ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত Logo আমাদের দাবি আদায়ে একদফার ডাক আসতে পারে: জামায়াত আমির Logo ইনানীতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা Logo বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন Logo মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে Logo আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা Logo মুজিব-হাসিনার জন্মস্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি, দাবি আদায়ে আমরা অনড় Logo ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০ Logo ‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’ Logo এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার গুরুতর অভিযোগে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক বা ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করেছে সরকার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বা ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি এই শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটান। প্রচলিত সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী তার এই স্বেচ্ছায় অনুপস্থিতিকে আইনগতভাবে পলায়ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী এই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখা থেকে সম্প্রতি এই বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয় এবং সরকারি আদেশ অনুযায়ী এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ষষ্ঠ দিন থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। কর্মস্থলে তার এই অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগদান করা থেকে বিরত থাকেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠায় পুলিশ অধিদপ্তর। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয় এবং আনীত অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নোটিশের কোনো লিখিত জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকেন এবং সময় বাড়ানোর জন্যও কোনো ধরনের আবেদন করেননি।

দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এবং বিভাগীয় কার্যক্রমে সহযোগিতা না করায় তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং পলাতক এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপগুলো সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদকে বরখাস্ত

আপডেট সময় ০৪:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার গুরুতর অভিযোগে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক বা ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করেছে সরকার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বা ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি এই শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটান। প্রচলিত সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী তার এই স্বেচ্ছায় অনুপস্থিতিকে আইনগতভাবে পলায়ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী এই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখা থেকে সম্প্রতি এই বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয় এবং সরকারি আদেশ অনুযায়ী এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ষষ্ঠ দিন থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। কর্মস্থলে তার এই অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগদান করা থেকে বিরত থাকেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠায় পুলিশ অধিদপ্তর। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয় এবং আনীত অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নোটিশের কোনো লিখিত জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকেন এবং সময় বাড়ানোর জন্যও কোনো ধরনের আবেদন করেননি।

দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এবং বিভাগীয় কার্যক্রমে সহযোগিতা না করায় তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং পলাতক এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপগুলো সম্পন্ন করা হচ্ছে।