আপডেট সময়
০৪:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
হোয়াটসঅ্যাপ কি তথ্য সংগ্রহ বা বিক্রি করে
প্রযুক্তি ডেস্ক: জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ তাদের সেবা সঠিকভাবে পরিচালনা এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে নির্বিঘ্ন যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এই প্রক্রিয়াটি মূলত অ্যাপটির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সচল রাখতে এবং ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা উন্নত করার স্বার্থেই পরিচালিত হয়ে থাকে। তবে ব্যবহারকারীদের মনে প্রায়শই প্রশ্ন জাগে যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা কতটা সুরক্ষিত রয়েছে এবং কোম্পানি কীভাবে এই ডেটাগুলো ব্যবহার করে।সংগৃহীত তথ্যের তালিকার মধ্যে ব্যবহারকারীর প্রাথমিক পরিচয়সংক্রান্ত বিষয়াদি যেমন মোবাইল ফোন নম্বর এবং অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ব্যবহৃত নাম অন্তর্ভুক্ত থাকে। পাশাপাশি, ব্যবহারকারীরা কীভাবে অ্যাপটি ব্যবহার করছেন তার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত ডেটাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ডিভাইস সম্পর্কিত তথ্য, নেটওয়ার্ক সংযোগের বিবরণ এবং লগ ফাইলের মতো বিষয়গুলো প্রধানত যুক্ত থাকে।কোম্পানিটি দাবি করে আসছে যে, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন প্রযুক্তির কারণে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত বার্তা এবং কলগুলোর গোপনীয়তা সম্পূর্ণ বজায় থাকে। অর্থাৎ, কেউ চ্যাট করলে বা ভয়েস কল করলে তার বিষয়বস্তু হোয়াটসঅ্যাপ নিজে পড়তে বা শুনতে পারে না। ফলে যোগাযোগের মূল গোপনীয়তা রক্ষা পেলেও অ্যাকাউন্ট পরিচালনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মেটা মালিকানাধীন এই অ্যাপটি মেটাডাটা বা কিছু প্রাথমিক মেমোরি ডেটা নিজেদের সার্ভারে সংরক্ষণ করে থাকে।তথ্য সংগ্রহ এবং এর অপব্যবহার নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা সময় কঠোর প্রশ্ন উত্থাপিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলে আসছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সবসময়ই পরামর্শ দেন যেন ব্যবহারকারীরা প্ল্যাটফর্মটির গোপনীয়তা নীতি বা প্রাইভেসি পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন। এর মাধ্যমে সেবা গ্রহণকারীরা নিজেদের ডেটা সুরক্ষার বিষয়ে আরও বেশি সচেতন হতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সেটিংস পরিবর্তন করে নিজেদের গোপনীয়তা বাড়িয়ে নিতে পারেন।
প্রযুক্তি ডেস্ক: জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ তাদের সেবা সঠিকভাবে পরিচালনা এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে নির্বিঘ্ন যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এই প্রক্রিয়াটি মূলত অ্যাপটির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সচল রাখতে এবং ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা উন্নত করার স্বার্থেই পরিচালিত হয়ে থাকে। তবে ব্যবহারকারীদের মনে প্রায়শই প্রশ্ন জাগে যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা কতটা সুরক্ষিত রয়েছে এবং কোম্পানি কীভাবে এই ডেটাগুলো ব্যবহার করে।
সংগৃহীত তথ্যের তালিকার মধ্যে ব্যবহারকারীর প্রাথমিক পরিচয়সংক্রান্ত বিষয়াদি যেমন মোবাইল ফোন নম্বর এবং অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ব্যবহৃত নাম অন্তর্ভুক্ত থাকে। পাশাপাশি, ব্যবহারকারীরা কীভাবে অ্যাপটি ব্যবহার করছেন তার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত ডেটাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ডিভাইস সম্পর্কিত তথ্য, নেটওয়ার্ক সংযোগের বিবরণ এবং লগ ফাইলের মতো বিষয়গুলো প্রধানত যুক্ত থাকে।
কোম্পানিটি দাবি করে আসছে যে, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন প্রযুক্তির কারণে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত বার্তা এবং কলগুলোর গোপনীয়তা সম্পূর্ণ বজায় থাকে। অর্থাৎ, কেউ চ্যাট করলে বা ভয়েস কল করলে তার বিষয়বস্তু হোয়াটসঅ্যাপ নিজে পড়তে বা শুনতে পারে না। ফলে যোগাযোগের মূল গোপনীয়তা রক্ষা পেলেও অ্যাকাউন্ট পরিচালনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মেটা মালিকানাধীন এই অ্যাপটি মেটাডাটা বা কিছু প্রাথমিক মেমোরি ডেটা নিজেদের সার্ভারে সংরক্ষণ করে থাকে।
তথ্য সংগ্রহ এবং এর অপব্যবহার নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা সময় কঠোর প্রশ্ন উত্থাপিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলে আসছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সবসময়ই পরামর্শ দেন যেন ব্যবহারকারীরা প্ল্যাটফর্মটির গোপনীয়তা নীতি বা প্রাইভেসি পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন। এর মাধ্যমে সেবা গ্রহণকারীরা নিজেদের ডেটা সুরক্ষার বিষয়ে আরও বেশি সচেতন হতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সেটিংস পরিবর্তন করে নিজেদের গোপনীয়তা বাড়িয়ে নিতে পারেন।