ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কতটা ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, কবে-কোথায় আঘাত হানবে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে তীব্র বেগে এগিয়ে চলেছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্ধারিত দিনটিতে দুপুরে এটি অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। স্থলভাগে আঘাত হানার মুহূর্তে এই ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগটি আন্দামানের শ্রীবিজয়পুরম থেকে ৫৯০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। এছাড়া বিশাখাপত্তনম, কাকিনাড়া, মছিলিপত্তনম এবং বাপাতলা উপকূল থেকে বিভিন্ন দূরত্বে এর অবস্থান রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন যে এটি ক্রমান্বয়ে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে সিস্টেমটি আরও ঘনীভূত হয়ে মারাত্মক রূপ নিতে পারে। পরবর্তীতে এটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী কোনো স্থান দিয়ে মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে। সেই সময় বাতাসের একটানা গতিবেগ ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকতে পারে।

এই সামুদ্রিক ঝড়ের প্রভাবে ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ অংশ প্রচণ্ড উত্তাল হয়ে উঠেছে এবং উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলেও উচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। এমনকি এর প্রভাবে পার্শ্ববর্তী পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :

ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই মুদ্রণজনিত ত্রুটি সংশোধনে ফেরতের নির্দেশ

কতটা ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, কবে-কোথায় আঘাত হানবে

আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে তীব্র বেগে এগিয়ে চলেছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্ধারিত দিনটিতে দুপুরে এটি অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। স্থলভাগে আঘাত হানার মুহূর্তে এই ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগটি আন্দামানের শ্রীবিজয়পুরম থেকে ৫৯০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। এছাড়া বিশাখাপত্তনম, কাকিনাড়া, মছিলিপত্তনম এবং বাপাতলা উপকূল থেকে বিভিন্ন দূরত্বে এর অবস্থান রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন যে এটি ক্রমান্বয়ে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে সিস্টেমটি আরও ঘনীভূত হয়ে মারাত্মক রূপ নিতে পারে। পরবর্তীতে এটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী কোনো স্থান দিয়ে মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে। সেই সময় বাতাসের একটানা গতিবেগ ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকতে পারে।

এই সামুদ্রিক ঝড়ের প্রভাবে ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ অংশ প্রচণ্ড উত্তাল হয়ে উঠেছে এবং উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলেও উচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। এমনকি এর প্রভাবে পার্শ্ববর্তী পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।