আপডেট সময়
০৬:০১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
সৌদির বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ: ১৩৫ ফ্লাইটের ২০ হাজারের ৬৭২ যাত্রী ভোগান্তিতে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরের নতুন পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এই কড়াকড়ির ফলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এয়ারলাইনসের মোট ১৩৫টি ফ্লাইটের শিডিউল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে ৬২টি এবং বিভিন্ন দেশের ট্রানজিট পয়েন্ট হয়ে চলাচলের ফ্লাইট রয়েছে ৭৩টি। এই আকস্মিক জটিলতার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রী চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সরাসরি পরিচালনা করা ফ্লাইটগুলো। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২৩টি এবং বেসরকারি এয়ারলাইনস ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া বিদেশি বিমানগুলোর মধ্যে সৌদির নিজস্ব এয়ারলাইনস সৌদিয়ার ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি ফ্লাইটের স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যা যাত্রীদের যাতায়াতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় শীর্ষে থাকা ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ইন্ডিগোর ২৮টি ফ্লাইট এই নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় বিমান সংস্থা এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি ফ্লাইট প্রভাবিত হয়েছে। তালিকায় মিসরের পতাকাবাহী ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইটও রয়েছে, যা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।বিমানবন্দরগুলোতে এই অপ্রত্যাশিত নিষেধাজ্ঞার ফলে যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনা ও সময়সূচিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিমান সংস্থাগুলো জানিয়েছে, এই জটিলতার কারণে এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এই পরিস্থিতি এড়াতে এবং সম্ভাব্য ভ্রমণ বিপর্যয় রোধ করতে যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা ও সময়সূচি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরের নতুন পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এই কড়াকড়ির ফলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এয়ারলাইনসের মোট ১৩৫টি ফ্লাইটের শিডিউল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে ৬২টি এবং বিভিন্ন দেশের ট্রানজিট পয়েন্ট হয়ে চলাচলের ফ্লাইট রয়েছে ৭৩টি। এই আকস্মিক জটিলতার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রী চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সরাসরি পরিচালনা করা ফ্লাইটগুলো। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২৩টি এবং বেসরকারি এয়ারলাইনস ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া বিদেশি বিমানগুলোর মধ্যে সৌদির নিজস্ব এয়ারলাইনস সৌদিয়ার ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি ফ্লাইটের স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যা যাত্রীদের যাতায়াতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।
সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় শীর্ষে থাকা ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ইন্ডিগোর ২৮টি ফ্লাইট এই নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় বিমান সংস্থা এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি ফ্লাইট প্রভাবিত হয়েছে। তালিকায় মিসরের পতাকাবাহী ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইটও রয়েছে, যা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বিমানবন্দরগুলোতে এই অপ্রত্যাশিত নিষেধাজ্ঞার ফলে যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনা ও সময়সূচিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিমান সংস্থাগুলো জানিয়েছে, এই জটিলতার কারণে এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এই পরিস্থিতি এড়াতে এবং সম্ভাব্য ভ্রমণ বিপর্যয় রোধ করতে যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা ও সময়সূচি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।