আপডেট সময়
০৬:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয়ের জমি জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আইন-আদালত ডেস্ক: অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আদালত তার মালিকানাধীন একটি জমি জব্দের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ১৪টি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের সুনির্দিষ্ট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ দেন, যা দেশের দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত সাবেক এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার আয়ের উৎসের সঙ্গে সংগতিহীন দুই কোটি সাতচল্লিশ লাখ টাকার বেশি সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের প্রায় ছয় কোটি টাকার তথ্যও উদঘাটিত হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়েছিল যে, আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন অভিযুক্ত ব্যক্তি তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি গোপনে হস্তান্তর বা বিক্রি করে দিতে পারেন। এমন আশঙ্কা থেকে বিচার শেষে সরকারের অনুকূলে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার পথ সুগম রাখতে এই ক্রোক ও অবরুদ্ধ করার আবেদন করা হয়েছিল। ঢাকার নন্দীপাড়া এলাকায় থাকা প্রায় দশমিক আট শতাংশ জমি এবং কয়েকটি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় থাকা হিসাবগুলো এই আদেশের আওতায় এসেছে।আদালতের সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা ও দুদকের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ প্রদান করেন। এর ফলে অভিযুক্ত সাবেক কর্মকর্তার ওই নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি এবং ব্যাংক হিসাবগুলোর ওপর সব ধরনের লেনদেন আপাতত স্থগিত থাকবে। দুর্নীতি দমন কমিশন এই ঘটনার আরও গভերে গিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
আইন-আদালত ডেস্ক: অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আদালত তার মালিকানাধীন একটি জমি জব্দের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ১৪টি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের সুনির্দিষ্ট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ দেন, যা দেশের দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত সাবেক এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার আয়ের উৎসের সঙ্গে সংগতিহীন দুই কোটি সাতচল্লিশ লাখ টাকার বেশি সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের প্রায় ছয় কোটি টাকার তথ্যও উদঘাটিত হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়েছিল যে, আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন অভিযুক্ত ব্যক্তি তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি গোপনে হস্তান্তর বা বিক্রি করে দিতে পারেন। এমন আশঙ্কা থেকে বিচার শেষে সরকারের অনুকূলে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার পথ সুগম রাখতে এই ক্রোক ও অবরুদ্ধ করার আবেদন করা হয়েছিল। ঢাকার নন্দীপাড়া এলাকায় থাকা প্রায় দশমিক আট শতাংশ জমি এবং কয়েকটি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় থাকা হিসাবগুলো এই আদেশের আওতায় এসেছে।
আদালতের সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা ও দুদকের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ প্রদান করেন। এর ফলে অভিযুক্ত সাবেক কর্মকর্তার ওই নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি এবং ব্যাংক হিসাবগুলোর ওপর সব ধরনের লেনদেন আপাতত স্থগিত থাকবে। দুর্নীতি দমন কমিশন এই ঘটনার আরও গভերে গিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।