আপডেট সময়
০৪:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
ইসরাইলের বসতি নীতির বিরোধী, জনগণের সঙ্গে বিরোধ নেই: যুক্তরাজ্য
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইসরায়েলি জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো বৈরিতা বা বিরোধ নেই। মূলত বর্তমান ইসরায়েলি সরকারের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মপন্থা ও নীতির বিরুদ্ধেই তাদের এই আপত্তি রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে ব্রিটিশ প্রশাসন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন দায়িত্বশীল মুখপাত্র এই কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।ওই মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ কয়েক দশকের পারস্পরিক সহযোগিতা, অংশীদারিত্ব এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করেই দুদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে। তবে বর্তমান সরকারের বসতি সম্প্রসারণ নীতি এবং ফিলিস্তিনি ভূমিতে সহিংসতা বৃদ্ধির বিষয়টি তাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এই উদ্বেগ থেকেই সম্প্রতি ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে লন্ডন।মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক বা টু-স্টেট সলিউশন বাস্তবায়নের পক্ষে নিজেদের জোরালো অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য। এই সমাধান প্রক্রিয়াকে টিকিয়ে রাখতে এবং এর কার্যকারিতা রক্ষার্থে ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা কঠোর হাতে দমন এবং বসতি সম্প্রসারণ রোধে সুনির্দিষ্ট কিছু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।এদিকে যুক্তরাজ্যের এমন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েলি সরকার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রিটিশ এই পদক্ষেপকে এক ধরনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে এর সুদূর প্রসারী পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়। কূটনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়ে যাওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১১ জন সদস্য ও এক আইনজীবীর ওপর ইসরায়েলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় এবং জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দেয় তেল আবিব।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইসরায়েলি জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো বৈরিতা বা বিরোধ নেই। মূলত বর্তমান ইসরায়েলি সরকারের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মপন্থা ও নীতির বিরুদ্ধেই তাদের এই আপত্তি রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে ব্রিটিশ প্রশাসন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন দায়িত্বশীল মুখপাত্র এই কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।
ওই মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ কয়েক দশকের পারস্পরিক সহযোগিতা, অংশীদারিত্ব এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করেই দুদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে। তবে বর্তমান সরকারের বসতি সম্প্রসারণ নীতি এবং ফিলিস্তিনি ভূমিতে সহিংসতা বৃদ্ধির বিষয়টি তাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এই উদ্বেগ থেকেই সম্প্রতি ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে লন্ডন।
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক বা টু-স্টেট সলিউশন বাস্তবায়নের পক্ষে নিজেদের জোরালো অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য। এই সমাধান প্রক্রিয়াকে টিকিয়ে রাখতে এবং এর কার্যকারিতা রক্ষার্থে ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা কঠোর হাতে দমন এবং বসতি সম্প্রসারণ রোধে সুনির্দিষ্ট কিছু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।
এদিকে যুক্তরাজ্যের এমন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েলি সরকার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রিটিশ এই পদক্ষেপকে এক ধরনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে এর সুদূর প্রসারী পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়। কূটনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়ে যাওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১১ জন সদস্য ও এক আইনজীবীর ওপর ইসরায়েলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় এবং জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দেয় তেল আবিব।