আপডেট সময়
০৯:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
মুঠোফোন–কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধার হবে, চট্টগ্রামেই যেভাবে শনাক্ত হবে সাইবার অপরাধ
জাতীয় ডেস্ক: প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশজুড়ে সাইবার অপরাধের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরাধীরা তাদের অপকর্ম ঢাকতে এবং ডিজিটাল আলামত নষ্ট করতে ল্যাপটপ, মুঠোফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলত। অতীতে এসব মামলার তদন্ত ও আলামত পরীক্ষার একমাত্র ভরসা ছিল রাজধানী ঢাকার অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডি। কিন্তু নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ডিভাইস ঢাকায় পাঠানো এবং ফরেনসিক প্রতিবেদন পেতে দীর্ঘ সময় অপচয় হতো।এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হিসেবে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন একটি বিশেষ সাইবার পুলিশ সেন্টার। সম্প্রতি বন্দরনগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনস এলাকার সিআইডি কার্যালয়ের পাশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেন্টারের উদ্বোধন করেন। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির সহায়তায় প্রায় ষাট কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই চারতলা ভবনে রয়েছে আধুনিক সব প্রযুক্তি ও ল্যাবরেটরি। এর ফলে এখন থেকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় অঞ্চলের যেকোনো সাইবার অপরাধের ডিজিটাল আলামত স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে সহস্রাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং থানায় সাধারণ ডায়েরির পাশাপাশি সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলার সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। কাউন্টার টেররিজম ইউনিটসহ বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তারা মনে করছেন, স্থানীয় পর্যায়ে এই ল্যাব চালু হওয়ায় মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আসবে। অতীতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হতো, যা এখন মাত্র কয়েক দিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে এবং তদন্তের গুণগত মানও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।নতুন এই সেন্টারে রয়েছে বিশেষায়িত মোবাইল ও কম্পিউটার ফরেনসিক ল্যাব, যেখান থেকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মুছে ফেলা তথ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। অপরাধে ব্যবহৃত মুঠোফোন, ট্যাব, জিপিএস ডিভাইস, ড্রোন কিংবা হার্ড ড্রাইভ থেকে কল রেকর্ড, খুদে বার্তা, ইন্টারনেট ব্রাউজিং ইতিহাস এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মুছে ফেলা তথ্য বা ফাইল উদ্ধার করা যাবে। এছাড়া ডার্ক ওয়েবের কার্যক্রম, অনলাইন জালিয়াতি, ডিজিটাল প্রতারণা এবং ভুয়া আইডির আলামত নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা অনেক সহজ হবে।
জাতীয় ডেস্ক: প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশজুড়ে সাইবার অপরাধের প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরাধীরা তাদের অপকর্ম ঢাকতে এবং ডিজিটাল আলামত নষ্ট করতে ল্যাপটপ, মুঠোফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলত। অতীতে এসব মামলার তদন্ত ও আলামত পরীক্ষার একমাত্র ভরসা ছিল রাজধানী ঢাকার অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডি। কিন্তু নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ডিভাইস ঢাকায় পাঠানো এবং ফরেনসিক প্রতিবেদন পেতে দীর্ঘ সময় অপচয় হতো।
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হিসেবে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন একটি বিশেষ সাইবার পুলিশ সেন্টার। সম্প্রতি বন্দরনগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনস এলাকার সিআইডি কার্যালয়ের পাশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেন্টারের উদ্বোধন করেন। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির সহায়তায় প্রায় ষাট কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই চারতলা ভবনে রয়েছে আধুনিক সব প্রযুক্তি ও ল্যাবরেটরি। এর ফলে এখন থেকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় অঞ্চলের যেকোনো সাইবার অপরাধের ডিজিটাল আলামত স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে সহস্রাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং থানায় সাধারণ ডায়েরির পাশাপাশি সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলার সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। কাউন্টার টেররিজম ইউনিটসহ বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তারা মনে করছেন, স্থানীয় পর্যায়ে এই ল্যাব চালু হওয়ায় মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আসবে। অতীতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হতো, যা এখন মাত্র কয়েক দিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে এবং তদন্তের গুণগত মানও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
নতুন এই সেন্টারে রয়েছে বিশেষায়িত মোবাইল ও কম্পিউটার ফরেনসিক ল্যাব, যেখান থেকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মুছে ফেলা তথ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। অপরাধে ব্যবহৃত মুঠোফোন, ট্যাব, জিপিএস ডিভাইস, ড্রোন কিংবা হার্ড ড্রাইভ থেকে কল রেকর্ড, খুদে বার্তা, ইন্টারনেট ব্রাউজিং ইতিহাস এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মুছে ফেলা তথ্য বা ফাইল উদ্ধার করা যাবে। এছাড়া ডার্ক ওয়েবের কার্যক্রম, অনলাইন জালিয়াতি, ডিজিটাল প্রতারণা এবং ভুয়া আইডির আলামত নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা অনেক সহজ হবে।