আপডেট সময়
০২:৩১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
সৌদি সংকটে প্রবাসী বাংলাদেশির বিপদে রাষ্ট্র কতটা প্রস্তুত?
প্রবাস ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবে প্রায়শই বিভিন্ন ধরনের শ্রমবাজার সংকট তৈরি হয় যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন ও জীবিকাকে মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে সে দেশের বিমানবন্দরে অপ্রত্যাশিত হামলা, নিরাপত্তা ঝুঁকি, আকস্মিক ফ্লাইট বাতিল এবং ভিসাসংক্রান্ত নানা জটিলতার কারণে সাধারণ কর্মীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এই ধরনের আকস্মিক পরিস্থিতিগুলোতে প্রবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং তাদের দ্রুত সহায়তার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের প্রস্তুতি ও কার্যকারিতা নিয়ে নানা মহলে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের একটি বিশাল অংশ আসে সৌদি আরব থেকে, যেখানে লাখ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু যেকোনো বড় ধরনের সংকটে প্রবাসীদের পাশে দাঁড়ানোর মতো পর্যাপ্ত কূটনৈতিক তৎপরতা ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের প্রশাসনিক দুর্বলতা প্রায়ই প্রকাশ পায়। বিমানবন্দরে আটকে পড়া কর্মীদের খাবার, আবাসন বা দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি দীর্ঘসূত্রতায় পর্যবসিত হয়, যা অভিবাসী শ্রমিকদের অসহায়ত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক শ্রমবাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা কার্যকর কৌশল সরকারের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে দৃশ্যমান হয় না। আকস্মিক সংকট তৈরির পর কেবল জোড়াতালি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, যা স্থায়ী কোনো সমাধান বয়ে আনে না। অথচ কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও দৃঢ় করা এবং প্রবাসীদের যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।ভবিষ্যতে এ ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে সৌদি কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ওপর জোর দেওয়া জরুরি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে আরও অধিক দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে যাতে শ্রমিকদের চুক্তিভিত্তিক অধিকার ও নিরাপত্তা পুরোপুরি সংরক্ষিত থাকে। অন্যথায়, বারবার এই ধরনের সংকট প্রবাসীদের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তোলার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকেও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলে দেবে।
প্রবাস ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবে প্রায়শই বিভিন্ন ধরনের শ্রমবাজার সংকট তৈরি হয় যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন ও জীবিকাকে মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে সে দেশের বিমানবন্দরে অপ্রত্যাশিত হামলা, নিরাপত্তা ঝুঁকি, আকস্মিক ফ্লাইট বাতিল এবং ভিসাসংক্রান্ত নানা জটিলতার কারণে সাধারণ কর্মীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এই ধরনের আকস্মিক পরিস্থিতিগুলোতে প্রবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং তাদের দ্রুত সহায়তার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের প্রস্তুতি ও কার্যকারিতা নিয়ে নানা মহলে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের একটি বিশাল অংশ আসে সৌদি আরব থেকে, যেখানে লাখ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু যেকোনো বড় ধরনের সংকটে প্রবাসীদের পাশে দাঁড়ানোর মতো পর্যাপ্ত কূটনৈতিক তৎপরতা ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের প্রশাসনিক দুর্বলতা প্রায়ই প্রকাশ পায়। বিমানবন্দরে আটকে পড়া কর্মীদের খাবার, আবাসন বা দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি দীর্ঘসূত্রতায় পর্যবসিত হয়, যা অভিবাসী শ্রমিকদের অসহায়ত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক শ্রমবাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা কার্যকর কৌশল সরকারের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে দৃশ্যমান হয় না। আকস্মিক সংকট তৈরির পর কেবল জোড়াতালি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, যা স্থায়ী কোনো সমাধান বয়ে আনে না। অথচ কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও দৃঢ় করা এবং প্রবাসীদের যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভবিষ্যতে এ ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে সৌদি কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ওপর জোর দেওয়া জরুরি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে আরও অধিক দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে যাতে শ্রমিকদের চুক্তিভিত্তিক অধিকার ও নিরাপত্তা পুরোপুরি সংরক্ষিত থাকে। অন্যথায়, বারবার এই ধরনের সংকট প্রবাসীদের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তোলার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকেও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলে দেবে।