ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০ Logo ‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’ Logo এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক Logo বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, জয়ের কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ Logo এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ Logo এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা Logo লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা Logo চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি Logo সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান Logo এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সাগরে মাছ শিকারে নেমে চরম বৈরী আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর জালে প্রচুর ইলিশ পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়ার মতিগতি বদলে যাওয়ায় জেলেদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি পাথরঘাটা অঞ্চলের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি দফায় দফায় বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়া বয়ে যেতে দেখা গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও এর সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অংশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সমুদ্রগামী মানুষ আরও বেশি সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ সময়ে কোনো আয় না থাকায় অনেক জেলেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে কোনোমতে সংসার চালাতে হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে তারা সাগরে ছুটে গিয়েছিলেন, কিন্তু আবহাওয়ার এই চোখরাঙানি তাদের সব পরিকল্পনাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ মাছ শিকার করা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গত মৌসুমেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে জেলেরা চরম দুর্ভোগ পোহাতে বাধ্য হয়েছেন এবং অনেক জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এবারের নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় বুক বেঁধে জেলেরা সাগরে গেলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে একদিকে যেমন মাছ পাওয়ার আশা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এদিকে সাগরে অবস্থানরত জেলেদের পাশাপাশি উপকূলের পরিবারগুলোর সদস্যরাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। গত বছরের নিখোঁজ হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনাগুলো তাদের স্মৃতিতে ভেসে আসায় প্রিয়জনদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্বজনেরা প্রতিমুহূর্তে উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই শঙ্কা কাটবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :

ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

আপডেট সময় ০৪:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সাগরে মাছ শিকারে নেমে চরম বৈরী আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর জালে প্রচুর ইলিশ পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়ার মতিগতি বদলে যাওয়ায় জেলেদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি পাথরঘাটা অঞ্চলের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি দফায় দফায় বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়া বয়ে যেতে দেখা গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও এর সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অংশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সমুদ্রগামী মানুষ আরও বেশি সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ সময়ে কোনো আয় না থাকায় অনেক জেলেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে কোনোমতে সংসার চালাতে হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে তারা সাগরে ছুটে গিয়েছিলেন, কিন্তু আবহাওয়ার এই চোখরাঙানি তাদের সব পরিকল্পনাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ মাছ শিকার করা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গত মৌসুমেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে জেলেরা চরম দুর্ভোগ পোহাতে বাধ্য হয়েছেন এবং অনেক জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এবারের নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় বুক বেঁধে জেলেরা সাগরে গেলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে একদিকে যেমন মাছ পাওয়ার আশা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এদিকে সাগরে অবস্থানরত জেলেদের পাশাপাশি উপকূলের পরিবারগুলোর সদস্যরাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। গত বছরের নিখোঁজ হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনাগুলো তাদের স্মৃতিতে ভেসে আসায় প্রিয়জনদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্বজনেরা প্রতিমুহূর্তে উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই শঙ্কা কাটবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।