আপডেট সময়
১২:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
১০ দিনে ৪ মহাদেশে ৪ নির্বাচন, বড় পরীক্ষার মুখে গণতন্ত্র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ব রাজনীতিতে বর্তমানে এক অত্যন্ত সংকটময় ও কৌতূহলোদ্দীপক সময় পার হচ্ছে, যেখানে আগামী দশ দিনের ব্যবধানে বিশ্বের চার মহাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ চারটি নির্বাচন। সুইডেনভিত্তিক ভি-ডেম ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, বর্তমানে বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ১৯৭৮ সালের স্তরে নেমে এসেছে। এই পটভূমিতে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনগুলোর ফলাফল বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পুনরুত্থান ঘটাতে পারে অথবা শাসনব্যবস্থাকে আরও বেশি কর্তৃত্ববাদী করে তুলতে পারে। প্রতিটি দেশেই গণতন্ত্রপন্থি শক্তিগুলোর সঙ্গে ক্ষমতাসীন বা সম্ভাব্য কর্তৃত্ববাদী নেতৃত্বের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ চলছে, যেখানে লড়াই হচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর পুত্র ফ্লাভিও বলসোনারোর মধ্যে। নির্বাচনে ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও জয়ী হলে সংবিধান সংশোধন, আমাজন বনাঞ্চলের পরিবেশগত সুরক্ষা শিথিল এবং কারাবন্দী বাবাকে মুক্ত করার মতো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাঁর এই পরিকল্পনাগুলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।এদিকে ইউরোপের দেশ সার্বিয়ায় দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার ভুচিচের শাসনব্যবস্থা নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। সম্প্রতি একটি মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির পর গড়ে ওঠা ছাত্রদের একটি রাজনৈতিক দল ‘সার্বিয়া না মাফিয়া?’ স্লোগানকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দলের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, আগামী সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘমেডিকাল ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটাতে মাঠে নেমেছে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। এই দেশগুলোতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মেরুকরণ ও সংঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।এই ধারাবাহিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটবে আগামী নভেম্বরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনের নানা বিতর্কিত নীতি, অভিবাসন সংকট এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনৈতিক ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেলে হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা চালাতে পারে, যা দেশটির রাজনীতিতে নতুন সাংবিধানিক সংকটের জন্ম দিতে পারে। পরিশেষে, এই চারটি নির্বাচন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন হলেও বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এগুলোর সম্মিলিত প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ব রাজনীতিতে বর্তমানে এক অত্যন্ত সংকটময় ও কৌতূহলোদ্দীপক সময় পার হচ্ছে, যেখানে আগামী দশ দিনের ব্যবধানে বিশ্বের চার মহাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ চারটি নির্বাচন। সুইডেনভিত্তিক ভি-ডেম ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, বর্তমানে বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ১৯৭৮ সালের স্তরে নেমে এসেছে। এই পটভূমিতে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনগুলোর ফলাফল বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পুনরুত্থান ঘটাতে পারে অথবা শাসনব্যবস্থাকে আরও বেশি কর্তৃত্ববাদী করে তুলতে পারে। প্রতিটি দেশেই গণতন্ত্রপন্থি শক্তিগুলোর সঙ্গে ক্ষমতাসীন বা সম্ভাব্য কর্তৃত্ববাদী নেতৃত্বের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ চলছে, যেখানে লড়াই হচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর পুত্র ফ্লাভিও বলসোনারোর মধ্যে। নির্বাচনে ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও জয়ী হলে সংবিধান সংশোধন, আমাজন বনাঞ্চলের পরিবেশগত সুরক্ষা শিথিল এবং কারাবন্দী বাবাকে মুক্ত করার মতো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাঁর এই পরিকল্পনাগুলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে ইউরোপের দেশ সার্বিয়ায় দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার ভুচিচের শাসনব্যবস্থা নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। সম্প্রতি একটি মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির পর গড়ে ওঠা ছাত্রদের একটি রাজনৈতিক দল ‘সার্বিয়া না মাফিয়া?’ স্লোগানকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দলের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, আগামী সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘমেডিকাল ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটাতে মাঠে নেমেছে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। এই দেশগুলোতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মেরুকরণ ও সংঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এই ধারাবাহিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটবে আগামী নভেম্বরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনের নানা বিতর্কিত নীতি, অভিবাসন সংকট এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনৈতিক ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেলে হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা চালাতে পারে, যা দেশটির রাজনীতিতে নতুন সাংবিধানিক সংকটের জন্ম দিতে পারে। পরিশেষে, এই চারটি নির্বাচন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন হলেও বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এগুলোর সম্মিলিত প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।