ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ভারতে চলমান আন্দোলন তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ডাকাতিয়ায় সেতু নেই, স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো Logo বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতি সারল রিয়াল মাদ্রিদ Logo যুক্তরাষ্ট্রের মাদার অব অল বম্বসের জবাবে ফাদার অব অল বম্বস আনছে ইরান Logo ইসরাইলের বসতি নীতির বিরোধী, জনগণের সঙ্গে বিরোধ নেই: যুক্তরাজ্য Logo ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের মন্তব্য মূর্খতাপূর্ণ: ম্যাক্রোঁ Logo ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলে পরিবর্তন, শত্রুকে তার ভূখণ্ডেই জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি Logo চট্টগ্রামের ‘রিপু রজনী’ মণ্ডপ ঘুরে যা বললেন অভিনেত্রী পূজা চেরী Logo এপস্টিনের সঙ্গে ভারতের মন্ত্রী পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা Logo তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি, মেটাকে ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ইসরাইলের বসতি নীতির বিরোধী, জনগণের সঙ্গে বিরোধ নেই: যুক্তরাজ্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইসরায়েলি জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো বৈরিতা বা বিরোধ নেই। মূলত বর্তমান ইসরায়েলি সরকারের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মপন্থা ও নীতির বিরুদ্ধেই তাদের এই আপত্তি রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে ব্রিটিশ প্রশাসন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন দায়িত্বশীল মুখপাত্র এই কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।

ওই মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ কয়েক দশকের পারস্পরিক সহযোগিতা, অংশীদারিত্ব এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করেই দুদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে। তবে বর্তমান সরকারের বসতি সম্প্রসারণ নীতি এবং ফিলিস্তিনি ভূমিতে সহিংসতা বৃদ্ধির বিষয়টি তাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এই উদ্বেগ থেকেই সম্প্রতি ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে লন্ডন।

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক বা টু-স্টেট সলিউশন বাস্তবায়নের পক্ষে নিজেদের জোরালো অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য। এই সমাধান প্রক্রিয়াকে টিকিয়ে রাখতে এবং এর কার্যকারিতা রক্ষার্থে ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা কঠোর হাতে দমন এবং বসতি সম্প্রসারণ রোধে সুনির্দিষ্ট কিছু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।

এদিকে যুক্তরাজ্যের এমন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েলি সরকার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রিটিশ এই পদক্ষেপকে এক ধরনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে এর সুদূর প্রসারী পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়। কূটনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়ে যাওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১১ জন সদস্য ও এক আইনজীবীর ওপর ইসরায়েলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় এবং জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দেয় তেল আবিব।

ট্যাগস :

ভারতে চলমান আন্দোলন তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরাইলের বসতি নীতির বিরোধী, জনগণের সঙ্গে বিরোধ নেই: যুক্তরাজ্য

আপডেট সময় ০৪:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইসরায়েলি জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো বৈরিতা বা বিরোধ নেই। মূলত বর্তমান ইসরায়েলি সরকারের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মপন্থা ও নীতির বিরুদ্ধেই তাদের এই আপত্তি রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে ব্রিটিশ প্রশাসন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন দায়িত্বশীল মুখপাত্র এই কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।

ওই মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ কয়েক দশকের পারস্পরিক সহযোগিতা, অংশীদারিত্ব এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করেই দুদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে। তবে বর্তমান সরকারের বসতি সম্প্রসারণ নীতি এবং ফিলিস্তিনি ভূমিতে সহিংসতা বৃদ্ধির বিষয়টি তাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এই উদ্বেগ থেকেই সম্প্রতি ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে লন্ডন।

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক বা টু-স্টেট সলিউশন বাস্তবায়নের পক্ষে নিজেদের জোরালো অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য। এই সমাধান প্রক্রিয়াকে টিকিয়ে রাখতে এবং এর কার্যকারিতা রক্ষার্থে ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা কঠোর হাতে দমন এবং বসতি সম্প্রসারণ রোধে সুনির্দিষ্ট কিছু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।

এদিকে যুক্তরাজ্যের এমন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েলি সরকার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রিটিশ এই পদক্ষেপকে এক ধরনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে এর সুদূর প্রসারী পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়। কূটনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়ে যাওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১১ জন সদস্য ও এক আইনজীবীর ওপর ইসরায়েলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় এবং জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দেয় তেল আবিব।