ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত Logo ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা Logo গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন Logo প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা Logo সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার Logo সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় Logo ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? Logo ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! Logo স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট Logo মঞ্চে আসছে নবরসের নতুন নাটক ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক আরোপিত টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি হতে যাচ্ছে। গত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও সাগরে সব ধরনের ইলিশ আহরণ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রজনন মৌসুম রক্ষায় সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে সাগরে মাছ ধরা থেকে বিরত ছিলেন লাখ লাখ জেলে। ফলস্বরূপ, এই দীর্ঘ সময়ে দেশের প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রগুলোতে কোনো কর্মব্যস্ততা ছিল না এবং পুরো সময়জুড়েই এক ধরনের নীরবতা বজায় ছিল।

নিষেধাজ্ঞার এই দিনগুলোতে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী রাসমণি ঘাট এবং কর্ণফুলীতীরের ফিশারি ঘাটের চিরচেনা চঞ্চলতা পুরোপুরি হারিয়ে গিয়েছিল। ঘাটে সারি সারি নোঙর করে রাখা মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাগুলো কোনো ধরনের কার্যক্রম ছাড়াই অলস সময় পার করেছে। কর্মহীন সময় কাটানো এসব নৌযানের মালিক ও শ্রমিকেরা এখন সাগরে যাওয়ার জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে অলস পড়ে থাকা ইঞ্জিনচালিত নৌকাগুলোতে জাল ও জ্বালানি তোলার কাজও পুরোদমে শুরু হয়েছে।

আজ ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে এবং এর ফলে আবারও গভীর সমুদ্রে যাওয়ার অনুমতি পাচ্ছেন জেলেরা। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রুপালি ইলিশের সন্ধানে সাগরের পানে ভেসে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে শত শত জলযান। মৎস্যজীবীদের প্রত্যাশা, এবারের প্রজনন মৌসুমে পর্যাপ্ত মা ইলিশ ডিম ছাড়ার সুযোগ পাওয়ায় সাগরে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশের দেখা মিলবে। এতে একদিকে যেমন জেলেরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন, অন্যদিকে দেশের বাজারেও ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।

দীর্ঘ ২২ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে খুব শীঘ্রই চট্টগ্রামের ফিশারি ঘাটসহ উপকূলের প্রতিটি মৎস্যকেন্দ্র মুখর হয়ে উঠবে জেলে ও ব্যবসায়ীদের হাঁকডাকে। রাতের নীরবতা ভেদ করে ঘাটে ফিরে আসবে সেই পুরনো কর্মচাঞ্চল্য ও ব্যস্ত পরিবেশ। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও মৎস্যজীবীরা আশা করছেন, নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় এবার ইলিশের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে এবং দেশের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে।

ট্যাগস :

মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা

আপডেট সময় ০৯:৩২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক আরোপিত টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি হতে যাচ্ছে। গত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও সাগরে সব ধরনের ইলিশ আহরণ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রজনন মৌসুম রক্ষায় সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে সাগরে মাছ ধরা থেকে বিরত ছিলেন লাখ লাখ জেলে। ফলস্বরূপ, এই দীর্ঘ সময়ে দেশের প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রগুলোতে কোনো কর্মব্যস্ততা ছিল না এবং পুরো সময়জুড়েই এক ধরনের নীরবতা বজায় ছিল।

নিষেধাজ্ঞার এই দিনগুলোতে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী রাসমণি ঘাট এবং কর্ণফুলীতীরের ফিশারি ঘাটের চিরচেনা চঞ্চলতা পুরোপুরি হারিয়ে গিয়েছিল। ঘাটে সারি সারি নোঙর করে রাখা মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাগুলো কোনো ধরনের কার্যক্রম ছাড়াই অলস সময় পার করেছে। কর্মহীন সময় কাটানো এসব নৌযানের মালিক ও শ্রমিকেরা এখন সাগরে যাওয়ার জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে অলস পড়ে থাকা ইঞ্জিনচালিত নৌকাগুলোতে জাল ও জ্বালানি তোলার কাজও পুরোদমে শুরু হয়েছে।

আজ ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে এবং এর ফলে আবারও গভীর সমুদ্রে যাওয়ার অনুমতি পাচ্ছেন জেলেরা। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রুপালি ইলিশের সন্ধানে সাগরের পানে ভেসে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে শত শত জলযান। মৎস্যজীবীদের প্রত্যাশা, এবারের প্রজনন মৌসুমে পর্যাপ্ত মা ইলিশ ডিম ছাড়ার সুযোগ পাওয়ায় সাগরে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশের দেখা মিলবে। এতে একদিকে যেমন জেলেরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন, অন্যদিকে দেশের বাজারেও ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।

দীর্ঘ ২২ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে খুব শীঘ্রই চট্টগ্রামের ফিশারি ঘাটসহ উপকূলের প্রতিটি মৎস্যকেন্দ্র মুখর হয়ে উঠবে জেলে ও ব্যবসায়ীদের হাঁকডাকে। রাতের নীরবতা ভেদ করে ঘাটে ফিরে আসবে সেই পুরনো কর্মচাঞ্চল্য ও ব্যস্ত পরিবেশ। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও মৎস্যজীবীরা আশা করছেন, নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় এবার ইলিশের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে এবং দেশের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে।