আপডেট সময়
০৯:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
সাজেক অবরোধ: পাঁচ দাবির চারটিতে সমঝোতা, দ্রুত অবরোধ তোলার আশা
জাতীয় ডেস্ক: খাগড়াছড়িতে সাজেকমুখী পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচলে বাধা ও সড়ক অবরোধের মতো জটিল পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসনের সঙ্গে স্থানীয় বিভিন্ন পক্ষের দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সাম্প্রতিক এই বৈঠকে আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দাবির মধ্যে প্রায় চারটিতেই সন্তোষজনক সমঝোতা অর্জিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই অচলাবস্থা নিরসনের মধ্য দিয়ে পাহাড়ি অঞ্চলে পুনরায় স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৈঠকে অংশ নেওয়া নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে খুব দ্রুতই বাকি থাকা দাবিটির সমাধান হয়ে যাবে এবং সাজেক রুটে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে।খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ব্রিফিংয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া বর্তমান অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান যে দুই পক্ষের আলোচনার পরিবেশ অত্যন্ত ইতিবাচক ছিল এবং বেশিরভাগ দাবি নিয়ে পারস্পরিক ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। তবে দিনের আলো ফুরিয়ে যাওয়ায় অবশিষ্ট একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে সেদিন বিস্তারিত আলোচনা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। খুব শীঘ্রই পরবর্তী দফার আলোচনার মাধ্যমে সেই অমীমাংসিত বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।বৈঠকে পাহাড়ি অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সশস্ত্র তৎপরতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। ওয়াদুদ ভূঁইয়া স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে এলাকায় কোনো ধরনের অবৈধ সশস্ত্র কার্যক্রম বরদাস্ত করা হবে না এবং এ বিষয়ে কঠোর সরকারি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পার্বত্য এলাকার দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন জটিলতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের দ্রুত এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন।আলোচনা প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এই উদ্যোগকে একটি ফলপ্রসূ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান যে স্থানীয় বাসিন্দারাও সংঘাত এড়িয়ে পাহাড়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগ্রহী। ব্রিফিংয়ে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুব দ্রুতই সাজেক সড়ক উন্মুক্ত হবে এবং পর্যটন শিল্পসহ স্থানীয় অর্থনীতি স্বাভাবিক গতি ফিরে পাবে বলে সবাই আশা প্রকাশ করছেন।
জাতীয় ডেস্ক: খাগড়াছড়িতে সাজেকমুখী পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচলে বাধা ও সড়ক অবরোধের মতো জটিল পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসনের সঙ্গে স্থানীয় বিভিন্ন পক্ষের দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সাম্প্রতিক এই বৈঠকে আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দাবির মধ্যে প্রায় চারটিতেই সন্তোষজনক সমঝোতা অর্জিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই অচলাবস্থা নিরসনের মধ্য দিয়ে পাহাড়ি অঞ্চলে পুনরায় স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৈঠকে অংশ নেওয়া নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে খুব দ্রুতই বাকি থাকা দাবিটির সমাধান হয়ে যাবে এবং সাজেক রুটে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে।
খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ব্রিফিংয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া বর্তমান অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান যে দুই পক্ষের আলোচনার পরিবেশ অত্যন্ত ইতিবাচক ছিল এবং বেশিরভাগ দাবি নিয়ে পারস্পরিক ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। তবে দিনের আলো ফুরিয়ে যাওয়ায় অবশিষ্ট একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে সেদিন বিস্তারিত আলোচনা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। খুব শীঘ্রই পরবর্তী দফার আলোচনার মাধ্যমে সেই অমীমাংসিত বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে পাহাড়ি অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সশস্ত্র তৎপরতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। ওয়াদুদ ভূঁইয়া স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে এলাকায় কোনো ধরনের অবৈধ সশস্ত্র কার্যক্রম বরদাস্ত করা হবে না এবং এ বিষয়ে কঠোর সরকারি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পার্বত্য এলাকার দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন জটিলতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের দ্রুত এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আলোচনা প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এই উদ্যোগকে একটি ফলপ্রসূ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান যে স্থানীয় বাসিন্দারাও সংঘাত এড়িয়ে পাহাড়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগ্রহী। ব্রিফিংয়ে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুব দ্রুতই সাজেক সড়ক উন্মুক্ত হবে এবং পর্যটন শিল্পসহ স্থানীয় অর্থনীতি স্বাভাবিক গতি ফিরে পাবে বলে সবাই আশা প্রকাশ করছেন।