ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

লোকবল নিয়োগ ও ব্যয় কমানোর বিকল্প নেই

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় খাতের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও টেকসই করতে এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ লাঘবে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নতুন জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রচলিত ধারা পরিবর্তন করার সময় এসেছে বলে মনে করছেন তারা। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর জন্য পরিচালন ব্যয় সংকোচন করা এখন সময়ের দাবি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারি প্রকল্পের কার্যকারিতা যাচাই না করে ঢালাওভাবে কর্মী নিয়োগ করলে সরকারের নিয়মিত বাজেট ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। তাই কৃচ্ছ্রসাধন নীতির অংশ হিসেবে অপ্রয়োজনীয় পদগুলোতে নতুন নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত কিংবা সীমিত রাখার বিকল্প নেই। একই সঙ্গে বিদ্যমান জনবলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এরই অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার প্রসঙ্গটিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে নিয়োগের ক্ষেত্রে অতীতে রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই বা দলীয় আনুগত্যের বিষয়টি প্রাধান্য পাওয়ার যে সংস্কৃতি চালু ছিল, তার কঠোর সমালোচনা করেছেন অনেকে। এ ধরনের প্রথা কেবল যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিতই করে না, বরং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সেবার মানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

জনপ্রশাসনকে জনবান্ধব ও দক্ষ করে তুলতে হলে দলীয় বিবেচনা বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে লোকবল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সরকারি অর্থের সঠিক সদ্ব্যবহার এবং প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে দরকার সচেতনতা

লোকবল নিয়োগ ও ব্যয় কমানোর বিকল্প নেই

আপডেট সময় ১০:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় খাতের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও টেকসই করতে এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ লাঘবে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নতুন জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রচলিত ধারা পরিবর্তন করার সময় এসেছে বলে মনে করছেন তারা। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর জন্য পরিচালন ব্যয় সংকোচন করা এখন সময়ের দাবি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারি প্রকল্পের কার্যকারিতা যাচাই না করে ঢালাওভাবে কর্মী নিয়োগ করলে সরকারের নিয়মিত বাজেট ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। তাই কৃচ্ছ্রসাধন নীতির অংশ হিসেবে অপ্রয়োজনীয় পদগুলোতে নতুন নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত কিংবা সীমিত রাখার বিকল্প নেই। একই সঙ্গে বিদ্যমান জনবলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এরই অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার প্রসঙ্গটিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে নিয়োগের ক্ষেত্রে অতীতে রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই বা দলীয় আনুগত্যের বিষয়টি প্রাধান্য পাওয়ার যে সংস্কৃতি চালু ছিল, তার কঠোর সমালোচনা করেছেন অনেকে। এ ধরনের প্রথা কেবল যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিতই করে না, বরং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সেবার মানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

জনপ্রশাসনকে জনবান্ধব ও দক্ষ করে তুলতে হলে দলীয় বিবেচনা বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে লোকবল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সরকারি অর্থের সঠিক সদ্ব্যবহার এবং প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।