আপডেট সময়
০৯:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
সাফিয়া সাথীর সফল ফ্যাশন ডিজাইনার ও উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প | লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ | পর্ব–১১
লাইফস্টাইল ডেস্ক: দেশীয় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের সফলতার যাত্রাকে সামনে নিয়ে আসতে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন আয়োজন পরিচালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় ধারাবাহিক অনুষ্ঠান লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ-এর তৃতীয় মৌসুমে এবার অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন সফল উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন ডিজাইনার সাফিয়া সাথী। প্রথমা আলো ডটকমের এই বিশেষ আয়োজনে তিনি তার দীর্ঘ সংগ্রাম ও সাফল্যের পেছনের নানা অজানা কথা শেয়ার করেছেন।অনুষ্ঠানে সাফিয়া সাথী মূলত তার ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের পথচলা এবং ব্রাইডাল ফ্যাশনে নিজস্ব স্বকীয়তা তৈরির পেছনের গল্প তুলে ধরেছেন। ঐতিহ্যবাহী জামদানি, নিখুঁত জরদোজি কাজ এবং দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপাদানকে আধুনিক ডিজাইনের সাথে মিলিয়ে কীভাবে তিনি নতুন ধারা তৈরি করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এই দক্ষ ডিজাইনার।একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নানাবিধ প্রতিকূলতা পেরিয়ে কীভাবে তিনি নিজের ব্র্যান্ডকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন, তা তরুণ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত শিক্ষণীয়। তার এই অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা নতুনদের ব্যবসা শুরু করতে এবং নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।দেশীয় ঐতিহ্যকে আধুনিক ফ্যাশনের সাথে যুক্ত করে কীভাবে ব্যবসায়িক সফলতা অর্জন করা সম্ভব, তার একটি চমৎকার উদাহরণ স্থাপন করেছেন এই উদ্যোক্তা। তার এই সফলতার গল্প শুধু ফ্যাশনপ্রেমীদেরই নয়, বরং দেশের উদীয়মান তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্যও এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক: দেশীয় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের সফলতার যাত্রাকে সামনে নিয়ে আসতে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন আয়োজন পরিচালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় ধারাবাহিক অনুষ্ঠান লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ-এর তৃতীয় মৌসুমে এবার অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন সফল উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন ডিজাইনার সাফিয়া সাথী। প্রথমা আলো ডটকমের এই বিশেষ আয়োজনে তিনি তার দীর্ঘ সংগ্রাম ও সাফল্যের পেছনের নানা অজানা কথা শেয়ার করেছেন।
অনুষ্ঠানে সাফিয়া সাথী মূলত তার ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের পথচলা এবং ব্রাইডাল ফ্যাশনে নিজস্ব স্বকীয়তা তৈরির পেছনের গল্প তুলে ধরেছেন। ঐতিহ্যবাহী জামদানি, নিখুঁত জরদোজি কাজ এবং দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপাদানকে আধুনিক ডিজাইনের সাথে মিলিয়ে কীভাবে তিনি নতুন ধারা তৈরি করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এই দক্ষ ডিজাইনার।
একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নানাবিধ প্রতিকূলতা পেরিয়ে কীভাবে তিনি নিজের ব্র্যান্ডকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন, তা তরুণ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত শিক্ষণীয়। তার এই অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা নতুনদের ব্যবসা শুরু করতে এবং নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশীয় ঐতিহ্যকে আধুনিক ফ্যাশনের সাথে যুক্ত করে কীভাবে ব্যবসায়িক সফলতা অর্জন করা সম্ভব, তার একটি চমৎকার উদাহরণ স্থাপন করেছেন এই উদ্যোক্তা। তার এই সফলতার গল্প শুধু ফ্যাশনপ্রেমীদেরই নয়, বরং দেশের উদীয়মান তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্যও এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।