আপডেট সময়
০২:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
হিরণ পয়েন্ট ও নলিয়ান পরিদর্শন শেষে মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার খুলনা সফরে গেছেন তারেক রহমান। এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি সম্প্রতি আকাশপথে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও এর আশেপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন। পরবর্তীতে তার বহনকারী হেলিকপ্টারটি দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নিরাপদে অবতরণ করে। সেখান থেকে তিনি জলপথে বাগেরহাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে যাত্রা শুরু করে তিনি দুপুর পৌনে ১টার দিকে বাগেরহাটের বানৌজা মোংলা জেটিতে এসে পৌঁছান। মোংলা নৌঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর তিনি সেখানে উপস্থিত নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বিএনএস আবু বকর ঘুরে দেখেন। নির্ধারিত মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে তার মোংলা বন্দর জেটি এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মধ্যে নতুন আশা ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এলএনজি টার্মিনালের মতো বড় বড় মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে এলাকার অর্থনীতিতে গতি আসবে বলে তারা মনে করছেন। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা এই অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতির ফলে মোংলা বন্দরেরoperational সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, যেমন অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের কাজগুলো এখন দ্রুত শেষ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
জাতীয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার খুলনা সফরে গেছেন তারেক রহমান। এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি সম্প্রতি আকাশপথে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও এর আশেপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন। পরবর্তীতে তার বহনকারী হেলিকপ্টারটি দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নিরাপদে অবতরণ করে। সেখান থেকে তিনি জলপথে বাগেরহাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে যাত্রা শুরু করে তিনি দুপুর পৌনে ১টার দিকে বাগেরহাটের বানৌজা মোংলা জেটিতে এসে পৌঁছান। মোংলা নৌঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর তিনি সেখানে উপস্থিত নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বিএনএস আবু বকর ঘুরে দেখেন। নির্ধারিত মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে তার মোংলা বন্দর জেটি এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মধ্যে নতুন আশা ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এলএনজি টার্মিনালের মতো বড় বড় মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে এলাকার অর্থনীতিতে গতি আসবে বলে তারা মনে করছেন। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা এই অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতির ফলে মোংলা বন্দরেরoperational সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, যেমন অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের কাজগুলো এখন দ্রুত শেষ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।