আপডেট সময়
০১:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৬
বার পড়া হয়েছে
মেসিকে পুরস্কৃত করল স্প্যানিশ রাজপরিবার
খেলা ডেস্ক: ফুটবলের সবুজ গালিচায় প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মন্ত্রমুগ্ধ করার পাশাপাশি মাঠের বাইরের নানা সামাজিক কার্যক্রমে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি পেলেন লিওনেল মেসি। স্পেনের রাজপরিবারের বিশেষ উপস্থিতিতে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফর স্পোর্টস গ্রহণ করেছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। স্পেনের ওভিয়েদোর কাম্পোয়াম থিয়েটারে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশটির সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্সেস লিওনর তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে ও রানি লেতিসিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন ক্রীড়াঙ্গনে এক স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করে।৩৯ বছর বয়সী মেসির এই অর্জন ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এক নতুন মাইলফলক হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এর আগে ব্যক্তিগতভাবে এই বিশেষ ক্রীড়া পুরস্কার অর্জনের সৌভাগ্য অন্য কোনো ফুটবলারের হয়নি। বিচারকমণ্ডলী তার সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারের অসাধারণ ধারাবাহিকতা, অতুলনীয় ক্রীড়াশৈলী এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে তার দাতব্য উদ্যোগগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করেছেন। খেলাধুলার পাশাপাশি মানবিক কাজের এই স্বীকৃতি তাকে সমসাময়িক ক্রীড়াবিদদের মধ্যে অনন্য উচ্চতায়াসীন করেছে।মেসির এই ঐতিহাসিক অর্জনে গভীর আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছে তার দীর্ঘদিনের সাবেক ক্লাব বার্সেলোনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় ক্লাবটি জানায়, তার অসাধারণ প্রতিভা ফুটবল মাঠের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে এক স্থায়ী প্রভাব ফেলে গেছে। খেলাধুলার প্রতি তার অনন্য নিষ্ঠা এবং দলীয় সংহতির মানসিকতা তাকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ আরও উল্লেখ করেছে যে মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সঙ্গে তাদের ক্লাব ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এই বন্ধন তাদের ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।মাত্র তেরো বছর বয়সে বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে পা রাখা মেসি পরবর্তীতে ক্লাবটির জার্সিতে অজস্র সাফল্য কুড়িয়েছেন। ২০০৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কাতালান দলটির হয়ে ১৭টি বর্ণিল মৌসুম কাটিয়ে তিনি ৭৭৮টি ম্যাচে ৬৭২টি গোল করার রেকর্ড গড়েছেন। বর্তমান সময়ে পিএসজি ঘুরে ইন্টার মায়ামিতে খেললেও বার্সেলোনা ও স্পেনের প্রতি তার আজীবন ভালোবাসা ও আবেগের কোনো কমতি ঘটেনি। রাজকীয় এই সম্মাননা তাই শুধু মেসির ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলে তার অসামান্য অবদান এবং বার্সেলোনার ইতিহাসের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্কের আরেকটি বিশ্ব স্বীকৃতি।
খেলা ডেস্ক: ফুটবলের সবুজ গালিচায় প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মন্ত্রমুগ্ধ করার পাশাপাশি মাঠের বাইরের নানা সামাজিক কার্যক্রমে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি পেলেন লিওনেল মেসি। স্পেনের রাজপরিবারের বিশেষ উপস্থিতিতে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফর স্পোর্টস গ্রহণ করেছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। স্পেনের ওভিয়েদোর কাম্পোয়াম থিয়েটারে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশটির সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্সেস লিওনর তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে ও রানি লেতিসিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন ক্রীড়াঙ্গনে এক স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করে।
৩৯ বছর বয়সী মেসির এই অর্জন ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এক নতুন মাইলফলক হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এর আগে ব্যক্তিগতভাবে এই বিশেষ ক্রীড়া পুরস্কার অর্জনের সৌভাগ্য অন্য কোনো ফুটবলারের হয়নি। বিচারকমণ্ডলী তার সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারের অসাধারণ ধারাবাহিকতা, অতুলনীয় ক্রীড়াশৈলী এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে তার দাতব্য উদ্যোগগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করেছেন। খেলাধুলার পাশাপাশি মানবিক কাজের এই স্বীকৃতি তাকে সমসাময়িক ক্রীড়াবিদদের মধ্যে অনন্য উচ্চতায়াসীন করেছে।
মেসির এই ঐতিহাসিক অর্জনে গভীর আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছে তার দীর্ঘদিনের সাবেক ক্লাব বার্সেলোনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় ক্লাবটি জানায়, তার অসাধারণ প্রতিভা ফুটবল মাঠের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে এক স্থায়ী প্রভাব ফেলে গেছে। খেলাধুলার প্রতি তার অনন্য নিষ্ঠা এবং দলীয় সংহতির মানসিকতা তাকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ আরও উল্লেখ করেছে যে মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সঙ্গে তাদের ক্লাব ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এই বন্ধন তাদের ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
মাত্র তেরো বছর বয়সে বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে পা রাখা মেসি পরবর্তীতে ক্লাবটির জার্সিতে অজস্র সাফল্য কুড়িয়েছেন। ২০০৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কাতালান দলটির হয়ে ১৭টি বর্ণিল মৌসুম কাটিয়ে তিনি ৭৭৮টি ম্যাচে ৬৭২টি গোল করার রেকর্ড গড়েছেন। বর্তমান সময়ে পিএসজি ঘুরে ইন্টার মায়ামিতে খেললেও বার্সেলোনা ও স্পেনের প্রতি তার আজীবন ভালোবাসা ও আবেগের কোনো কমতি ঘটেনি। রাজকীয় এই সম্মাননা তাই শুধু মেসির ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলে তার অসামান্য অবদান এবং বার্সেলোনার ইতিহাসের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্কের আরেকটি বিশ্ব স্বীকৃতি।