ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo হেলথ ইন্স্যুরেন্সের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা Logo ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখায় ১–২ লাখ টাকা গ্রাহকেরা পাচ্ছেন Logo বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার Logo কিশোরগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময় Logo দুর্নীতি মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড Logo ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ Logo এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নতুন বেতনকাঠামোয় কবে বেতন পাবেন, কী বলছে মন্ত্রণালয় Logo গ্রেপ্তারের আগে সৌদির টিকিট কাটেন প্রকৌশলী আলফোজান Logo ঢাবিতে নিকাব বিতর্ক ও শিক্ষককে বিরতি: শ্রেণিকক্ষটা তাহলে কার
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন এবং ২৩টি পৌরসভার অধীন থাকা ১৯২টি আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টার বা নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম সচল রাখতে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক বিশেষ চিঠির মাধ্যমে এই আর্থিক সহায়তা চাওয়া হয়। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসের প্রশাসনিক ও পরিচালন ব্যয় নির্বাহের জন্য মোট ৪১ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার ৬ টাকা বরাদ্দের অনুরোধ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাজেট-১ শাখা থেকে অর্থ বিভাগের সচিব বরাবর এই সংক্রান্ত চিঠিটি পাঠানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পূর্ববর্তী এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে থাকা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো সম্প্রতি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর স্থানীয় সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে সাধারণ মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়ের সম্ভাব্য ব্যয় মেটানোর জন্য এই অর্থ প্রয়োজন। এর মধ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর চিকিৎসকদের বেতন-ভাতা প্রদান, প্রয়োজনীয় ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসা ও সার্জারি সংক্রান্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রশাসনিক খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মূলত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্যই এই জরুরি অর্থবরাদ্দের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই বাজেট ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের অনুকূলে একটি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কোড তৈরি করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে বরাদ্দ হওয়া এই অর্থ সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনদের অনুকূলে বিশেষ অনুমোদনের মাধ্যমে ন্যস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ আশা করছে, অর্থ বিভাগ দ্রুত এই বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে যাতে প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত না হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হেলথ ইন্স্যুরেন্সের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ

আপডেট সময় ১১:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন এবং ২৩টি পৌরসভার অধীন থাকা ১৯২টি আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টার বা নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম সচল রাখতে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক বিশেষ চিঠির মাধ্যমে এই আর্থিক সহায়তা চাওয়া হয়। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসের প্রশাসনিক ও পরিচালন ব্যয় নির্বাহের জন্য মোট ৪১ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার ৬ টাকা বরাদ্দের অনুরোধ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাজেট-১ শাখা থেকে অর্থ বিভাগের সচিব বরাবর এই সংক্রান্ত চিঠিটি পাঠানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পূর্ববর্তী এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে থাকা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো সম্প্রতি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর স্থানীয় সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে সাধারণ মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়ের সম্ভাব্য ব্যয় মেটানোর জন্য এই অর্থ প্রয়োজন। এর মধ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর চিকিৎসকদের বেতন-ভাতা প্রদান, প্রয়োজনীয় ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসা ও সার্জারি সংক্রান্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রশাসনিক খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মূলত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্যই এই জরুরি অর্থবরাদ্দের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই বাজেট ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের অনুকূলে একটি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কোড তৈরি করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে বরাদ্দ হওয়া এই অর্থ সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনদের অনুকূলে বিশেষ অনুমোদনের মাধ্যমে ন্যস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ আশা করছে, অর্থ বিভাগ দ্রুত এই বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে যাতে প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত না হয়।