ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই Logo ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা Logo ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি Logo ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াত: এস এম জিলানী Logo জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের Logo জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী Logo ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় আজ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন পোশাক খাতের শ্রমিকেরা। তাদের প্রধান দাবি হলো অবিলম্বে তাদের মাসিক ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ত্রিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। হঠাৎ এই বিক্ষোভের কারণে ওই এলাকার আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ commuters-রা চরম ভোগান্তির শিকার হন।

বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমান বেতনে মাস শেষে সংসার চালানো অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই যৌক্তিক দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা মালিকপক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তারা আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন। তবে শ্রমিকেরা তাদের অবস্থানে অনড় থেকে স্লোগান দিতে থাকেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শ্রমিকদের এই অসন্তোষ নিরসনে মালিকপক্ষ ও সরকারের দ্রুত আলোচনায় বসা উচিত। দেশের অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবনমানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি। অন্যথায় এই ধরনের অসন্তোষ ভবিষ্যতে বড় কোনো সংকটের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

ট্যাগস :

এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

আপডেট সময় ১২:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় আজ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন পোশাক খাতের শ্রমিকেরা। তাদের প্রধান দাবি হলো অবিলম্বে তাদের মাসিক ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ত্রিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। হঠাৎ এই বিক্ষোভের কারণে ওই এলাকার আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ commuters-রা চরম ভোগান্তির শিকার হন।

বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমান বেতনে মাস শেষে সংসার চালানো অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই যৌক্তিক দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা মালিকপক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তারা আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন। তবে শ্রমিকেরা তাদের অবস্থানে অনড় থেকে স্লোগান দিতে থাকেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শ্রমিকদের এই অসন্তোষ নিরসনে মালিকপক্ষ ও সরকারের দ্রুত আলোচনায় বসা উচিত। দেশের অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবনমানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি। অন্যথায় এই ধরনের অসন্তোষ ভবিষ্যতে বড় কোনো সংকটের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।