ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo সিলেট নগরীতে ভেজাল পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা Logo বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়ার পথে হেঁটে চলা Logo শ্রীপুরে অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর উদ্ধার ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তা, গ্রেপ্তার ৩ Logo প্রতিবছর ইসরাইলকে দেওয়া ৪০০ কোটি ডলার সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প Logo ভুয়া চাকরির ইন্টারভিউয়ের ফাঁদ পেতে বাইন্যান্স থেকে চুরি হয় ৬.৩ বিলিয়ন ডলার Logo শেখ মুজিবের হাতেই স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক চর্চা ধ্বংসের সূচনা: জাহেদ উর রহমান Logo কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া প্রসিকিউটর দেশ ছেড়েছেন, চিফ প্রসিকিউটর বললেন নিষেধাজ্ঞা ছিল না Logo বড়দিন উদ্‌যাপনে দুই কোটি টাকা চেয়েছিল খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্ট, প্রধানমন্ত্রী দিলেন তিন কোটি Logo ‘আন্ধার’-এর মুক্তির আগেই নতুন সিনেমায় চঞ্চল, তুষি ও সিয়াম Logo মঞ্চে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

প্রতিবছর ইসরাইলকে দেওয়া ৪০০ কোটি ডলার সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে প্রতিবছর প্রদান করা চার শ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা চলতি বছরের শেষ নাগাদ বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান এবং দাবি করেন যে এই বিষয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ইতিমধ্যে সমঝোতা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের প্রধান সামরিক ও আর্থিক সহযোগী হিসেবে ওয়াশিংটন এই অনুদান দিয়ে আসছে, যা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের একটি বড় ভিত্তি ছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে এই অর্থায়ন বন্ধের বিষয়টি নিয়ে উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং কয়েক মাস আগেই এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরাইল আর এই মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভর করতে চায় না এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অনুদান অব্যাহত রাখার কোনো যৌক্তিকতাও দেখছেন না তিনি। তাই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই আর্থিক সহায়তার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ইসরাইলকে দেওয়া মার্কিন সহায়তা বন্ধের এই প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করেছিলেন স্বয়ং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী মনে করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সরাসরি আর্থিক সাহায্য গ্রহণ না করাই তাদের দেশের জন্য অধিকতর সমীচীন হবে। দুই নেতার এই পারস্পরিক বোঝাপড়ার ফলে ঐতিহ্যবাহী মার্কিন অনুদানের ধারা পরিবর্তনের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল।

বার্ষিক আর্থিক অনুদান বন্ধ হয়ে গেলেও ইসরাইলের নিরাপত্তার প্রশ্নে ওয়াশিংটনের সমর্থন অটুট থাকবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে অভিহিত করে জানান যে ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে দেশটি অর্থ না পেলেও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কিনতে পারবে। ট্রাম্পের এই নীতিগত ঘোষণা বাস্তবায়ন হলে দুই দেশের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সহায়তা কাঠামোয় একটি সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন সূচিত হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট নগরীতে ভেজাল পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

প্রতিবছর ইসরাইলকে দেওয়া ৪০০ কোটি ডলার সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে প্রতিবছর প্রদান করা চার শ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা চলতি বছরের শেষ নাগাদ বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান এবং দাবি করেন যে এই বিষয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ইতিমধ্যে সমঝোতা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের প্রধান সামরিক ও আর্থিক সহযোগী হিসেবে ওয়াশিংটন এই অনুদান দিয়ে আসছে, যা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের একটি বড় ভিত্তি ছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে এই অর্থায়ন বন্ধের বিষয়টি নিয়ে উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং কয়েক মাস আগেই এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরাইল আর এই মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভর করতে চায় না এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অনুদান অব্যাহত রাখার কোনো যৌক্তিকতাও দেখছেন না তিনি। তাই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই আর্থিক সহায়তার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ইসরাইলকে দেওয়া মার্কিন সহায়তা বন্ধের এই প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করেছিলেন স্বয়ং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী মনে করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সরাসরি আর্থিক সাহায্য গ্রহণ না করাই তাদের দেশের জন্য অধিকতর সমীচীন হবে। দুই নেতার এই পারস্পরিক বোঝাপড়ার ফলে ঐতিহ্যবাহী মার্কিন অনুদানের ধারা পরিবর্তনের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল।

বার্ষিক আর্থিক অনুদান বন্ধ হয়ে গেলেও ইসরাইলের নিরাপত্তার প্রশ্নে ওয়াশিংটনের সমর্থন অটুট থাকবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে অভিহিত করে জানান যে ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে দেশটি অর্থ না পেলেও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কিনতে পারবে। ট্রাম্পের এই নীতিগত ঘোষণা বাস্তবায়ন হলে দুই দেশের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সহায়তা কাঠামোয় একটি সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন সূচিত হবে।