আপডেট সময়
০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
সৌদির বিধিনিষেধে বাংলাদেশের ১১৪ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে ১৭ হাজার ৭০১ যাত্রী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আরোপ করা বিশেষ পরিচালনাগত বিধিনিষেধের জেরে বাংলাদেশের সঙ্গে চলাচলকারী একাধিক এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি এই জটিলতার কারণে মোট ১১৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি পরিচালিত ফ্লাইটের সংখ্যা ৫০টি এবং বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে ঘুরে আসা ট্রানজিট ফ্লাইটের সংখ্যা ৬৪টি। বিমান চলাচলের এই আকস্মিক বিঘ্ন ঘটার ফলে শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৭ হাজার ৭০১ জন সাধারণ যাত্রী চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার সাকি সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে বিধিনিষেধের বেড়াজালে পড়া সরাসরি ৫০টি ফ্লাইটের একটি বড় অংশ দেশীয় বিমান সংস্থাগুলোর। এর মধ্যে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৮টি এবং বেসরকারি খাতের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১২টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি নির্ধারিত ফ্লাইট এই সমস্যার শিকার হয়েছে।অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বিভিন্ন বিদেশি বিমান সংস্থার মোট ৬৪টি ফ্লাইট সিডিউল বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এর মধ্যে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের সর্বোচ্চ ২২টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৫টি ফ্লাইট রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বড় বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি এবং সালামএয়ারের ৭টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে। পাশাপাশি ইজিপ্টএয়ারের একটি ট্রানজিট ফ্লাইটও এই নির্দেশনার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারেনি।সৌদি প্রশাসনের আকস্মিক এই নিয়মকানুন ও বিধিনিষেধের কারণে ফ্লাইট চলাচলে নিয়মিত বিঘ্ন ঘটায় যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনা ও সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বিমান সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে যাত্রীদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়াতে ভ্রমণের আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ হালনাগাদ সময়সূচি ভালোভাবে জেনে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আরোপ করা বিশেষ পরিচালনাগত বিধিনিষেধের জেরে বাংলাদেশের সঙ্গে চলাচলকারী একাধিক এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি এই জটিলতার কারণে মোট ১১৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি পরিচালিত ফ্লাইটের সংখ্যা ৫০টি এবং বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে ঘুরে আসা ট্রানজিট ফ্লাইটের সংখ্যা ৬৪টি। বিমান চলাচলের এই আকস্মিক বিঘ্ন ঘটার ফলে শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৭ হাজার ৭০১ জন সাধারণ যাত্রী চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার সাকি সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে বিধিনিষেধের বেড়াজালে পড়া সরাসরি ৫০টি ফ্লাইটের একটি বড় অংশ দেশীয় বিমান সংস্থাগুলোর। এর মধ্যে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৮টি এবং বেসরকারি খাতের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১২টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি নির্ধারিত ফ্লাইট এই সমস্যার শিকার হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে বিভিন্ন বিদেশি বিমান সংস্থার মোট ৬৪টি ফ্লাইট সিডিউল বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এর মধ্যে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের সর্বোচ্চ ২২টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৫টি ফ্লাইট রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বড় বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি এবং সালামএয়ারের ৭টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে। পাশাপাশি ইজিপ্টএয়ারের একটি ট্রানজিট ফ্লাইটও এই নির্দেশনার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারেনি।
সৌদি প্রশাসনের আকস্মিক এই নিয়মকানুন ও বিধিনিষেধের কারণে ফ্লাইট চলাচলে নিয়মিত বিঘ্ন ঘটায় যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনা ও সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বিমান সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে যাত্রীদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়াতে ভ্রমণের আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ হালনাগাদ সময়সূচি ভালোভাবে জেনে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।