ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo সৌদির বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ: ১৩৫ ফ্লাইটের ২০ হাজারের ৬৭২ যাত্রী ভোগান্তিতে Logo আইনের শাসনে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ Logo উচ্চতর গ্রেডের বৈষম্য দূর করতে সরকারকে দুই মাসের সময় দিলেন মাধ্যমিক শিক্ষকরা Logo পবিত্র কোরআনে বর্ণিত ৬ বরকতময় ফল Logo শাবানা কেন অভিনয় ছেড়েছিলেন Logo হাঁটুব্যথায় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন কী, কতটা উপকারী Logo শ্যামনগরে সুন্দরবন উপকূলে ২১০টি ম্যানগ্রোভের চারা রোপণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি Logo ‘বাধা উপেক্ষা করে’ আমির হামজার তাফসির মাহফিল সম্পন্ন Logo আসামে দুই দিনে বাংলাভাষী মুসলিমদের ১১ শতাধিক বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিল সরকার Logo ভৈরবে ফিরছে বিতর্কচর্চার সুদিন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত ৬ বরকতময় ফল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক: পবিত্র আল কোরআনে এমন কিছু বিশেষ ফলমূলের বর্ণনা রয়েছে, যেগুলোকে অত্যন্ত বরকতময় ও পবিত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলাম ধর্মের এই পবিত্র গ্রন্থে দুনিয়ার মানুষের জন্য যেমন এসব ফলের উপকারিতার কথা বলা হয়েছে, তেমনি পরকালে বেহেশতের সৌভাগ্যবান অধিবাসীদের জন্যও এগুলোর উপঢৌকন হিসেবে পরিবেশন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মুমিন মুসলমানদের কাছে তাই এসব ফল শুধু পুষ্টিকর খাদ্যই নয়, বরং ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ।

কোরআনে বিশেষভাবে আলোচিত ফলের তালিকার শীর্ষে রয়েছে জলপাই বা জাইতুন, যার গুণাগুণ ও বরকতের কথা একাধিক আয়াতে স্মরণ করা হয়েছে। এই ফল ও এর তেল মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং এর গাছের সঙ্গে পবিত্রুতার যোগসূত্র রয়েছে। পাশাপাশি সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খেজুর বা রুমান এবং আঙুরের কথাও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, যা মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর অন্যতম সেরা নেয়ামত হিসেবে বিবেচিত হয়।

তালিকায় আরও রয়েছে অত্যন্ত উপকারী ফল ডালিম বা আনার, যা জান্নাতে প্রাপ্ত বিশেষ ফলগুলোর অন্যতম একটি হিসেবে পরিচিত। পবিত্র এই গ্রন্থে উল্লিখিত ফলগুলোর মধ্যে ত্বীন বা ডুমুরের নামও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যার ওপর পবিত্র কোরআনে সরাসরি শপথ করা হয়েছে এবং এর বিশেষ ঔষধি গুণ ও মর্যাদার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিটি ফলই মানবদেহের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সুস্থ জীবনযাপনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

ইসলাম ধর্মে বর্ণিত এই ফলগুলো নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুশাসন পালনেও মানসিক শান্তি লাভ করা সম্ভব। মুফতি ও ধর্মবেত্তারা সবসময়ই এসব কোরআন-বর্ণিত ফল গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, কারণ এগুলো কেবল দুনিয়াবি সুফলই দেয় না বরং পরকালের নেয়ামতের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই সাধারণ মানুষের মাঝে এই বরকতময় ফলগুলোর পুষ্টিগুণ ও ধর্মীয় তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

ট্যাগস :

সৌদির বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ: ১৩৫ ফ্লাইটের ২০ হাজারের ৬৭২ যাত্রী ভোগান্তিতে

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত ৬ বরকতময় ফল

আপডেট সময় ০৫:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: পবিত্র আল কোরআনে এমন কিছু বিশেষ ফলমূলের বর্ণনা রয়েছে, যেগুলোকে অত্যন্ত বরকতময় ও পবিত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলাম ধর্মের এই পবিত্র গ্রন্থে দুনিয়ার মানুষের জন্য যেমন এসব ফলের উপকারিতার কথা বলা হয়েছে, তেমনি পরকালে বেহেশতের সৌভাগ্যবান অধিবাসীদের জন্যও এগুলোর উপঢৌকন হিসেবে পরিবেশন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মুমিন মুসলমানদের কাছে তাই এসব ফল শুধু পুষ্টিকর খাদ্যই নয়, বরং ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ।

কোরআনে বিশেষভাবে আলোচিত ফলের তালিকার শীর্ষে রয়েছে জলপাই বা জাইতুন, যার গুণাগুণ ও বরকতের কথা একাধিক আয়াতে স্মরণ করা হয়েছে। এই ফল ও এর তেল মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং এর গাছের সঙ্গে পবিত্রুতার যোগসূত্র রয়েছে। পাশাপাশি সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খেজুর বা রুমান এবং আঙুরের কথাও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, যা মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর অন্যতম সেরা নেয়ামত হিসেবে বিবেচিত হয়।

তালিকায় আরও রয়েছে অত্যন্ত উপকারী ফল ডালিম বা আনার, যা জান্নাতে প্রাপ্ত বিশেষ ফলগুলোর অন্যতম একটি হিসেবে পরিচিত। পবিত্র এই গ্রন্থে উল্লিখিত ফলগুলোর মধ্যে ত্বীন বা ডুমুরের নামও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যার ওপর পবিত্র কোরআনে সরাসরি শপথ করা হয়েছে এবং এর বিশেষ ঔষধি গুণ ও মর্যাদার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিটি ফলই মানবদেহের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সুস্থ জীবনযাপনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

ইসলাম ধর্মে বর্ণিত এই ফলগুলো নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুশাসন পালনেও মানসিক শান্তি লাভ করা সম্ভব। মুফতি ও ধর্মবেত্তারা সবসময়ই এসব কোরআন-বর্ণিত ফল গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, কারণ এগুলো কেবল দুনিয়াবি সুফলই দেয় না বরং পরকালের নেয়ামতের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই সাধারণ মানুষের মাঝে এই বরকতময় ফলগুলোর পুষ্টিগুণ ও ধর্মীয় তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।