জাতীয় ডেস্ক: নাটোর রেলস্টেশন জামে মসজিদ সংলগ্ন অজুখানাটির দীর্ঘদিনের দুর্দশা অবশেষে অবসান হয়েছে। জনাকীর্ণ কাঁচাবাজার এলাকার এই মসজিদটিতে প্রতিদিন ট্রেনের জন্য অপেক্ষমাণ হাজারো যাত্রী, রেলওয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে অজুখানার বেহাল দশার কারণে মুসল্লিদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই মসজিদটি পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থায়ী তহবিল না থাকায় এর সংস্কার বা উন্নয়নের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল। জনবহুল এই এলাকার মসজিদটির অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে এতদিন সংশ্লিষ্ট কারও কোনো কার্যকর উদ্যোগ বা আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়নি।এমন পরিস্থিতিতে মুসল্লিদের চরম দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসে সামাজিক সংগঠন বন্ধুসভা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে নিজেদের উদ্যোগে স্টেশন জামে মসজিদের অচল ও নোংরা অজুখানাটি সম্পূর্ণ সংস্কার করা হয়। এই মহতী উদ্যোগের ফলে বর্তমানে অজুখানার পরিবেশ অনেক উন্নত হয়েছে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।অজুখানা সংস্কারের পর মসজিদটিতে নিয়মিত নামাজ পড়তে আসা যাত্রীরা এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বন্ধুসভার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন যে, এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যার সমাধান হলো এবং এখন থেকে মুসল্লিরা স্বাচ্ছন্দ্যে পবিত্রতা অর্জন করে ইবাদত করতে পারবেন।
জাতীয় ডেস্ক: নাটোর রেলস্টেশন জামে মসজিদ সংলগ্ন অজুখানাটির দীর্ঘদিনের দুর্দশা অবশেষে অবসান হয়েছে। জনাকীর্ণ কাঁচাবাজার এলাকার এই মসজিদটিতে প্রতিদিন ট্রেনের জন্য অপেক্ষমাণ হাজারো যাত্রী, রেলওয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে অজুখানার বেহাল দশার কারণে মুসল্লিদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই মসজিদটি পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থায়ী তহবিল না থাকায় এর সংস্কার বা উন্নয়নের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল। জনবহুল এই এলাকার মসজিদটির অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে এতদিন সংশ্লিষ্ট কারও কোনো কার্যকর উদ্যোগ বা আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়নি।
এমন পরিস্থিতিতে মুসল্লিদের চরম দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসে সামাজিক সংগঠন বন্ধুসভা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে নিজেদের উদ্যোগে স্টেশন জামে মসজিদের অচল ও নোংরা অজুখানাটি সম্পূর্ণ সংস্কার করা হয়। এই মহতী উদ্যোগের ফলে বর্তমানে অজুখানার পরিবেশ অনেক উন্নত হয়েছে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
অজুখানা সংস্কারের পর মসজিদটিতে নিয়মিত নামাজ পড়তে আসা যাত্রীরা এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বন্ধুসভার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন যে, এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যার সমাধান হলো এবং এখন থেকে মুসল্লিরা স্বাচ্ছন্দ্যে পবিত্রতা অর্জন করে ইবাদত করতে পারবেন।