আপডেট সময়
০৪:০১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
কটিয়াদীর ঢাকের হাট: ৪০০ বছরের ঐতিহ্য
জাতীয় ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অবস্থিত শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ঢাকের হাট বাঙালি সংস্কৃতি ও শারদীয় দুর্গোৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে যুগ যুগ ধরে নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখে চলেছে। প্রায় চার শতাব্দী ধরে চলে আসা এই হাটটি কেবল ঢোল বা ঢাক বেচাকেনার জায়গা নয়, বরং এটি আবহমান বাংলার বাদ্যসংস্কৃতির এক বিশাল মিলনমেলা। প্রতি বছর দুর্গাপূজার প্রাক্কালে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকি ও বাদকরা এখানে সমবেত হন তাদের শিল্পের সুর তুলতে।তবে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এই ঐতিহাসিক হাটের জৌলুস ও কারিগরদের জীবনযাত্রায় নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ঢাকের এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে কেবল স্মৃতির পাতায় সীমাবদ্ধ না রেখে টিকিয়ে রাখতে হলে এর নেপথ্য নায়কদের বাস্তব জীবনের কঠিন লড়াইয়ের কথাগুলোও সামনে নিয়ে আসা জরুরি। আধুনিকতার ছোঁয়া এবং ডিজিটাল বিনোদনের প্রভাবে অনেক সময় এই লোকশিল্পীরা তাদের ন্যায্য মর্যাদা ও কাজের স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।এই শিল্প ও শিল্পীদের টিকিয়ে রাখতে হলে ইতিহাস সংরрণের পাশাপাশি হাটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। একই সাথে ঢাকশিল্পীদের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা এবং তাদের পেশাগত নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পাওয়া উচিত। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে এই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব।সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে কটিয়াদীর এই ঐতিহাসিক ঢাকের হাট ভবিষ্যতে তার পুরনো ঐতিহ্য নিয়ে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকবে। এটি কেবল দুর্গাপূজার বাদ্যসংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবেই টিকে থাকবে না, বরং আমাদের লোকসংস্কৃতির এক অমূল্য দলিল হিসেবে আগামীতেও প্রজন্মের পর প্রজন্ম আলো ছড়াবে।
জাতীয় ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অবস্থিত শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ঢাকের হাট বাঙালি সংস্কৃতি ও শারদীয় দুর্গোৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে যুগ যুগ ধরে নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখে চলেছে। প্রায় চার শতাব্দী ধরে চলে আসা এই হাটটি কেবল ঢোল বা ঢাক বেচাকেনার জায়গা নয়, বরং এটি আবহমান বাংলার বাদ্যসংস্কৃতির এক বিশাল মিলনমেলা। প্রতি বছর দুর্গাপূজার প্রাক্কালে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকি ও বাদকরা এখানে সমবেত হন তাদের শিল্পের সুর তুলতে।
তবে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এই ঐতিহাসিক হাটের জৌলুস ও কারিগরদের জীবনযাত্রায় নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ঢাকের এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে কেবল স্মৃতির পাতায় সীমাবদ্ধ না রেখে টিকিয়ে রাখতে হলে এর নেপথ্য নায়কদের বাস্তব জীবনের কঠিন লড়াইয়ের কথাগুলোও সামনে নিয়ে আসা জরুরি। আধুনিকতার ছোঁয়া এবং ডিজিটাল বিনোদনের প্রভাবে অনেক সময় এই লোকশিল্পীরা তাদের ন্যায্য মর্যাদা ও কাজের স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এই শিল্প ও শিল্পীদের টিকিয়ে রাখতে হলে ইতিহাস সংরрণের পাশাপাশি হাটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। একই সাথে ঢাকশিল্পীদের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা এবং তাদের পেশাগত নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পাওয়া উচিত। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে এই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব।
সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে কটিয়াদীর এই ঐতিহাসিক ঢাকের হাট ভবিষ্যতে তার পুরনো ঐতিহ্য নিয়ে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকবে। এটি কেবল দুর্গাপূজার বাদ্যসংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবেই টিকে থাকবে না, বরং আমাদের লোকসংস্কৃতির এক অমূল্য দলিল হিসেবে আগামীতেও প্রজন্মের পর প্রজন্ম আলো ছড়াবে।