আপডেট সময়
০৯:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল প্রকল্প চালু হচ্ছে ডিসেম্বরে
জাতীয় ডেস্ক: দেশের যোগাযোগব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল গোলচত্বরে নির্মাণ করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক ক্লোভারলিফ ইন্টারচেঞ্জ। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন করতেই এই মহাতি প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে এই প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ করতে বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা দিন-রাত দুই শিфটে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ এবং আনুষঙ্গিক কিছু জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদ কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যেই প্রকল্পের প্রায় বাহাত্তর শতাংশ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ইতিমধ্যে ছয়টি সার্ভিস লেন খুলে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ পুরোপুরি শেষ করে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করার জন্য বর্তমানে মাঠপর্যায়ে নির্মাণযজ্ঞ দারুণ গতিতে এগিয়ে চলছে। বালি ভরাট, বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ, সংযোগ সেতু ও সার্ভিস এরিয়া তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন মূল ইন্টারচেঞ্জের পাইল, র্যাম্পের পাইল ক্যাপ এবং গার্ডার নির্মাণের মাধ্যমে পুরো অবকাঠামোটি বেশ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।সড়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতদিন সংযোগ সড়কের বিভিন্ন সংকটের কারণে যমুনা সেতুর সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাচ্ছিল না, তবে এই ইন্টারচেঞ্জ চালুর পর সেতুর শতভাগ সুবিধা নিশ্চিত হবে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীমহলের মতে, আধুনিক এই অবকাঠামো নির্মিত হলে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং এই এলাকায় নতুন শিল্প কারখানা গড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রায় সাতশ তেতাল্লিশ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের কাজ করছে চীনের স্বনামধন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ব্রিজ করপোরেশন। এছাড়া বাংলাদেশের সড়ক অবকাঠামোর ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রকল্পে সম্পূর্ণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ইন্টেলিজেন্ট ট্রাফিক সিস্টেম বা আইটিএস যুক্ত করা হচ্ছে।সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু জানিয়েছেন, এই ইন্টারচেঞ্জ পুরোপুরি চালু হলে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খুব দ্রুত ও নিরাপদে পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হবে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ ও সময় দুটোই অনেক কমিয়ে দেবে। এর ফলে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পাবেন এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করছেন। সাসেক দুই প্রকল্পের পরিচালক মো. ওয়ালিউর রহমান জানিয়েছেন যে, সড়ক যোগাযোগ নিরাপদ ও সহজ করার এই মহাযজ্ঞ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাই অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান মনে করেন, স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর ফলে লেনের নিয়ম লঙ্ঘন রোধ করা সম্ভব হবে এবং সামগ্রিক সড়ক নিরাপত্তা বহুলাংশে নিশ্চিত হবে।
জাতীয় ডেস্ক: দেশের যোগাযোগব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল গোলচত্বরে নির্মাণ করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক ক্লোভারলিফ ইন্টারচেঞ্জ। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন করতেই এই মহাতি প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে এই প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ করতে বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা দিন-রাত দুই শিфটে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ভূমি অধিগ্রহণ এবং আনুষঙ্গিক কিছু জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদ কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যেই প্রকল্পের প্রায় বাহাত্তর শতাংশ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ইতিমধ্যে ছয়টি সার্ভিস লেন খুলে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ পুরোপুরি শেষ করে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করার জন্য বর্তমানে মাঠপর্যায়ে নির্মাণযজ্ঞ দারুণ গতিতে এগিয়ে চলছে। বালি ভরাট, বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ, সংযোগ সেতু ও সার্ভিস এরিয়া তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন মূল ইন্টারচেঞ্জের পাইল, র্যাম্পের পাইল ক্যাপ এবং গার্ডার নির্মাণের মাধ্যমে পুরো অবকাঠামোটি বেশ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
সড়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতদিন সংযোগ সড়কের বিভিন্ন সংকটের কারণে যমুনা সেতুর সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাচ্ছিল না, তবে এই ইন্টারচেঞ্জ চালুর পর সেতুর শতভাগ সুবিধা নিশ্চিত হবে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীমহলের মতে, আধুনিক এই অবকাঠামো নির্মিত হলে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং এই এলাকায় নতুন শিল্প কারখানা গড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রায় সাতশ তেতাল্লিশ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের কাজ করছে চীনের স্বনামধন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ব্রিজ করপোরেশন। এছাড়া বাংলাদেশের সড়ক অবকাঠামোর ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রকল্পে সম্পূর্ণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ইন্টেলিজেন্ট ট্রাফিক সিস্টেম বা আইটিএস যুক্ত করা হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু জানিয়েছেন, এই ইন্টারচেঞ্জ পুরোপুরি চালু হলে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খুব দ্রুত ও নিরাপদে পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হবে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ ও সময় দুটোই অনেক কমিয়ে দেবে। এর ফলে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পাবেন এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করছেন। সাসেক দুই প্রকল্পের পরিচালক মো. ওয়ালিউর রহমান জানিয়েছেন যে, সড়ক যোগাযোগ নিরাপদ ও সহজ করার এই মহাযজ্ঞ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাই অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান মনে করেন, স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর ফলে লেনের নিয়ম লঙ্ঘন রোধ করা সম্ভব হবে এবং সামগ্রিক সড়ক নিরাপত্তা বহুলাংশে নিশ্চিত হবে।