আপডেট সময়
০৭:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
উৎসবের পর শাড়ি আলমারিতে তুলে রাখার আগে যা করবেন
লাইফস্টাইল ডেস্ক: বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান উৎসব দুর্গাপূজা শেষ হওয়ার পর অনেকের আলমারিতেই শাড়ির স্তূপ জমে যায়। জামদানি, কাঞ্জিভরম, তসর কিংবা শিফনের মতো শাড়িগুলো উৎসবের দিনগুলোতে নারীর সাজসজ্জার মূল আকর্ষণ হয়ে থাকে। তবে উৎসবের কোলাহল থামতেই শাড়ির সঠিক সংরক্ষণ নিয়ে একধরনের দুশ্চিন্তা শুরু হয়। সামান্য অবহেলার কারণে সাধের দামি শাড়িগুলোর চাকচিক্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তাই উৎসবের পর এগুলো গুছিয়ে রাখার আগে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।উৎসবের সময় নানা আয়োজনে শাড়ি পরে থাকার ফলে কাপড়ে ঘাম কিংবা ময়লা বসা স্বাভাবিক। আলমারিতে তুলে রাখার আগে এই শাড়িগুলো অন্তত কয়েক ঘণ্টা ছায়াঘেরা স্থানে কিংবা ফ্যানের বাতাসে মেলে দেওয়া উচিত। ঘামযুক্ত শাড়ি সরাসরি আলমারিতে আটকে রাখলে তাতে ফাঙ্গাস বা ছত্রাক পড়ে স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া বেনারসি বা ভারী জরির কাজের সিল্ক ও কাতান শাড়ি বাড়িতে না ধুয়ে ড্রাই ক্লিন করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। সুতি বা জর্জেট কাপড় মৃদু কোনো শ্যাম্পু কিংবা লিকুইড ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নেওয়া যায়, তবে কড়া রোদে শুকানো থেকে বিরত থাকতে হবে কারণ তা কাপড়ের রং নষ্ট করে।দামি শাড়িগুলো দীর্ঘ সময় একই ভাঁজে ঝুলিয়ে রাখলে ভাঁজ বরাবর কাপড় ফেটে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই নিয়মিত বিরতিতে শাড়ির ভাঁজ পরিবর্তন করে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভাঁজ করার সময় ভেতর দিকে সুতির কাপড় বা কাগজ ব্যবহার করলে জরির কাজ সুরক্ষিত থাকে এবং শাড়ি উল্টো করে ভাঁজ করা সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। এছাড়া একসঙ্গে অনেকগুলো শাড়ি গাদাগাদি করে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখা অনুচিত, বরং প্রতিটি শাড়ির জন্য আলাদা সুতির কাভার বা মসলিন ব্যাগ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। প্লাস্টিকের ব্যাগে শাড়ি রাখলে বাতাস চলাচলের অভাবে আর্দ্রতা জমে ক্ষতি হতে পারে।শাড়ি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আলমারির পরিবেশও একটি বড় বিষয়, তাই তাকগুলো যেন পুরোপুরি শুকনো ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত থাকে সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাকে বা তাকে খবরের কাগজ কিংবা বাটার পেপার বিছিয়ে তার ওপর কাপড় রাখা ভালো। পোকামাকড় ও আর্দ্রতা দূরে রাখতে ন্যাপথলিন বা শুকনো নিমপাতা কাপড়ে পেঁচিয়ে আলমারির কোণায় রাখা যেতে পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে এগুলো যেন সরাসরি শাড়ির সংস্পর্শে না আসে। একটু সচেতনতা আর সঠিক পদ্ধতিতে যত্ন নিলে আপনার প্রিয় উৎসবের পোশাকটি বছরজুড়ে নতুনের মতো উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় থাকবে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক: বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান উৎসব দুর্গাপূজা শেষ হওয়ার পর অনেকের আলমারিতেই শাড়ির স্তূপ জমে যায়। জামদানি, কাঞ্জিভরম, তসর কিংবা শিফনের মতো শাড়িগুলো উৎসবের দিনগুলোতে নারীর সাজসজ্জার মূল আকর্ষণ হয়ে থাকে। তবে উৎসবের কোলাহল থামতেই শাড়ির সঠিক সংরক্ষণ নিয়ে একধরনের দুশ্চিন্তা শুরু হয়। সামান্য অবহেলার কারণে সাধের দামি শাড়িগুলোর চাকচিক্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তাই উৎসবের পর এগুলো গুছিয়ে রাখার আগে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
উৎসবের সময় নানা আয়োজনে শাড়ি পরে থাকার ফলে কাপড়ে ঘাম কিংবা ময়লা বসা স্বাভাবিক। আলমারিতে তুলে রাখার আগে এই শাড়িগুলো অন্তত কয়েক ঘণ্টা ছায়াঘেরা স্থানে কিংবা ফ্যানের বাতাসে মেলে দেওয়া উচিত। ঘামযুক্ত শাড়ি সরাসরি আলমারিতে আটকে রাখলে তাতে ফাঙ্গাস বা ছত্রাক পড়ে স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া বেনারসি বা ভারী জরির কাজের সিল্ক ও কাতান শাড়ি বাড়িতে না ধুয়ে ড্রাই ক্লিন করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। সুতি বা জর্জেট কাপড় মৃদু কোনো শ্যাম্পু কিংবা লিকুইড ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নেওয়া যায়, তবে কড়া রোদে শুকানো থেকে বিরত থাকতে হবে কারণ তা কাপড়ের রং নষ্ট করে।
দামি শাড়িগুলো দীর্ঘ সময় একই ভাঁজে ঝুলিয়ে রাখলে ভাঁজ বরাবর কাপড় ফেটে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই নিয়মিত বিরতিতে শাড়ির ভাঁজ পরিবর্তন করে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভাঁজ করার সময় ভেতর দিকে সুতির কাপড় বা কাগজ ব্যবহার করলে জরির কাজ সুরক্ষিত থাকে এবং শাড়ি উল্টো করে ভাঁজ করা সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। এছাড়া একসঙ্গে অনেকগুলো শাড়ি গাদাগাদি করে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখা অনুচিত, বরং প্রতিটি শাড়ির জন্য আলাদা সুতির কাভার বা মসলিন ব্যাগ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। প্লাস্টিকের ব্যাগে শাড়ি রাখলে বাতাস চলাচলের অভাবে আর্দ্রতা জমে ক্ষতি হতে পারে।
শাড়ি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আলমারির পরিবেশও একটি বড় বিষয়, তাই তাকগুলো যেন পুরোপুরি শুকনো ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত থাকে সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাকে বা তাকে খবরের কাগজ কিংবা বাটার পেপার বিছিয়ে তার ওপর কাপড় রাখা ভালো। পোকামাকড় ও আর্দ্রতা দূরে রাখতে ন্যাপথলিন বা শুকনো নিমপাতা কাপড়ে পেঁচিয়ে আলমারির কোণায় রাখা যেতে পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে এগুলো যেন সরাসরি শাড়ির সংস্পর্শে না আসে। একটু সচেতনতা আর সঠিক পদ্ধতিতে যত্ন নিলে আপনার প্রিয় উৎসবের পোশাকটি বছরজুড়ে নতুনের মতো উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় থাকবে।