়নে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার জাইকার সার্বিক সহযোগিতা ও অবদানের জন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান আইনমন্ত্রী। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সে ৩৩ জন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার অংশ নেন, যা তাদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিশেষে, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ উপহার দিতে দেশের সকল পর্যায়ের আইনজীবীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
আইন-আদালত ডেস্ক: আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বিচার প্রাপ্তি সহজতর করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, এই কার্যক্রমের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে সামগ্রিক বিচারব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত মামলার চাপ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব। সাধারণ মানুষের আইনি দুর্ভোগ লাঘব করে বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা ও প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পারলে রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার মহাখালীর হোটেল অবকাশে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারদের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও বেশি নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কর্মকর্তারা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রা ও বাস্তবতার সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হওয়ার অনন্য সুযোগ পান। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আইনি সমস্যা সমাধানের এই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা বিচারকদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবন ও বিচারিক দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এই ধরনের মাঠপর্যায়ের কাজের অভিজ্ঞতা বিচারকদের আইনি উপলব্ধিকে আরও গভীর ও সমৃদ্ধ করে, যা পরবর্তীতে বিচারিক রায়ের মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। জন্ম থেকে মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে মিশে অর্জিত অভিজ্ঞতাই মূলত প্রকৃত শিক্ষা, যা বিচারকার্যের মতো দায়িত্বশীল পেশায় সাফল্যের চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে।
বিচারকদের দায়িত্বের পরিধি ও গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিচারকরা রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে যেমন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেন, তেমনি লিগ্যাল এইড কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেন। সরকারি এই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে জনসেবার মানসিকতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন পেশাগত সমস্যা ও যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান, যাতায়াত বা যানবাহন সংকট এবং ছুটি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের সামগ্রিক অগ্রগতি ও অর্জনের একটি সন্তোষজনক চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার জাইকা অ্যাক্সেস টু জাস্টিস প্রজেক্টের প্রধান উপদেষ্টা তাকুরো ফুজিওকা এবং আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এসএম এরশাদুল আলম। দেশের বিচারব্যবস্থার উন্নয়নে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার জাইকার সার্বিক সহযোগিতা ও অবদানের জন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান আইনমন্ত্রী। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সে ৩৩ জন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার অংশ নেন, যা তাদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিশেষে, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ উপহার দিতে দেশের সকল পর্যায়ের আইনজীবীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।