অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় একটি মাদ্রাসা থেকে এক শিশুকে অপহরণ করার চেষ্টার সময় হাতেনাতে আটক হয়েছেন এক যুবক। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের জায়েদ বিন আরকম হিফজখানা ও এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় বেশ আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত যুবকের নাম আবদুল রাজ্জাক শেখ। তাঁর বাড়ি ফরিদপুর জেলার সদরপুর চরবন্দর এলাকায় এবং তাঁর পিতার নাম কালামিয়া শেখ। তিনি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির নুরানি বিভাগের সাত বছর বয়সী ছাত্র মো. মিসকাতকে কোলে তুলে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের মানুষ দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু জাফর চৌধুরী মিজান জানান, দুপুরে মাদ্রাসার টিফিনের বিরতির সময় ওই ব্যক্তি শিশুটিকে নিয়ে দৌড় দেন। পরে তাঁকে আটকের পর তাঁর কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোন পরীক্ষা করা হয়। ওই নম্বরে ফোন করলে অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয় যে রাজ্জাক শেখ ইতিপূর্বেও এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।শিশুটির পরিবার এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। শিশুটির চাচা সাহাব উদ্দিন জানান, তাঁর ভাতিজাকে উদ্ধারের পর তারা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে খবর পেয়ে আনোয়ারা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলম জানান, পুলিশ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবকের আচরণ দেখে তাঁর মানসিক কোনো সমস্যা রয়েছে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করার পর এই বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় একটি মাদ্রাসা থেকে এক শিশুকে অপহরণ করার চেষ্টার সময় হাতেনাতে আটক হয়েছেন এক যুবক। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের জায়েদ বিন আরকম হিফজখানা ও এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় বেশ আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত যুবকের নাম আবদুল রাজ্জাক শেখ। তাঁর বাড়ি ফরিদপুর জেলার সদরপুর চরবন্দর এলাকায় এবং তাঁর পিতার নাম কালামিয়া শেখ। তিনি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির নুরানি বিভাগের সাত বছর বয়সী ছাত্র মো. মিসকাতকে কোলে তুলে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের মানুষ দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু জাফর চৌধুরী মিজান জানান, দুপুরে মাদ্রাসার টিফিনের বিরতির সময় ওই ব্যক্তি শিশুটিকে নিয়ে দৌড় দেন। পরে তাঁকে আটকের পর তাঁর কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোন পরীক্ষা করা হয়। ওই নম্বরে ফোন করলে অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয় যে রাজ্জাক শেখ ইতিপূর্বেও এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
শিশুটির পরিবার এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। শিশুটির চাচা সাহাব উদ্দিন জানান, তাঁর ভাতিজাকে উদ্ধারের পর তারা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে খবর পেয়ে আনোয়ারা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলম জানান, পুলিশ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবকের আচরণ দেখে তাঁর মানসিক কোনো সমস্যা রয়েছে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করার পর এই বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।