ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ভোটে আবার ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আঁতাত’ Logo বিদেশি অর্থছাড় কমল ৪২ শতাংশ Logo শ্রীমঙ্গলে লোকালয়ে অজগর ও বিপন্ন শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার Logo নির্মাণের এক সপ্তাহেই পায়ের ঘষায় উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং Logo ইরানকে বাদ দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সম্ভব নয়: ওমান Logo দৌলতপুরে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা অর্ধশতাধিক স্কুল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ Logo ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের পর কেন ‘ব্যাখ্যা’ দিতে হলো পুলিশকে? Logo ব্যালন ডি’অরের আগমুহূর্তে কী সিদ্ধান্ত নিলেন এমবাপ্পে Logo অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে অঘটন… Logo মক্কা জোটে ইরানের যোগদান নির্ধারণ করবে নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তার সমীকরণ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ইরানকে বাদ দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সম্ভব নয়: ওমান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় দেশগুলোকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করে ওমান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং ভূগোলের বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজাতে হবে।

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো থেকে ইরানকে পরিকল্পিতভাবে দূরে রাখা হয়েছে। এই নীতির কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, তেহরানকে বাইরে রেখে আঞ্চলিক নিরাপত্তার কোনো স্থায়ী ও কার্যকর রূপরেখা প্রস্তুত করা সম্ভব নয়।

বদর আল-বুসাইদি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, ইরানকে বাদ দিয়ে যে ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তা জন্মগতভাবেই দুর্বল ও ভঙ্গুর। তাই এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই নিজেদের উদ্যোগেই একটি সমন্বিত ও নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতার একটি বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছিল। মাস দুয়েক আগে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং একটি সম্ভাব্য চুক্তির পথও সুগম হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

ভবিষ্যতের কর্মপন্থা সম্পর্কে আল-বুসাইদি বলেন, বাইরের পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে সামরিক অংশীদারিত্বের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। ওমান চায় উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো সামরিক চুক্তির পরিবর্তে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখুক।

ট্যাগস :

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ভোটে আবার ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ আঁতাত’

ইরানকে বাদ দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সম্ভব নয়: ওমান

আপডেট সময় ০৫:১৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় দেশগুলোকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করে ওমান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং ভূগোলের বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজাতে হবে।

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো থেকে ইরানকে পরিকল্পিতভাবে দূরে রাখা হয়েছে। এই নীতির কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, তেহরানকে বাইরে রেখে আঞ্চলিক নিরাপত্তার কোনো স্থায়ী ও কার্যকর রূপরেখা প্রস্তুত করা সম্ভব নয়।

বদর আল-বুসাইদি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, ইরানকে বাদ দিয়ে যে ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তা জন্মগতভাবেই দুর্বল ও ভঙ্গুর। তাই এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই নিজেদের উদ্যোগেই একটি সমন্বিত ও নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতার একটি বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছিল। মাস দুয়েক আগে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং একটি সম্ভাব্য চুক্তির পথও সুগম হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

ভবিষ্যতের কর্মপন্থা সম্পর্কে আল-বুসাইদি বলেন, বাইরের পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে সামরিক অংশীদারিত্বের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। ওমান চায় উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো সামরিক চুক্তির পরিবর্তে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখুক।