ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া প্রসিকিউটর দেশ ছেড়েছেন, চিফ প্রসিকিউটর বললেন নিষেধাজ্ঞা ছিল না Logo বড়দিন উদ্‌যাপনে দুই কোটি টাকা চেয়েছিল খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্ট, প্রধানমন্ত্রী দিলেন তিন কোটি Logo ‘আন্ধার’-এর মুক্তির আগেই নতুন সিনেমায় চঞ্চল, তুষি ও সিয়াম Logo মঞ্চে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ Logo মোটরসাইকেলের ট্যাংকে ছিদ্র হচ্ছে, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা Logo এএসআই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল, উত্তীর্ণ ২০০০ Logo আমদানির ডলারের দর বেড়ে ১২৫ টাকা Logo সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী Logo বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং, হুন্দাই ও হানওয়া Logo স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর উপায়: বিশেষজ্ঞের দেওয়া ১০টি সহজ পরামর্শ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

মঞ্চে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা নাট্যমঞ্চে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরও একটি নতুন ও নান্দনিক প্রযোজনা। নাট্যদল নবরস-এর পঞ্চম প্রযোজনা হিসেবে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত আখ্যানকাব্য অবলম্বনে মঞ্চে আসছে নাটক সোজন বাদিয়ার ঘাট। আগামী ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে নাটকটির সফল কারিগরি মঞ্চায়ন সম্পন্ন হয়েছে। পল্লীকবির এই ক্লাসিক রচনার নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা।

১৯৩৩ সালে প্রকাশিত পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের অমর আখ্যানকাব্য সোজন বাদিয়ার ঘাট তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। তৎকালীন গ্রামীণ সমাজে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং দুই ভিন্নধর্মী তরুণ-তরুণীর ট্রাজিক প্রেমকাহিনিই এই নাটকের মূল উপজীব্য। গড়াই বা মধুমতী নদীর তীরে অবস্থিত শিমুলতলী গ্রামে হিন্দু ও মুসলিম দুই সম্প্রদায় মিলেমিশে বসবাস করত। এই গ্রামেরই দুই কিশোর-কিশোরী সোজন ও দুলী ছোটবেলা থেকে খেলার সাথী হিসেবে বড় হয় এবং ধীরে ধীরে সেই শৈশবের বন্ধুত্ব গভীর প্রেমে রূপ নেয়।

তবে স্থানীয় নায়েবের চক্রান্ত আর ধর্মীয় কুসংস্কারের জেরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দূরত্ব ও দ্বন্দ্ব তৈরি হতে থাকে। সমাজ ও পরিবারের কঠিন বাঁধার মুখে পড়ে সোজন ও দুলীর পবিত্র সম্পর্ক। সমাজ ও ধর্মের এই দুর্লঙ্ঘ্য দেওয়াল তারা কি শেষ পর্যন্ত টপকাতে পারবে নাকি নদীর বাঁকে রচিত হবে অন্য কোনো পরিণতি, তা নিয়ে নাটক এগিয়ে যায়। এছাড়া গড়াই বা মধুমতীর তীরটি কেন পরবর্তীতে মানুষের কাছে সোজন বাদিয়ার ঘাট নামে পরিচিতি লাভ করল, এমন সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে নাটকের মঞ্চে।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় ও এর নেপথ্যে যুক্ত রয়েছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ নাট্যকর্মী। এর প্রধান কলাকুশলীদের মধ্যে রয়েছেন আফিয়া জামান সৃজা, কাশিফ আলফি আহমেদ, সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা, ইউসুফ রাসেল, নাজমুল হাসান শুভ, নাজমুল হক বাবু, শাখাওয়াত হোসেন শিমুল, হামীম সুলতান, মোহাম্মদ ইমরান খান, গোলাম মোর্শেদ, রাজীব চন্দ্র দাস, এম শাহজাদা, ওমর ফারুক, বন্যা, সুকন্যা সাকিরা এবং দেবাদ্রিতা সরকার বাঁধন। দলটির প্রত্যাশা, এই পরিবেশনা দর্শকদের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটবে এবং বাংলা নাট্যমঞ্চে একটি বিশেষ স্থান দখল করবে।

ট্যাগস :

কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া প্রসিকিউটর দেশ ছেড়েছেন, চিফ প্রসিকিউটর বললেন নিষেধাজ্ঞা ছিল না

মঞ্চে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা নাট্যমঞ্চে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরও একটি নতুন ও নান্দনিক প্রযোজনা। নাট্যদল নবরস-এর পঞ্চম প্রযোজনা হিসেবে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত আখ্যানকাব্য অবলম্বনে মঞ্চে আসছে নাটক সোজন বাদিয়ার ঘাট। আগামী ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে নাটকটির সফল কারিগরি মঞ্চায়ন সম্পন্ন হয়েছে। পল্লীকবির এই ক্লাসিক রচনার নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা।

১৯৩৩ সালে প্রকাশিত পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের অমর আখ্যানকাব্য সোজন বাদিয়ার ঘাট তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। তৎকালীন গ্রামীণ সমাজে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং দুই ভিন্নধর্মী তরুণ-তরুণীর ট্রাজিক প্রেমকাহিনিই এই নাটকের মূল উপজীব্য। গড়াই বা মধুমতী নদীর তীরে অবস্থিত শিমুলতলী গ্রামে হিন্দু ও মুসলিম দুই সম্প্রদায় মিলেমিশে বসবাস করত। এই গ্রামেরই দুই কিশোর-কিশোরী সোজন ও দুলী ছোটবেলা থেকে খেলার সাথী হিসেবে বড় হয় এবং ধীরে ধীরে সেই শৈশবের বন্ধুত্ব গভীর প্রেমে রূপ নেয়।

তবে স্থানীয় নায়েবের চক্রান্ত আর ধর্মীয় কুসংস্কারের জেরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দূরত্ব ও দ্বন্দ্ব তৈরি হতে থাকে। সমাজ ও পরিবারের কঠিন বাঁধার মুখে পড়ে সোজন ও দুলীর পবিত্র সম্পর্ক। সমাজ ও ধর্মের এই দুর্লঙ্ঘ্য দেওয়াল তারা কি শেষ পর্যন্ত টপকাতে পারবে নাকি নদীর বাঁকে রচিত হবে অন্য কোনো পরিণতি, তা নিয়ে নাটক এগিয়ে যায়। এছাড়া গড়াই বা মধুমতীর তীরটি কেন পরবর্তীতে মানুষের কাছে সোজন বাদিয়ার ঘাট নামে পরিচিতি লাভ করল, এমন সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে নাটকের মঞ্চে।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় ও এর নেপথ্যে যুক্ত রয়েছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ নাট্যকর্মী। এর প্রধান কলাকুশলীদের মধ্যে রয়েছেন আফিয়া জামান সৃজা, কাশিফ আলফি আহমেদ, সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা, ইউসুফ রাসেল, নাজমুল হাসান শুভ, নাজমুল হক বাবু, শাখাওয়াত হোসেন শিমুল, হামীম সুলতান, মোহাম্মদ ইমরান খান, গোলাম মোর্শেদ, রাজীব চন্দ্র দাস, এম শাহজাদা, ওমর ফারুক, বন্যা, সুকন্যা সাকিরা এবং দেবাদ্রিতা সরকার বাঁধন। দলটির প্রত্যাশা, এই পরিবেশনা দর্শকদের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটবে এবং বাংলা নাট্যমঞ্চে একটি বিশেষ স্থান দখল করবে।